শুক্রবার, ২৪শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ ৯ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

অমুসলিম মনীষীদের চোখে মহানবী সা.

news-image

মহানবী হযরত মুহাম্মদ সা. সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ আর্দশ ব্যক্তি হিসাবে সর্বস্বীকৃত। তিনি জগতবাসীর জন্য রহমতস্বরূপ প্রেরিত হয়েছেন। মানুষকে অন্ধকার থেকে আলোর পথ দেখিয়েছেন। মানবজাতিকে শিক্ষা দিয়েছেন উত্তম আদর্শ। আদর্শের উপমা রেখে গেছেন বিশ্ববাসীর জন্য। তাঁর আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়েছেন অমুসলিমরা পর্যন্ত। অমুসলিম মনীষীদের চোখেও তিনি সর্বকালের তারকা হিসাবে খ্যাত।
প্রখ্যাত ইউরোপীয় খ্রিস্টান লেখক
Mr. R.V.C. bodley তার The Messenger and the life of Muhammad গ্রন্থের ভূমিকায় লিখেছেন, ‘আমার কাছে বড়ই অবাক লাগে, যৌক্তিক কোনো কারণ ব্যতীত ইসলাম ধর্মের প্রবর্তক মুহাম্মদ সা. এর প্রতি যেসব জঘন্য মন্তব্য করা হয় তা অন্য কোনো ধর্মপ্রবর্তকের তুলনায় অনেক বেশি। যেখানে আমরা মুসা, কনফুসিয়াস, গৌতম বুদ্ধের সমকালীন কোনো গ্রন্থ পাই না কিংবা যিশুর জীবন সম্পর্কে যৎসামান্যই জানতে পারি, সে তুলনায় মুহাম্মদের চরিত্র ও জীবনাদর্শ আমাদের কাছে স্পষ্টতর। বিকৃত মস্তিষ্কের উদ্ভট মন্তব্য কিংবা রহস্যময়তার নিগূঢ় ধূ¤্রজালের পরিবর্তে সেখানে আমরা পাই নিরেট ইতিহাস।’
ঐতিহাসিক গবেষক ঝঃধরহষবু খধহবঢ়ড়ড়ষব লিখেন, ‘ইতিহাসে মুহাম্মদ (সা.) কে ঠিক তেমনই দেখানো হয়েছে, বাস্তবে তিনি যেমন ছিলেন। তাঁর মহোত্তম চরিত্র মাধুর্য, বন্ধুত্বের সুদৃঢ় বাঁধন, ধৈর্য, বিপুল উৎসাহ ও উদ্দীপনা- এসব গুণ তাকে এমন হিরো বানিয়ে দিয়েছে যে, তাঁর আনুগত্যের বাইরে যাওয়া ছিল অসম্ভব। অসম্ভব ছিল তাকে ভালো না বাসা।’
প্রখ্যাত লেখক
Gustab Well তার ‘Muhammad prophet’ বইয়ে লেখেন, ‘মুহাম্মদ (সা.) তাঁর জাতির কাছে একটি উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত উপস্থাপন করেছিলেন। তাঁর চরিত্র মাধুরী ছিল নির্মল, নিষ্কলুষ। তাঁর বাড়িঘর, পোশাক-পরিচ্ছদ, খাবার-দাবার সবকিছুর মাঝেই সতত বিরাজমান ছিল এক অপার্থিব সরলতা। তাঁর চরিত্রে এতটাই বিনয় আর ন¤্রতার সমাবেশ ঘটেছিল যে, তিনি নিজ সাথীদের কাছ থেকে শ্রদ্ধা ও সম্মানের বিশেষ কোনো পন্থা নির্ধারণ করেননি।’
Thomas Carlyle  তার বিখ্যাত Heroes and Heroworshipএর ৪৯ পৃষ্ঠায় লেখেন, “মুহাম্মদ সা. অতি ছোটবেলা থেকেই একজন বিচক্ষণ ও ধীমান মানুষ হিসেবে পরিচিত ছিলেন। তাঁর সাথীরা তাকে ‘আল আমিন’ বলে ডাকত। সত্য আর সততায় তিনি ছিলেন এক প্রবাদ পুরুষ। তিনি কাজকর্মে ছিলেন সত্য। কথাবার্তা আর চালচলনেও ছিলেন সত্য। গোটা জীবনেই তাঁকে আমরা একজন খাঁটি ও সরলমনের মানুষ হিসেবে দেখতে পাই। অতিশয় নির্মল চরিত্র, ব্যবহারে অমায়িক, সুহৃদ ও সৌহার্দপূর্ণ দেখতে পাই।’
প্রখ্যাত আমেরিকান লেখক
Washington Irving তার Muhammad গ্রন্থের ২০ পৃষ্ঠায় ঐতিহাসিক আবুল ফিদার সূত্রে লেখেন, ‘একজন পরিপূর্ণ সৎ ও পুণ্যবান মানুষ হতে যতগুলো গুণের প্রয়োজন মহান প্রভু তাঁকে সবকটি গুণে গুণান্বিত করেছেন। তিনি বিশুদ্ধ ও নির্মল প্রকৃতির ছিলেন বলেই সবার কাছে ‘আল আমিন’ নামে পরিচিতি লাভ করেন। প্রচ- আত্মবিশ্বাস আর ন¤্রতা তাঁকে বরাবরই বিবাদ-বিসম্বাদের বিচারিক পদে শ্রেষ্ঠত্বের আসনে অধিষ্ঠিত করেছিল।”
ব্রিটেনের বিখ্যাত নাট্যকার ও দার্শনিক
George Bernard Shaw  (১৮৫৬-১৯৫০) বলেছেন, ‘আমার বিশ্বাস, যদি মুহাম্মদের মতো কোনো মানুষ বর্তমান হতাশাচ্ছন্ন পৃথিবীর নেতৃত্বের বাগডোর আপন হাতে তুলে নেন তাহলে পৃথিবীর সব সমস্যার সমাধান করা সম্ভব এবং পৃথিবীতে কাক্সিক্ষত সুখ-শান্তি ফিরে আসবে।’

এ জাতীয় আরও খবর

গ্যাস সংকটে সিএনজি ফিলিং স্টেশনে দীর্ঘ লাইন, বিপাকে চালকরা

দুই দফা বাড়ার পর স্বর্ণের দামে বড় পতন

রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন আজ পদত্যাগ করছেন

আলুর নাগেট তৈরির রেসিপি জেনে নিন

ভালোবাসা পেলাম, এবার তার যোগ্য হওয়ার পালা : ফারিয়া

অবশেষে অনশন ভাঙলেন সোনাম ওয়াংচুক

ফ্ল্যাট থেকে গৃহকর্মীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

মাংস, ডিম ও ব্রয়লারের দাম স্থিতিশীল থাকলেও বেড়েছে মাছের দাম

নয়াদিল্লিতে বিক্ষোভ : শিক্ষা সচিবকে অপসারণ করল ভারত

বাংলাদেশসহ ৬০ দেশের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নতুন শুল্ক আরোপ

বাগেরহাটে খানজাহান আলী মিশনের উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন

নারীদের আত্মনির্ভরশীল করতে সমবায় সমিতির উদ্যোগ