,

তনুর ছোট ভাইয়ের বন্ধুর সন্ধান মিলছে না

 

 

নিজস্ব প্রতিবেদক : ধর্ষণ ও হত্যার শিকার কলেজছাত্রী ও নাট্যকর্মী সোহাগী জাহান তনুর ছোট ভাইয়ের বন্ধু মিজানুর রহমান সোহাগের (২১) সন্ধান মেলেনি গত আটদিনেও। উদ্বেগ আর উৎকণ্ঠায় সময় কাটছে সোহাগের পরিবারের সদস্যদের।গত ২৭ মার্চ দিনগত রাত দেড়টার দিকে আইনের লোক পরিচয়ে (ডিবি পুলিশ) কলেজছাত্র সোহাগকে তার নিজ বাড়ি নারায়নসার গ্রাম থেকে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়। এরপর থেকে তিনি নিখোঁজ রয়েছেন।

2016_04_03_17_47_45_QfuQKTWIGZLHARKh2OAeAQ7TQLIFyh_original

 

নিখোঁজ সোহাগ কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলার ময়নামতি ইউনিয়নের নারায়নসার গ্রামের বাসিন্দা নুরুল ইসলামের ছেলে। তিনি কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজের ছাত্রী তনুর ছোট ভাই আনোয়ার হোসেনের রুবেলের বন্ধু।তিনদিন ধরে বিভিন্ন স্থানে খোঁজ-খবর নিয়ে ছেলের সন্ধান পেতে ব্যর্থ হয়ে সোহাগের বাবা নুরুল ইসলাম গত ৩০ মার্চ বুড়িচং থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন (নম্বর-১১৩২, ৩০ মার্চ, ২০১৬)।

 

জিডিতে উল্লেখ করা হয়, গত ২৭ মার্চ দিনগত রাত দেড়টার দিকে আইনের লোক (ডিবি পুলিশ) পরিচয়ে কয়েকজন লোক নুরুল ইসলামের বাড়িতে প্রবেশ করে। এরপর সোহাগকে তার ঘর থেকে তুলে নেয়। পরে গাড়িতে উঠিয়ে নিয়ে চলে যায়।ঘটনার পরে সোহাগের বাবা ও পরিবারের সদস্য ও স্বজনরা কুমিল্লা ডিবি ও র‌্যাব কার্যালয়ে গিয়ে খোঁজ-খবর নেয়ার চেষ্টা করে। কিন্তু কোনো কর্মকর্তাই নিখোঁজ সোহাগের ব্যাপারে কোনো তথ্য দিতে পারেনি।

 

কুমিল্লা জেলা পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগে (ডিবি) ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মঞ্জুরুল আলম সাংবাদিকদের বলেন, আমাদের কোনো টিম এ ব্যাপারে কোনো অপারেশন চালায়নি।এদিকে, সোহাগের বোন খালেদা আক্তার স্থানীয় সাংবাদিকদের জানান, তনু হত্যাকাণ্ডের পর টিভি চ্যানেলে তনুর ছোট ভাই রুবেলের সাক্ষাৎকার প্রচার হচ্ছিল। ওই সময় টিভিতে রুবেলকে দেখে উৎসুক হয়ে ওঠে সোহাগ। সে তখন জানায় যে, নিহত তনু রুবেলের বোন। এরপর সে রুবেলের নম্বরে একাধিকবার কল দিয়ে কথা বলার চেষ্টা করে।

 

খালেদা আক্তার মনে করছেন, রুবেলকে ওইদিন ফোন দেয়ার কারণেই সোহাগকে ‍তুলে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। কিন্তু সোহাগের সন্ধান ও তার অবস্থান জানত চায় পরিবারের লোকজন।ঘটনার ৭দিন পর শনিবার (২ এপ্রিল) দুপুরে সোহাগের মা সাহিদা আক্তার ও বড় বোন খালেদা আক্তার কুমিল্লা প্রেসক্লাবে এসে সাংবাদকর্মীদের বিষয়টি জানান। রোববার (৩ এপ্রিল) গণমাধ্যমে তা প্রচার হয়।

 

 

গত ২০ মার্চ রাতে কুমিল্লা সেনানিবাসের একটি জঙ্গল থেকে তনুর লাশ পাওয়া যায়। তাকে ধর্ষণের পর হত্যার করে লাশ ফেলে রেখে যায় দুর্বৃত্তরা। ঘটনাটি তদন্তে র‌্যাব, পুলিশসহ একাধিক গোয়েন্দা সংস্থা মাঠে নামে। গত ৩১ মার্চ সন্ধ্যায় জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) থেকে মামলাটি পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) কাছে হস্তান্তর করা হয়।

 

শনিবার (২ এপ্রিল) বেলা আড়াইটা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত তনুর বাবা ইয়ার হোসেন, মা আনোয়ারা বেগম, দুই ভাই নাজমুল হোসেন ও আনোয়ার হোসেন রুবেল ও চাচাতো বোন লাইজু জাহান সিআইডি কার্যালয়ে অবস্থান করেন। সে সময় তাদের হত্যাকাণ্ডের আগে ও পরের বিভিন্ন ঘটনা নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।

এ জাতীয় আরও খবর

স্বনির্ভর দেশ গড়তে গ্রামীণ অর্থনীতিতে গুরুত্ব: পানিসম্পদমন্ত্রী

রংপুর জামায়াত দখল করেছে, অভিযোগ রাশেদ খাঁনের

ইরানে দুই হামলায় যুদ্ধাপরাধের অভিযোগ যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে

শনিবার জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হচ্ছে সাড়ে ১২ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস

নভেম্বরে প্রধানমন্ত্রীর দিল্লি সফর চূড়ান্ত করতে ফের আলোচনা: দ্য হিন্দু

তৃণমূলের নাম-প্রতীক নিয়ে মমতা-ঋতব্রতকে নতুন সিদ্ধান্ত কমিশনের

জামায়াতের ৭১-এর ভূমিকা নিয়ে রাজ্জাকের বক্তব্যের গুরুত্ব তুলে ধরলেন আইনমন্ত্রী

শেখ হাসিনা কালকেই আসুন, হাতকড়া দিয়ে রিসিভ করব: বিমানমন্ত্রী

নির্যাতনের অভিযোগে দাম্পত্যে ইতি, থানায় সমঝোতায় সংগীতশিল্পী কনটেন্ট ক্রিয়েটর ইউসুফ রায়হান ও মুন্নির বিবাহ বিচ্ছেদ

আজ প্রথম প্রেম মনে করার দিন

বিশ্ব বাঁশ দিবস আজ

মূল্যস্ফীতি কমার প্রভাব নেই বাজারে