,

টেকনাফে চিকিৎসকের অবহেলায় রোগীর মৃত্যুর অভিযোগ

news-image

টেকনাফ (কক্সবাজার) প্রতিনিধি : কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসকের অবহেলায় ফিরোজ আহমেদ নামে এক রোগীর মৃত্যুর অভিযোগ ওঠেছে। এ ঘটনায় প্রতিবাদের ঝড় ওঠেছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। আজ শুক্রবার সকাল ৮টায় টেকনাফ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পুরুষ ওয়ার্ডে মৃত্যুর ঘটনা ঘটে। নিহত ফিরোজ টেকনাফ পৌরসভার খায়ুকখালী পাড়ার মুহাম্মদ আলীর ছেলে।

জানা গেছে, গতকাল সকাল ১১টার দিকে পেট ব্যথার কারণে ফিরোজকে টেকনাফ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন তার বাবা। তাকে ভর্তির পর ঠিকমতো চিকিৎসা না পাওয়ায় মৃত্যু হয়েছে বলে অভিযোগ।

নিহতের স্বজনদের দাবি, চিকিৎসকের অবহেলায় তার মৃত্যু হয়েছে। চিকিৎসকদের দায়সারা মনোভাবের কারণে রোগীর এই করুণ মৃত্য। রোগীর স্বজনরা ওই সময় কর্মরত দুই চিকিৎসকের শাস্তির দাবি জানান। অভিযুক্ত চিকিৎসকরা হলেন ডা. সিনসিয়া ও শোভন দাস। মূলত তাদের অবহেলা ও দায়সারা চিকিৎসার কারণেই ফিরোজের মৃত্যু হয়েছে বলে জানান নিহতের বাবা মোহাম্মদ আলী।

রোগীর স্বজনরা আরও জানান, রোগীর অবস্থা অবনতি হলে কর্মরত চিকিৎসকরা রেফার করতে পারত, তা কিন্তু করেনি। নিজেরাও সঠিক চিকিৎসা দেননি, যার ফলে রোগীর মৃত্যু হয়।

নিহত ফিরোজের বাবা মোহাম্মদ আলী বলেন, ডা. সিনসিয়া আজ ডিউটিতে ছিল। প্রথমে তার অবহেলা দেখা গেছে। আজ সকালে ডা. শোভন দাস একটু দেখাও করে নাই রোগীর সঙ্গে। ডাক্তার কবে আসবেন জানতে চাইলে নার্স ধমকের সুরে বলেন, স্যার বিশ্রামে আছেন, পরে আসবেন।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে টেকনাফ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্তব্যরত ডা. শোভন দাস বলেন, মারা যাওয়া রোগীর অবস্থা ভালো ছিল। কিন্তু তার জন্য একটা ওষুধ পাওয়া যায়নি। রোগী মারা যাওয়ার আগে আমি বিশ্রামে ছিলাম। তখন কে ডিউটিতে ছিল জানতে চাইলে বলেন, ‘হ্যাঁ, আমি কর্তব্যরত অবস্থায় ছিলাম, তবে ক্লান্তির কারণে একটু বিশ্রামে গিয়েছিলাম।’ ডাক্তার সিনসিয়া ছিদ্দিককে বার বার মুঠোফোনে কল করা হলে ফোন রিসিভ না করায় বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

টেকনাফ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. টিটু চন্দ্র শীল ডাক্তারদের অবহেলার কথা স্বীকার করে বলেন, গতকাল সকালে পেট ব্যথার কারণে ফিরোজকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তখন তার রিপোর্ট ভালো ছিল। রোগীর অবস্থা অবনতি হলে কর্মরত চিকিৎসক কেন রেফার করেনি, তা বোধগম্য নয়। তবে পুরো হাসপাতাল তার একার পক্ষে সামাল দেওয়া সম্ভব নয় বলেও জানান তিনি।

টেকনাফ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাফিজুর রহমান বলেন, ‘আমি শুনেছি পেটে ব্যথার কারণে স্বজনরা টেকনাফ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। নিহতের স্বজনদের অভিযোগ, সঠিক চিকিৎসা না পাওয়ায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। তবে এ ঘটনায় নিহতের পরিবার কোনো লিখিত অভিযোগ দেয়নি। অভিযোগ পেলে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

 

এ জাতীয় আরও খবর

নবীনগরে পুকুরে ডুবে জমজ দুই ভাইয়ের মর্মান্তিক মৃত্যু

বাচসাস নির্বাচন ২০ নভেম্বর

তেহরানের সঙ্গে শান্তিচুক্তি করা অত্যন্ত কঠিন: যুক্তরাষ্ট্র

জুলাই সনদ বাস্তবায়ন নিয়ে সরকার-বিরোধী দলের দ্বন্দ্ব তীব্র

ধর্ম আলাদা, পরিচয় এক—আমরা বাংলাদেশি: প্রধানমন্ত্রী

২৮১১ কোটি টাকা ব্যয়ের পর বাতিল হচ্ছে গাজীপুর বিআরটি প্রকল্প

শাহজালালে বসছে অ্যান্টি-ড্রোন সিস্টেম, বাড়বে নিরাপত্তা

রোনালদোর পেনাল্টি মিস, ফেলিক্সের গোলে রক্ষা

যুব উন্নয়নের প্রশ্নফাঁস: বিএআরসির সহকারী পরিচালক গ্রেপ্তার

বার্সেলোনাকে ৪-২ গোলে হারিয়ে পিএসজির দাপুটে জয়

মোদির বাসভবনের কাছে মসজিদ উচ্ছেদের নোটিশ!

টঙ্গীতে গ্যাস বিস্ফোরণে একই পরিবারের ৩ জন দগ্ধ