বুধবার, ২৯শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ ১৪ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ঢাকা-চট্টগ্রামে তীব্র গ্যাস সংকট

gas-crisis-up-23029-400x2211হঠাৎ করেই রাজধানীতে বেড়েছে শীতের প্রকোপ। এরই সঙ্গে বেড়েছে তীব্র গ্যাস সংকট। শুধু রাজধানীতেই নয়, গ্যাস সংকট তীব্র আকার ধারণ করেছে বন্দর নগরী চট্টগ্রামেও। ফলে দুর্বিষহ অবস্থা বিরাজ করছে চট্টগ্রাম ও রাজধানীর মানুষের মধ্যে।

রাজধানীর বিভিন্ন এলাকাতে খোঁজ নিয়ে দেখা গেছে, মোহাম্মদপুর, আদাবর, ধানম-ি, মালিবাগ, মগবাজার, রায়েরবাজারসহ বেশ কিছু এলাকায় তীব্র গ্যাস সংকট দেখা দিয়েছে।

এলাকাবসীরা বলছেন, সকাল ৮টার পরে আর গ্যাস পাওয়া যায় না। কোন কোন সময় দুপুর গড়িয়ে বিকেল হলেও গ্যাসের দেখা মেলে না। তবে বিকাল ৪টার পর একটু একটু করে গ্যাস আসলেও তা দিয়ে রান্নার কাজ চলে না। বিকেলের পর গ্যাস আসলেও রাত ১০টার পর আবারো ধীরে ধীরে কমতে থাকে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, তীব্র শীতের কারণে লাইনের ভেতরে থাকা গ্যাস অতিরিক্ত ঠান্ডায় জমে যাচ্ছে। এর ফলে স্বাভাবিকভাবে গ্যাস সরবরাহ ব্যহত হচ্ছে। শীতের তীব্রতা কিছুটা কমলেই গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক হয়ে আসবে বলে জানান তারা। এদিকে, চট্টগ্রামে প্রায় সাড়ে পাঁচ লাখ গ্রাহক রয়েছে। চাঁদপুর বিদ্যুৎকেন্দ্র বন্ধ রেখে চট্টগ্রামে গ্যাস সরবরাহ বাড়ানো গেলে সাময়িক সংকট সমাধানে কিছুটা হলেও মুক্তি মিলতে পারে এমনটি মনে করছে কর্ণফুলী গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি।

চট্টগ্রামের গ্যাসের চাহিদা সাড়ে ৪০০ মিলিয়ন ঘনফুট। কুমিল্লার বাখরাবাদ থেকে ২৪ ইঞ্চি ব্যাসের পাইপ দিয়ে চাহিদার বিপরীতে চট্টগ্রামে গ্যাস সরবরাহ করা হচ্ছে মাত্র ১৮০ থেকে ২০০ মিলিয়ন ঘনফুট। অপ্রতুল গ্যাসের চাহিদা নিয়ে কোনোভাবে চলছে কাফকো সার কারখানা, রাউজান তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্রের একটি ইউনিট। এ ছাড়া ২০০ শিল্প-কারখানাসহ প্রায় পাঁচ লাখ ৪০ হাজার আবাসিক গ্রাহক। কয়েকদিন ধরে গ্যাসের সরবরাহ কমে আসায় চট্টগ্রামে গ্যাস সংকট তীব্র হয়েছে। এর ফলে সিএনজি স্টেশনগুলোতে সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত দীর্ঘ গাড়ির লাইন পড়ছে।
ছয় মাস আগেও একই সংকট তীব্র আকার ধারণ করেছিল চট্টগ্রামে। গ্যাসের অভাবে শিল্পপ্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি বর্তমানে আবাসিক গ্রাহকদেরও সংকট বেড়েছে অনেকগুণ। তাই গ্যাসের জন্য হাহাকার চলছে নগরজুড়ে।

দেশে গ্যাসের উৎপাদন দ্বিগুণ করা হলেও চট্টগ্রামের গ্রাহকদের জন্য চাহিদা অনুযায়ী কখনো গ্যাস সরবরাহ করা হয়নি।তাই এ সংকট ঘনীভূত হয়েছে সব ক্ষেত্রে এমন অভিযোগ গ্রাহক সমিতির। গ্রাহক কল্যাণ সমিতির সভাপতি নেছার আহমেদ বলেন, হাজার হাজার কোটি টাকার শিল্পকারখানা বন্ধ হওয়ার উপক্রম হয়েছে। ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়ে লোকসান গুনতে হচ্ছে শিল্পমালিকদের। তবে কর্ণফুলী গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানির জেনারেল ম্যানেজার ইঞ্জিনিয়ার সুধীর কুমার সাহা রায় জানান, চাঁদপুর বিদ্যুৎকেন্দ্র সাময়িক বন্ধ রাখা হলে গ্যাস সংকটের কিছুটা হলেও সমাধান সম্ভব। অন্যথায় তারাও অসহায়।

এ জাতীয় আরও খবর

কারিনার নতুন লুকে মুগ্ধ ভক্তরা, স্কার্ফ নিয়ে আলোচনা

যশোরে গ্রেপ্তার ডেভিড ইমনকে চট্টগ্রামে আনা হচ্ছে

চট্টগ্রামে বিএনপি-এনসিপি মুখোমুখি, বাড়ছে উত্তেজনা

নাহিদের দাবি মামলা করেই ফিরবেন

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানাতে প্রস্তুত ভারত

গুলশান থেকে গ্রেপ্তার লতিফ সিদ্দিকী

৪৫ বছর পর প্রকাশ্যে জিয়াউর রহমান হত্যাকাণ্ডের তদন্ত প্রতিবেদন

বাহুবলে এনসিপির গাড়িবহর আটকাল পুলিশ

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করল তাহসিন

ফ্যাসিবাদের পক্ষে থাকা শিক্ষকদের পাঠদানের অধিকার নেই: মাহফুজ আলম

সাবেক ডিআইজি ফারুকের বরখাস্তের আদেশ বাতিল

চাঁদাবাজির মামলায় সাবেক বিএনপি নেতা কারাগারে