সোমবার, ২৭শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ ১২ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সুস্থ থাকার জন্য ব্যায়াম

103964_134স্বাস্থ্য ডেস্ক : রমনা পার্কে, নয়তো ধানমন্ডি লেকের পাড়ে অনেকেই হাঁটছেন। তরুণ, বুড়ো অনেকে। তবে কথা হলো, আরো একটু বেশি হাঁটলে হয় না। যাদের টাইপ-২ ডায়াবেটিস আছে, তাদের জন্য এ পরামর্শ তো অবশ্যই।

আর ২০০৮ সালে ২১ জুলাই যে গবেষণাপত্রটি প্রকাশিত হলো, দেখলাম, গবেষকেরা বলছেন : স্থূল লোকদের ওজন কমিয়ে তা ধরে রাখার জন্য আরো কঠোর ব্যায়াম করতে হবে।
ডায়াবেটিস কেয়ার নামে বিখ্যাত জর্নালে নিউক্যাসেল বিশ্ববিদ্যালয়ের মাইকেল ট্রেনেল ও সহকর্মীরা লিখেছেন, প্রতিদিন ৪৫ মিনিট বেশি হাঁটলে ডায়াবেটিক রোগীরা তাদের রক্তে সুগার মানকে আরো ভালো নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারেন।
ট্রেনেল বললেন, লোকজন অনেকে জিমে যেতে চান না অনেক সময়। তবে দ্রুত হেঁটে সক্রিয় ও সচল থাকতে পারেন সবাই।
নিউক্যাসেল টিমের গবেষকেরা ১০ জন টাইপ-২ ডায়াবেটিক রোগীকে সাথে নিলেন, একই ওজন ও উচ্চতার আরো ১০ জন যাদের ডায়াবেটিস নেই, এমন লোক এবং তাদের প্রতিদিন ১০ হাজার পায়ের বেশি হাঁটতে বলা হলো।
এরপর ম্যাগনেটিক রেজনেন্স ইমেজিং (এমআরআই) করে দেখা গেল, যেসব লোক ৪৫ মিনিট বেশি হেঁটেছেন, প্রতিদিন এদের দেহে চর্বি বেশি দহন হয়েছে- বেড়েছে পেশির সুগার জমা করার ক্ষমতা এবং ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ এতে হয়েছে ভালো।
ট্রেনেল বলেন, এই গবেষণার চাঞ্চল্যকর দিকটি হলো, এই গবেষণা থেকে পাওয়া গেল, ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণের জন্য একটি চটজলদি পথ।
বিশ্বজুড়ে ডায়াবেটিস রয়েছে ২৪৬ মিলিয়ন পূর্ণবয়স্ক লোকের এবং বিশ্ব যত মৃত্যু হয়, এর ৬ শতাংশ হয় ডায়াবেটিসের জন্য। যত ডায়াবেটিস রয়েছে, এর ৯০ শতাংশ হলো টাইপ-২ ডায়াবেটিস। আর এটি মেদ স্থূলতা ও দৈহিক শরীরচর্চার অভাবের সাথে ঘনিষ্ঠভাবে সম্পর্কিত। স্থূলতা ও ডায়াবেটিস সমস্যা ক্রমেই বাড়ছে, উন্নয়নশীল দেশগুলো ক্রমেই পশ্চিমা ধাঁচের জীবনকে মেনে নিচ্ছে, ইন্টারন্যাশনাল ডায়াবেটিস ফেডারেশন অনুমান করছেন- এ রকম চলতে থাকলে ২০২৫ সালের মধ্যে ৩৮০ মিলিয়ন লোকের হতে পারে ডায়াবেটিস।
তবে বর্তমান ব্যায়াম গাইডলাইন, যাতে লোকজনকে বলা হয়েছে প্রতি সপ্তায়, ১৫০ মিনিট ২.৫ ঘণ্টা ব্যায়াম করার জন্য স্থূল লোকদের ঠিক ওজন বজায় রাখার জন্য যথেষ্ট নয়।
চিকিৎসা বিষয়ক জার্নাল আর্কাইভস অব ইন্টারন্যাশনাল মেডিসিনে পিটসবার্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের জন জ্যাকিক তো তাই বলেছেন গবেষণাপত্রে।
ব্যায়ামের সর্বোচ্চ মান নির্ণয়ের জন্য আমেরিকান টিম ২০১ জন বেশি ওজনের ও স্থূল মহিলা নিলেন একটি ওয়েট প্রোগ্রামে এবং তা চলল ১৯৯৯-২০০৩ সাল পর্যন্ত। এদেরকে চারটি গ্রুপে নেয়া হলো। ছয় মাস পর চার দলের মহিলারাই ৮-১০ শতাংশ ওজন হারালেন, আবার কেউ কেউ ওজন অর্জনও করলেন। জ্যাকিক বলেন, যারা দেহের ওজন কমাতে চান এবং রাখতে চান; এদেরকে সপ্তাহে সাড়ে ৪ ঘণ্টা ব্যায়াম করতে হবে।
তবে বোঝা যাচ্ছে, এখন দীর্ঘমেয়াদি ওজন হ্রাসের জন্য আরো ব্যায়াম প্রয়োজন। বেশি বেশি ব্যায়াম প্রয়োজন।

লেখক : অধ্যাপক ও পরিচালক, ল্যাবরেটরি সার্ভিসেস, বারডেম, ঢাকা

এ জাতীয় আরও খবর

আমড়া খাওয়ার এই উপকারিতাগুলো জানতেন?

কাহানি থ্রি-তে বিদ্যা বালান নয়, মূল চরিত্রে ইয়ামি গৌতম

২০২৬-২৭ অর্থবছর: রপ্তানি প্রবৃদ্ধির লক্ষ্য ১৫ শতাংশ, আয় হতে পারে ৬৩.৪ বিলিয়ন ডলার

সাবেক রাষ্ট্রপতির বিরুদ্ধে ওঠা দুর্নীতির অভিযোগ সরকার পর্যালোচনা করছে : আইনমন্ত্রী

যাত্রীবাহী বাস খাদে পড়ে আহত ২০

কলকাতার ‘পাখি’ এবার ঢাকাই সিনেমার ‘চামেলি’

সৌদিতে এক সপ্তাহে প্রায় ১৫ হাজার অভিবাসী গ্রেপ্তার

স্বামীকে বাঁচাতে গিয়ে প্রাণ গেল স্ত্রীরও

সাত মাসের মেয়েকে হত্যার মামলায় বাবার ৩ দিনের রিমান্ড

হামের উপসর্গে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু

ডেঙ্গুতে আরও ৩ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ৪৫৮

রেমিট্যান্সে বড় গতি, ২৫ দিনে এলো ২৮ হাজার কোটি টাকা