বুধবার, ২৯শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ ১৪ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ইস্কাটনে জোড়া খুন: অভিযোগ গঠন ৬ মার্চ

7fea01382b1bc32f53ffcf9a945383cf-Hasan-Raja_1নিজস্ব প্রতিবেদক : রাজধানীর ইস্কাটনে জোড়া খুনের ঘটনায় সাংসদপুত্র বখতিয়ার আলম ওরফে রনির বিরুদ্ধে করা মামলায় অভিযোগ গঠন বিষয়ক শুনানি শেষ হয়েছে। আগামী ৬ মার্চ আদেশ দেওয়া হবে। আজ রোববার ঢাকার দুই নম্বর অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক শামছুন নাহার এ আদেশ দেন।

শুনানি চলাকালে বখতিয়ারের আইনজীবী আদালতকে বলেন, আমরা নির্দোষ। ঘটনার সময় তিনি সেখানে ছিলেন না। মামলার রেকর্ডপত্রে যা এসেছে তাতে দেখা যায় মাদকাসক্ত অবস্থায় তিনি গুলি ছুড়েছেন। কোনো পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড ছিল না। আর কয়েকজনকে আসামি করার ভয় দেখিয়ে জোরপূর্বক স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি আদায় করা হয়েছে। এ ছাড়া যে ব্যালিস্টিক রিপোর্ট দেওয়া হয়েছে সেখানে এই আসামির পিস্তল থেকে গুলি ছোড়া হয়েছে কি না তা নিশ্চিত করা নেই।
হেঁটে কিছুটা গেলেও আলোকচিত্রীদের ছবি তুলতে দেখে হুইল চেয়ারে বসে পড়েন বখতিয়ার। ছবি: হাসান রাজাতবে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী আদালতকে বলেন, এই আসামির ছোড়া গুলিতেই দুজন নিরীহ লোক মারা গেছেন। তাই তাঁর বিরুদ্ধে অবশ্যই অভিযোগ গঠন হবে।

উভয় পক্ষের শুনানির পর আদালত বলেন, মামলার রেকর্ডপত্র পর্যালোচনা করে এ বিষয়ে ৬ মার্চ আদেশ দেওয়া হবে।

সকাল ১০টার সময় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে পিকআপ ভ্যানে করে আদালতে নিয়ে যাওয়া হয়। ভ্যান থেকে নেমে বখতিয়ার হেঁটেই যাচ্ছিলেন। কিন্তু আলোকচিত্রীরা ছবি তুলতে শুরু করলে তিনি হুইল চেয়ারে বসে পড়েন। এ সময় তাঁর হাতে ছিল ক্রাচ। তাঁকে রাখা হয় আদালতের হাজতখানায়। বেলা ১১টার সময় তাঁকে আদালতের এজলাসে তোলা হয়। এ সময় রাষ্ট্রপক্ষের কোনো আইনজীবী উপস্থিত ছিলেন না। আসামি পক্ষের একজন কনিষ্ঠ আইনজীবী বলেন, রাষ্ট্রপক্ষের সরকারি কৌঁসুলিরা আদালতে উপস্থিত নেই। এর উত্তরে আদালত বলেন, পিপিরা আসবেন। এর আধা ঘণ্টা পর রাষ্ট্রপক্ষের দুই কৌঁসুলি আদালতে উপস্থিত হন। এর আধা ঘণ্টা পর দুপুর ১২টার দিকে বখতিয়ারের প্রধান আইনজীবী কাজী নজিবুল্লাহ হিরু আদালতে উপস্থিত হলে শুনানি শুরু হয়। শুনানির পুরোটা সময় বখতিয়ার এজলাসে হুইল চেয়ারেই বসা ছিলেন। শুনানি শেষে তাঁকে হাসপাতালে ফিরিয়ে নেওয়া হয়।

এই জোড়া খুনের মামলায় গত বছরের ২১ জুলাই বখতিয়ার আলমকে একমাত্র আসামি করে আদালতে অভিযোগপত্র দেয় ঢাকা মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগ (ডিবি)। বখতিয়ার আলম মহিলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক ও সাংসদ পিনু খানের ছেলে।

ওই বছরের ১৩ এপ্রিল গভীর রাতে নিউ ইস্কাটনে একটি গাড়ি থেকে এলোপাতাড়ি গুলি ছোড়া হয়। গুলিতে রিকশাচালক আবদুল হাকিম ও অটোরিকশাচালক ইয়াকুব আলী গুরুতর আহত হন। পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৫ এপ্রিল হাকিম এবং ২৩ এপ্রিল ইয়াকুব মারা যান। ওই ঘটনায় হাকিমের মা মনোয়ারা বেগম ১৫ এপ্রিল রমনা থানায় এই মামলা করেন। ৩১ মে বখতিয়ার আলমকে আটক করে পুলিশ। ডিবি পুলিশ সূত্রবিহীন এই মামলায় তথ্যপ্রযুক্তি ও দৈনিক জনকণ্ঠর ক্লোজড সার্কিট ক্যামেরার (সিসি) সহায়তায় সাংসদপুত্রের প্রাডো গাড়ি এবং তাঁর ছেলে বখতিয়ারের অবস্থান সম্পর্কে নিশ্চিত হয়।

এ জাতীয় আরও খবর

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানাতে প্রস্তুত ভারত

গুলশান থেকে গ্রেপ্তার লতিফ সিদ্দিকী

৪৫ বছর পর প্রকাশ্যে জিয়াউর রহমান হত্যাকাণ্ডের তদন্ত প্রতিবেদন

বাহুবলে এনসিপির গাড়িবহর আটকাল পুলিশ

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করল তাহসিন

ফ্যাসিবাদের পক্ষে থাকা শিক্ষকদের পাঠদানের অধিকার নেই: মাহফুজ আলম

সাবেক ডিআইজি ফারুকের বরখাস্তের আদেশ বাতিল

চাঁদাবাজির মামলায় সাবেক বিএনপি নেতা কারাগারে

ডেঙ্গুতে আরও ৩ প্রাণহানি, হাসপাতালে ভর্তি ৫৩৪

বিশেষ অভিযানে ১ লাখ ৪১ হাজারের বেশি গ্রেপ্তার

আগারগাঁওয়ে শুরু হচ্ছে হজ-ওমরাহ মেলা

গ্যাস সংকট সমাধানে মালয়েশিয়ার সহায়তা চাইলেন তারেক রহমান