,

‘একঝাঁক দারুণ পেসার আছে বাংলাদেশের’

0f1259d1dd4d7c0aca8a4d7c2fcff35d-Untitled-1ক্রিকেট ইতিহাসে সেরা ফাস্ট বোলারের তালিকায় ওপরের দিকেই থাকবে ওয়াকার ইউনিসের নাম। ২০১০ সাল থেকে দুই দফায় পাকিস্তানের কোচের দায়িত্ব পালন করছেন। এবারও ঢাকায় এসেছেন পাকিস্তান দলের কোচ হিসেবে। কাল রাজধানীর একটি হোটেলে রানা আব্বাসকে জানালেন চলমান এশিয়া কাপ, ভারত-পাকিস্তান দ্বৈরথ ও আসন্ন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ নিয়ে—
* আগের এশিয়া কাপগুলো হয়েছে ওয়ানডে ফরম্যাটে। এই প্রথম এশিয়ার শ্রেষ্ঠত্ব নির্ধারণ হচ্ছে টি-টোয়েন্টি সংস্করণে। কতটা চ্যালেঞ্জিং মনে হচ্ছে এবারের টুর্নামেন্ট?
ওয়াকার ইউনিস: প্রতিটি টুর্নামেন্টই চ্যালেঞ্জিং। এশিয়া কাপ সব সময়ই দারুণ একটি টুর্নামেন্ট। ৫০ ওভারের খেলার বদলে টি-টোয়েন্টি ম্যাচ হলেও এশিয়া কাপ কিন্তু আগের মতোই প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ হবে। টি-টোয়েন্টি সংস্করণ বলে এশীয় দলগুলোর জন্য টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের জন্য ভালো প্রস্তুতির সুযোগ। আমাদের প্রস্তুতি দারুণ। ছেলেরা মাত্রই পাকিস্তান সুপার লিগ খেলেছে। তারা দারুণ ছন্দে রয়েছে। আশা করছি, এবার আমরা ভালো কিছু করতে পারব।
* পিএসএলে পাকিস্তান ক্রিকেটের উপকার কি হচ্ছে?
ওয়াকার: এবার প্রথমবারের মতো হলো। ফলে এখনই বলার সময় আসেনি যে, পিএসএল পাকিস্তান ক্রিকেটের অনেক উপকার করছে। এটা মাত্র শুরু হলো। তবে পুরো আয়োজনে আমি খুশি। পাকিস্তানের ক্রিকেটে এটা অবশ্যই অবদান রাখতে পারে। তরুণ ক্রিকেটারদের বড় টুর্নামেন্টে খেলার সুযোগ হয়েছে। আন্তর্জাতিক তারকাদের সঙ্গে একই ড্রেসিংরুম ভাগাভাগি করেছে। আমি মনে করি, পিএসএল খেলে তরুণ খেলোয়াড়েরা আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বড় দলগুলোর বিপক্ষে ও প্রচুর দর্শকের সামনে ম্যাচ খেলার অভ্যাস রপ্ত করবে। তাৎক্ষণিকভাবে বোঝা না গেলেও আশা করি পিএসএলের ইতিবাচক প্রভাবটা সামনে বোঝা যাবে।
* টি-টোয়েন্টিতে পাকিস্তান বরাবরই শক্তিশালী দল। টি-টোয়েন্টির শীর্ষ বেশ কয়েকজন ব্যাটসম্যান-বোলার পাকিস্তানের। কিন্তু ২০০৯ সালের পর এখন পর্যন্ত বড় কোনো শিরোপা জিততে পারেনি দলটি…
ওয়াকার: আমরা ভালো খেলিনি, তাই জিততে পারিনি (হাসি)। তবে এটা সত্যি, পাকিস্তান টি-টোয়েন্টিতে সব সময়ই ভালো দল। টি-টোয়েন্টির ব্যাপারটা এমন, টুর্নামেন্টের নির্দিষ্ট সময়ে ভালো ফর্মে থাকলে শিরোপা জিতে যেতে পারেন। ২০০৯-এ আমরা দারুণ ফর্মে ছিলাম। দেখুন, এই এশিয়া কাপটা আমাদের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। খেলোয়াড়েরা ভালো ছন্দে আছে। এর পর টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ। চেষ্টা করব এবার জিততে।
* তার মানে এবারের এশিয়া কাপটাকে বিশ্বকাপের প্রস্তুতি টুর্নামেন্ট হিসেবে নিচ্ছেন? প্রস্তুতি কেমন হবে বলে মনে করছেন?
ওয়াকার: বাংলাদেশের কন্ডিশন অনেকটা ভারতের মতোই। দুই দেশের আবহাওয়া-উইকেট প্রায় একই রকম। সুতরাং এখানে খেলে আমাদের প্রস্তুতি খুব ভালোই হবে আশা করি। বিশেষ করে সারজিল, খুররম মনজুরের মতো তরুণ খেলোয়াড়েরা আছে। এরা ভালো প্রস্তুতি নিতে পারবে। এদিকে মোহাম্মদ সামি ভালো বোলিং করেছে। দলটা ভালো হয়েছে। আর আফ্রিদি সম্ভবত তার ক্যারিয়ারের শেষ ম্যাচগুলো খেলতে যাচ্ছে। নিশ্চয়ই সে দারুণ কিছু করতে চাইবে।
* আমিরও তো এক অর্থে নতুন। তিনি বহুদিন পর আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ফিরেছেন। দুই দিন আগে বিরাট কোহলি তো তাঁর ভীষণ প্রশংসা করেছেন। আমিরকে নিয়ে বিশেষ পরিকল্পনা আছে?
ওয়াকার: আমির অসাধারণ প্রতিভাবান খেলোয়াড়। দুঃখজনক হলো, গত পাঁচটা বছর সে ক্রিকেটের বাইরে ছিল। সে এখন ভালো করার জন্য উন্মুখ। এই এশিয়া কাপ তো বটেই, বিশ্বকাপেও ভালো করতে চায়। আশা করি, সে দারুণ কিছু করবে। আমাদের একঝাঁক সম্ভাবনাময় খেলোয়াড় আছে যারা এই টুর্নামেন্ট ও বিশ্বকাপে ভালো করতে পারে।
* ভারতে অনুষ্ঠেয় টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে পাকিস্তানের অংশগ্রহণ নিয়ে নানা খবর শোনা যাচ্ছে। সর্বশেষ খবরটা জানাতে পারবেন?
ওয়াকার: না, আমার কাছে নতুন কোনো তথ্য নেই। শুধু এতটুকুই বলতে পারি, আমাদের সেখানে যেতে বললে যাব, খেলব।
* এবার বাংলাদেশ-প্রসঙ্গ। সাম্প্রতিক সময়ে সীমিত ওভারের ক্রিকেটে বাংলাদেশের বোলিং আক্রমণ স্পিননির্ভর থেকে পেসনির্ভর হয়ে উঠেছে। বাংলাদেশের পেস আক্রমণ নিয়ে আপনার মূল্যায়ন কী?
ওয়াকার: তাদের খেলা দেখার খুব একটা সুযোগ আমার হয়নি। বাংলাদেশের দারুণ একঝাঁক পেসার আছে। নিজেদের মাঠে তাদের ভালো কিছু করে দেখানোর সামর্থ্য আছে। নিজেদের কন্ডিশন-উইকেট তারা ভালো চেনে। সীমিত ওভারের ক্রিকেটে তারা দুর্দান্ত। কাল (পরশু) তাদের খেলা দেখেছি। শুরুর দিকে দারুণ ঝলক দেখিয়েছিল, দুর্ভাগ্য যে শেষটা ভালো করতে পারেনি। তবে প্রতিপক্ষ হিসেবে আমরা তাদের ব্যাপারে সতর্ক আছি। আমরা তাদের বিপক্ষে সেরাটা দেওয়ার চেষ্টা করব।
* বাংলাদেশ ওয়ানডেতে দারুণ খেললেও টি-টোয়েন্টিতে ভালো করতে পারছে না…
ওয়াকার: হ্যাঁ, তারা ওয়ানডেতে ভালো করছে। তবে টি-টোয়েন্টি কেন করতে পারছে না, সেটা বলতে পারব না।
* এশিয়া কাপের মতো টুর্নামেন্টে ভারত-পাকিস্তানের দ্বৈরথের প্রসঙ্গটা এসেই পড়ে। দুই দলের মহারণ নিয়ে আপনি কী ভাবছেন?
ওয়াকার: পাকিস্তান-ভারত সব সময়ই বড় ম্যাচ, সে যে টুর্নামেন্ট কিংবা যেখানেই হোক। অতীতে তাদের বিপক্ষে আমরা ভালো করেছি। কিন্তু প্রতিটি ম্যাচই নতুন। এবারও নতুনভাবে শুরু করতে হবে।
* আপনাদের সময়ে দুই দলের লড়াইয়ে জয়ের পাল্লাটা পাকিস্তানের দিকেই বেশি ঝুঁকে থাকত। যেমন—আপনি ২৬ ওয়ানডে খেলে জিতেছেন ১৭টিতেই। কিন্তু গত কয়েক বছরে জয়ের পাল্লাটা ভারতের দিকেই ভারী…
ওয়াকার: ভারত অনেক উন্নতি করেছে। আইপিএল তাদের ভালো করতে অনেক সহায়তা করেছে। এ কারণে পিএসএল আমাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। আশা করি, এখান থেকে ভালো কিছু খেলোয়াড় উঠে আসার সুযোগ তৈরি হবে। এবার আমরা চেষ্টা করব ভারতের বিপক্ষে জিততে।

এ জাতীয় আরও খবর

স্বনির্ভর দেশ গড়তে গ্রামীণ অর্থনীতিতে গুরুত্ব: পানিসম্পদমন্ত্রী

রংপুর জামায়াত দখল করেছে, অভিযোগ রাশেদ খাঁনের

ইরানে দুই হামলায় যুদ্ধাপরাধের অভিযোগ যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে

শনিবার জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হচ্ছে সাড়ে ১২ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস

নভেম্বরে প্রধানমন্ত্রীর দিল্লি সফর চূড়ান্ত করতে ফের আলোচনা: দ্য হিন্দু

তৃণমূলের নাম-প্রতীক নিয়ে মমতা-ঋতব্রতকে নতুন সিদ্ধান্ত কমিশনের

জামায়াতের ৭১-এর ভূমিকা নিয়ে রাজ্জাকের বক্তব্যের গুরুত্ব তুলে ধরলেন আইনমন্ত্রী

শেখ হাসিনা কালকেই আসুন, হাতকড়া দিয়ে রিসিভ করব: বিমানমন্ত্রী

নির্যাতনের অভিযোগে দাম্পত্যে ইতি, থানায় সমঝোতায় সংগীতশিল্পী কনটেন্ট ক্রিয়েটর ইউসুফ রায়হান ও মুন্নির বিবাহ বিচ্ছেদ

আজ প্রথম প্রেম মনে করার দিন

বিশ্ব বাঁশ দিবস আজ

মূল্যস্ফীতি কমার প্রভাব নেই বাজারে