,

রাজনীতিতে স্বস্তির হাওয়ায় বিশিষ্টজেদের প্রসংশা

un_97522_0নিউজ ডেস্ক : দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তিতে পাল্টাপাল্টি সমাবেশে পরস্পরের বিরুদ্ধে আক্রমণাত্মক বক্তব্যের মধ্যেও একটি বিষয়ে অভিন্ন বক্তব্য উঠে এসেছে। সহিংসতা-সংঘাত ত্যাগ করে শান্তির পথে ফিরে আসার আহ্বান জানিয়েছেন দুই সমাবেশের প্রধান বক্তা বেগম খালেদা জিয়া ও সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম।

কেবল সহনশীল বক্তব্য নয়, নানা শঙ্কার থাকলেও অশান্তি বা সহিংস কোনো ঘটনাই ঘটেনি এ দিন। পুলিশের প্রহরা থাকলেও কোথাও বিরোধী দলের কর্মীদের বাধা দেয়নি তারা। নেতা-কর্মীরাও পুলিশের নির্দেশনা মেনে সুশৃঙ্খলভাবে সমাবেশে গেছেন, ফিরেও এসেছেন তারা। সব মিলিয়ে এক বছর আগের একই দিনের পুরো বিপরীত চিত্র স্বস্তির সুবাতাস নিয়ে এসেছে রাজনৈতিক পরিমণ্ডলে।

এই অবস্থায় দুই প্রধান দলকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন শিক্ষাবিদ আনিসুজ্জামান। ঢাকাটাইমসকে তিনি বলেন, ‘গত কয়েকদিনের ঘটনাপ্রবাহ রাজনীতিতে ইতিবাচক পরিবর্তনের ইঙ্গিত হিসেবেই দেখতে চাই আমরা। সভ্যতার ভিত্তি হচ্ছে সহনসীলতা ও শ্রদ্ধা। এই ভিত্তিতেই আমাদেরকে এগিয়ে যেতে হবে। আর দুই দলের এই মনোভাব আমাদেরকে সাহায্য করবে’।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য এমাজউদ্দিন আহমেদও মনে করেন, দুই দল একে অপরকে খানিকটা ছাড় দিলে সারাদেশেই ইতিবাচক প্রভাব পড়বে। তিনি বলেন, ‘এটা নিঃসন্দেহে ভালো লক্ষণ। এটাই রাজনীতি। আর বাকি যা হয় তা অপরাজনীতি-রাজনীতিহীনতা’।

২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি বিএনপি এবং সমমনাদের বর্জনের মুখে নির্বাচন করে ক্ষমতায় আসে আওয়ামী লীগ। দিনটিকে ‘গণতন্ত্রের বিজয় দিবস’ আর বিএনপি ‘গণতন্ত্র হত্যা দিবস’ হিসেবে পালন করেছে। একই দিন রাজধানীতে তিনটি এলাকায় সমাবেশও করে দুই দল। এর মধ্যে নয়াপল্টনে দলীয় কার্যালয়ের সামনে বিএনপি এবং বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে দলীয় কার্যালয় ছাড়াও রাসেল স্কয়ারে সমাবেশ করে আওয়ামী লীগ।

বিএনপির সমাবেশে বক্তব্য রাখেন চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া। আর বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ের সমাবেশে মধ্যমণি ছিলেন সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম।

সমাবেশ দুটিতে দুই দলের নেতারা একে অপরের সমালোচনা করে নানা বক্তব্য রেখেছেন। তবে সবাইকে নিয়ে মিলেমিশে রাজনীতি করার কথাও বলেছেন।

খালেদা জিয়া বলেন, ‘আমরা চাই আলাপ আলোচনার মাধ্যমে সমস্যার সমাধান। গণতন্ত্রের জন্য একসঙ্গে কাজ করতে। আওয়ামী লীগের উচিত সবাইকে নিয়ে আলোচনা করে অবিলম্বে একটি অবাধ, সুষ্ঠু নির্বাচন করার জন্য সুষ্ঠু পরিবেশ সৃষ্টি করা’।…‘বাংলাদেশ একটি ছোট দেশ; আমরা সবাই মিলেমিশে থাকতে চাই। সবাই মিলেই দেশকে এগিয়ে নিতে চাই’।

সমাবেশের অনুমতি দেয়ার সরকারকে ধন্যবাদও জানান খালেদা জিয়া। বলেন, ‘অনেক দিন পর সামনে আসতে পেরে আমিসহ সবাই আনন্দিত ও উৎফুল্ল’। অন্যদিকে বিএনপিকে উদ্দেশ্য করে সৈয়দ আশরাফ, ‘আসুন দেশকে আমরা শান্তিপূর্ণভাবে এগিয়ে নিয়ে যাই। নির্বাচন হবে, সুষ্ঠু নির্বাচন হবে। সে নির্বাচনে একটি প্রাণও হত্যার প্রয়োজন হবে না। জননেত্রী (শেখ হাসিনা) সেই গণতন্ত্রে বিশ্বাস করেন। আমরা দেশকে এগিয়ে যাবো। আমরা দেশকে আরও শক্তিশালী করবো’।

এ জাতীয় আরও খবর

দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ কমবে, সহজ ও নিরাপদ যোগাযোগের নতুন দ্বার উন্মোচন হল নবীনগর-বাঞ্ছারামপুর সড়ক প্রশস্তকরণ কাজের উদ্বোধন

স্বনির্ভর দেশ গড়তে গ্রামীণ অর্থনীতিতে গুরুত্ব: পানিসম্পদমন্ত্রী

রংপুর জামায়াত দখল করেছে, অভিযোগ রাশেদ খাঁনের

ইরানে দুই হামলায় যুদ্ধাপরাধের অভিযোগ যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে

শনিবার জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হচ্ছে সাড়ে ১২ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস

নভেম্বরে প্রধানমন্ত্রীর দিল্লি সফর চূড়ান্ত করতে ফের আলোচনা: দ্য হিন্দু

তৃণমূলের নাম-প্রতীক নিয়ে মমতা-ঋতব্রতকে নতুন সিদ্ধান্ত কমিশনের

জামায়াতের ৭১-এর ভূমিকা নিয়ে রাজ্জাকের বক্তব্যের গুরুত্ব তুলে ধরলেন আইনমন্ত্রী

শেখ হাসিনা কালকেই আসুন, হাতকড়া দিয়ে রিসিভ করব: বিমানমন্ত্রী

নির্যাতনের অভিযোগে দাম্পত্যে ইতি, থানায় সমঝোতায় সংগীতশিল্পী কনটেন্ট ক্রিয়েটর ইউসুফ রায়হান ও মুন্নির বিবাহ বিচ্ছেদ

আজ প্রথম প্রেম মনে করার দিন

বিশ্ব বাঁশ দিবস আজ