বুধবার, ২৯শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ ১৪ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নির্বাচনী এলাকায় সহিংসতা, ভীতিকর অবস্থা : বিএনপি

bnp1নিজস্ব প্রতিবেদক : বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী দাবি করেছেন, নির্বাচন কমিশন তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ করলে ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) নির্বাচনে এত প্রাণ দিতে হতো না। তাঁর অভিযোগ, বিভিন্ন জায়গায় এখনো নির্বাচনী সহিংসতা অব্যাহত রয়েছে। মানুষের বাড়ি-ঘরে আওয়ামী সন্ত্রাসীরা অগ্নিসংযোগ, হামলা-লুটপাট, নির্যাতন ও তাণ্ডবলীলা চালাচ্ছে। নির্বাচনী এলাকাগুলোতে ভীতিকর অবস্থা বিরাজ করছে।

আজ বৃহস্পতিবার সকালে রাজধানীর নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে রিজভী এসব অভিযোগ করেন।
রিজভী দাবি করেন, তফসিল ঘোষণার পর থেকে ২২ মার্চ প্রথম ধাপে দেশব্যাপী ৭১২টি ইউপি নির্বাচনের আগে-পরে সংঘাত, সংঘর্ষ, পুলিশ, র‍্যাব ও বিজিবির গুলিতে এবং সরকারদলীয় সন্ত্রাসীদের হামলায় এখন পর্যন্ত ২২ জন নিহত হয়েছে।
রিজভী বলেন, ‘প্রধান নির্বাচন কমিশনার বলেছিলেন, “প্রশাসনের কাঙ্ক্ষিত সহযোগিতা পাচ্ছি না”।’ তিনি বলেছেন, “যদি সংঘাত-সংঘর্ষ হয়, তবে পুলিশকে দায়দায়িত্ব নিতে হবে”। আবার নির্বাচন শেষেও তিনি বলেছেন “নির্বাচন সুষ্ঠু হয়েছে”। প্রধান নির্বাচন কমিশনারের এ ধরনের কথাবার্তায় মনে হয়েছে, তিনি মানসিক অস্থিরতায় ভুগছেন।’

বিএনপির এই নেতা বলেন, সংবিধানের ১২৬ অনুচ্ছেদে স্পষ্টভাবে লেখা আছে, ‘নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব পালনে সহায়তা করা সকল নির্বাহী কর্তৃপক্ষের কর্তব্য হইবে।’ নির্বাচনকে শান্তিপূর্ণ ও সুষ্ঠু করার জন্য নির্বাচন কমিশন যখনই সরকারের সহায়তা চাইবে, সরকার তা দিতে বাধ্য থাকবে। নির্বাচন কমিশনের এ কথা সরকার না মানলে অবশ্যই সরকার সংবিধান লঙ্ঘন করেছে। নির্বাচন কমিশনের সেই মুহূর্তে উচিত নিজস্ব শক্তি প্রয়োগ করার। আর সেই শক্তি প্রয়োগে সরকার যদি রাষ্ট্রশক্তি ব্যবহার করে বাধা দেয়, কমিশনের উচিত পদত্যাগ করা বা সংবিধান লঙ্ঘনের অভিযোগে সরকারের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা করা।

এ জাতীয় আরও খবর