,

আশাবাদী হতে বললেন বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী

news-image

নিজস্ব প্রতিবেদক : চলতি মাস থেকে লোডশেডিং কমে আসবে জানিয়ে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বলেছেন, ‘আমাদের আশাবাদী হতে হবে। পরিস্থিতি এখনো নিয়ন্ত্রণের বাইরে না, পরিস্থিতি আমাদের নিয়ন্ত্রণে আছে।’

বৃহস্পতিবার (৩ নভেম্বর) দুপুরে সচিবালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘আমরা বিদ্যুৎ-গ্যাসে সাশ্রয় করছি, সবারই কিন্তু কষ্ট হচ্ছে, এটা আমরা অস্বীকার করছি না। আমাদের বুঝতে হবে, প্রতিটি দেশ সন্দিহান যে, কী হবে। আমাদের দেশ তো বাইরে না!’

তিনি আরও বলেন, ‘লোডশেডিং কমে এসেছে। আমরা চেষ্টা করেছি, শিল্প কারখানায় শতভাগ বিদ্যুৎ দিয়ে আবাসিকে কিছুটা লোডশেডিং দিতে পারি কি না। আমরা এখন বেরিয়ে আসছি। এ মাস থেকে কমা শুরু হবে। আমাদের মাথায় আছে আমরা মার্চ থেকে কী করবো। সেই পরিকল্পনা করছি। আমি মনে করি না, আগামী ডিসেম্বর, জানুয়ারি, ফেব্রুয়ারি কোনো সমস্যা হবে। আমরা আস্তে আস্তে ভালো অবস্থানে যাব। আমি বলছি না, সম্পূর্ণ ভালো অবস্থানে যাব-ভালো অবস্থানে যাব। আগের থেকে ভালো অবস্থা হবে বিদ্যুতের ক্ষেত্রে।’

নসরুল হামিদ বলেন, ‘অফ গ্রিডে গ্যাস আনতে আমাদের পরিকল্পনা দুটি; স্বল্প পরিসরে সিএনজি করে নিয়ে আসতে পারি কি না এবং বৃহৎ পরিসরে গ্যাস পাইপ নির্মাণ করতে আমাদের ২-৩ বছর সময় লাগবে। সেটা আমরা বরিশাল হয়ে খুলনা ও পটুয়াখালীতে নিয়ে যাব। আমরা এগুচ্ছি সেভাবে। বিদ্যুতের ক্ষেত্রে আমরা শতভাগ কানেক্টিভিটি করে ফেলেছি বহু আগেই। আমাদের যখন পরিস্থিতি ভালো ছিল আমরা বিদ্যুৎ দিচ্ছিলাম। শতভাগ বিদ্যুৎ দেওয়ার পরও আমাদের লোডশেডিং ছিল না। লোডশেডিং শুরু হয়েছে এ বছরের ফেব্রুয়ারি মাস থেকে।’

‘আগেও বলেছি আমাদের ডিমান্ড জ্বালানি। জ্বালানি ছাড়া তো বিদ্যুৎ উৎপাদন করা যায় না। নিজস্ব গ্যাস এবং চাহিদার বিপরীতে যে ঘাটতি ছিল সেটা বাইরে থেকে আমদানি করতাম। জ্বালানি হিসেবে আমরা কয়লা-তেল ব্যবহার করি। তেলের মধ্যে হেভি ফুয়েল ও ডিজেল ব্যবহার করি। এই জ্বালানির দাম যদি কম-বেশি হয় স্বাভাবিকভাবে বিদ্যুতের দামের কম-বেশি হবে। দামের এই পার্থক্য যদি বড় আকার ধারণ করে তাহলে বিদ্যুতের দামেরও বড় পার্থক্য হবে। আমি যদি দাম সমন্বয় করতাম, যেটা উন্নত দেশগুলো করেছে…আমরা সেদিকে যাইনি। আমরা শুধু জ্বালানি সমন্বয়ে গেছি’, বলেন তিনি।

বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, ‘আমরা যেহেতু (দাম সমন্বয়) যাইনি, আমাদের বিকল্প ছিল হয় আমরা সেই জ্বালানি আনবো না, অগ্রাধিকারভিত্তিতে শিল্প কারখানায় দেবো আর কিছু গ্যাস দিয়ে আমরা বিদ্যুৎ উৎপাদন করবো। যেখানে আমরা ১১ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ গ্যাস দিয়ে বানাতাম, এখন ৫ হাজার বানাচ্ছি। আমরা কমিয়ে এনেছি, যার কারণে লোডশেডিং। আমরা বলছি আপনারা সাশ্রয়ী হোন; ১০টি বাতি জ্বালাতেন, ৫টি জ্বালান। অনেক দেশে রেশনিং করে দিয়েছে তেলের।’

 

এ জাতীয় আরও খবর

বিদায়ি বক্তব্যে কাঁদলেন মির্জা ফখরুল

গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে ১৪ কার্গো এলএনজি কিনবে সরকার

১২ জেলায় ঝড়ো হাওয়ার সতর্কতা

ময়মনসিংহে এনসিসি ব্যাংকের স্টুডেন্ট ব্যাংকিং ক্যাম্পেইন ও বৃক্ষবিতরণ অনুষ্ঠিত

বিএসইসির ১৭ কর্মকর্তা বাধ্যতামূলক অবসরে

অস্ট্রেলিয়ায় বাংলাদেশকে ঘিরে বাড়ছে আগ্রহ

প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে একনেকের সভা

জিয়া-খালেদার সমাধিতে বিএনপির নতুন ৪ নেতার শ্রদ্ধা

সমাজের সবাই এগিয়ে এলে বড় সমস্যার সমাধান সম্ভব: প্রধানমন্ত্রী

ইসলামি ব্যাংকগুলোর আমানতে বড় পতন

রাষ্ট্রপতি হলেও জনগণের পাশে থেকে সেবা করতে চাই: মির্জা ফখরুল

গর্ভাবস্থার প্রথম তিন মাসে যা করবেন, যা করবেন না