,

বাঁশখালীর বনাঞ্চলে ৮ বছরে ১৯ হাতির মৃত্যু

news-image

চট্টগ্রাম প্রতিনিধি : চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে থামছে না হাতি হত্যা। বিশেষ করে পাহাড়ি এলাকাগুলোতে হাতি মেরে মাটিচাপা দেয়ার ঘটনা ঘটছে। গত আট বছরে উপজেলার বনাঞ্চলে মারা গেছে ১৯টি হাতি। মূলত খাদ্য সংকট ও পাহাড় উজাড়ের কারণে লোকালয়ে নেমে আসে হাতির পাল। আর লোকালয়ে এসেই মানুষের হাতে প্রাণ হারাচ্ছে এসব বন্যপ্রাণী।

সর্বশেষ বাঁশখালীর পুঁইছড়ি ইউনিয়নের বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য জঙ্গল পুঁইছড়ি পাহাড়ে একটি হাতি মেরে মাটিতে পুঁতে রাখা হয়। বনবিভাগ জানতে পারে ১১ দিন পর। এ ঘটনায় বাঁশখালী থানায় গতকাল সোমবার (২৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে জিডি করা হয়েছে। যদিও ঘটনায় জড়িতরা গা-ঢাকা দিয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

বন বিভাগের দেয়া তথ্যমতে, ২০১৪ সাল থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত গত ৮ বছরে বাঁশখালীর বনাঞ্চলে মারা গেছে ১৯টি হাতি। গত ৮ বছরে কালীপুর রেঞ্জে মারা গেছে ১২টি বন্যহাতি। জলদী ও পুঁইছড়ি রেঞ্জে ৭টি। অসুস্থ হয়ে পড়া ৩টি হাতিকে সুস্থ করে বনাঞ্চলে ছেড়ে দেয়া হয়েছে।

সর্বশেষ গত ১১ জুন কালীপুর ইউনিয়নের জঙ্গল কালীপুরে গভীর জঙ্গলে বৈদ্যুতিক শক দিয়ে মারা হয়েছে একটি হাতি। এর আগেও জঙ্গল কালীপুরে মৃত হাতির শাবক পাওয়া গেছে।

এর ৪ মাস আগে গত বছরের ৩০ নভেম্বর বাঁশখালী সাধনপুর ইউনিয়নে লটমনি পাহাড়ে ১টি হাতিকে হত্যা করে মাটিচাপা দেয় দুষ্কৃতিকারীরা এবং ১২ নভেম্বর বাঁশখালীর চাম্বল বনবিট অফিসের অদূরে আরও ১টি হাতি মৃত অবস্থায় উদ্ধার হয়েছিল।

সোমবার (২৬ সেপ্টেম্বর) দুপুর ২টা থেকে ৪টা পর্যন্ত পুঁইছড়ি ইউনিয়নের জঙ্গল পুঁইছড়ি বান্দরমরা পাহাড় ও জমি ঘুরে দেখা গেছে, ১৭ দিন আগে হাতিটি মেরে যেখানে দুষ্কৃতিকারীরা মেরে মাটিচাপা দিয়েছিল সেখানেই ময়নাতদন্ত শেষে বনবিভাগ ও উপজেলা প্রাণীসম্পদ কর্মকর্তারা আবারও হাতিটি মাটিচাপা দেয়।

বাঁশখালী উপজেলা প্রাণীসম্পদ সম্প্রসারণ কর্মকর্তা তানভীর হোসেন বলেন, ময়নাতদন্তের সময় হাতিটির পঁচা গন্ধ ছড়িয়েছিল। ধারণা করা হচ্ছে, ময়নাতদন্তের দিনের অন্তত ১১ থেকে ১২ দিন আগে হাতিটি মারা গিয়েছিল। প্রাথমিক ধারণা, কেউ মেরে হাতিটিকে মাটিতে পুঁতে দিয়েছিল। ময়নাতদন্ত প্রতিবেদনের পর বোঝা যাবে হাতিটি কীভাবে মরেছে।

পুঁইছড়ি বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য রেঞ্জ কর্মকর্তা আনিছুজ্জামান শেখ বলেন, হাতি মৃত্যুর ঘটনাটি গুরুত্ব সহকারে তদন্ত করা হচ্ছে। হাতিটিকে যদি কেউ হত্যা করে থাকে, তাহলে কাউকে রেহাই দেয়া হবে না।

 

এ জাতীয় আরও খবর

বিদায়ি বক্তব্যে কাঁদলেন মির্জা ফখরুল

গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে ১৪ কার্গো এলএনজি কিনবে সরকার

১২ জেলায় ঝড়ো হাওয়ার সতর্কতা

ময়মনসিংহে এনসিসি ব্যাংকের স্টুডেন্ট ব্যাংকিং ক্যাম্পেইন ও বৃক্ষবিতরণ অনুষ্ঠিত

বিএসইসির ১৭ কর্মকর্তা বাধ্যতামূলক অবসরে

অস্ট্রেলিয়ায় বাংলাদেশকে ঘিরে বাড়ছে আগ্রহ

প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে একনেকের সভা

জিয়া-খালেদার সমাধিতে বিএনপির নতুন ৪ নেতার শ্রদ্ধা

সমাজের সবাই এগিয়ে এলে বড় সমস্যার সমাধান সম্ভব: প্রধানমন্ত্রী

ইসলামি ব্যাংকগুলোর আমানতে বড় পতন

রাষ্ট্রপতি হলেও জনগণের পাশে থেকে সেবা করতে চাই: মির্জা ফখরুল

গর্ভাবস্থার প্রথম তিন মাসে যা করবেন, যা করবেন না