,

আইনের তোয়াক্কা করছে না পাকিস্তানি গোয়েন্দারা

news-image

অনলাইন ডেস্ক : পাকিস্তানে চলতি বছরের জুলাই মাসে ৮ হাজার ৬৯৬টি নিখোঁজের ঘটনা ঘটেছে। এর মধ্যে ৬ হাজার ৫১৩টি ঘটনার সমাধান করা হয়েছে। বাকি ২ হাজার ২১৯টি ঘটনার তদন্ত চলছে। ২০১১ সালে গঠিত কমিশন অব ইনকোয়ারি অ্যান্ড এনফোর্সড ডিসএপিয়ারেন্স নামে একটি সংস্থার বরাত দিয়ে আজ মঙ্গলবার জার্মান সংবাদমাধ্যম ডয়চে ভেলে এ তথ্য জানিয়েছে।

ডয়চে ভেলের প্রতিবেদনে বলা হয়, বিরোধী মতের মানুষকে গুম করে ফেলার বিষয়টি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই বিতর্ক চলছে পাকিস্তানে। দেশটির জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান সন্দেহের আঙুল তুলছেন পাকিস্তানের গোয়েন্দা সংস্থার দিকে। ২০০০ সালে সেনাপ্রধান জেনারেল পারভেজ মোশাররফ ক্ষমতায় আসার পর নিখোঁজ হওয়া মানুষের তালিকা বড় হতে থাকে। যদিও নিখোঁজ হওয়া মানুষের মধ্যে বেশিরভাগই বেলুচ ও পশতুন জাতিগোষ্ঠীর।

ইসলামাবাদে কর্মরত সাংবাদিক গওহর মেহসুদ জানান, পাকিস্তানে নিখোঁজ হওয়া ব্যক্তিদের বিষয়ে দেওয়া সরকারের যে তথ্য তার তুলনায় প্রকৃত সংখ্যা আরো অনেক বেশি। বেলুচিস্তান, খাইবারপাখতুন এবং সিন্ধ প্রদেশের মানুষেরা নিখোঁজের বিষয়ে সবসময় কমিশনকে তথ্য দিতে পারেন না।

ভয়েস অব বেলুচ ফর মিসিং পার্সনস নামের এক সংগঠনের দাবি, বেলুচিস্তানের নিখোঁজ হওয়া ব্যক্তির সংখ্যা সাড়ে ছয় হাজার। আর পশতুন প্রদেশের একটি সংগঠন পশতুন তাগাফুজ মুভমেন্ট (পিটিএম) জানিয়েছে, দেশটিতে এখন পর্যন্ত পাঁচ হাজার পশতুন নিখোঁজ রয়েছেন।

এ বিষয়ে পিটিএম-এর প্রধান মনজুর আহমেদ বলেন, ‘নিখোঁজ হওয়া ব্যক্তির পরিবারের সদস্যরা কার কাছে, কীভাবে অভিযোগ করতে হবে তা জানে না। এ ছাড়া গোয়েন্দা দপ্তরের লোকেরা আমাকেসহ এবং পিটিএম-এর সদস্যদের এ সব তথ্য সংগ্রহ করতে বাধা দিচ্ছে।’

যদিও ২০১৯ সালে বেলুচিস্তান সরকার এবং ভয়েস অব বেলুচ ফর মিসিং পার্সন নামের সংগঠনটি একটি চুক্তি সই করে। চুক্তি অনুযায়ী, বেসরকারি সংস্থাগুলো নিখোঁজ হওয়া ব্যক্তিদের বিষয়ে তথ্য সংগ্রহ করতে পারবে। এরপর থেকে সংগঠনটি সরকারকে নানা তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করছে।

ভয়েস অব বেলুচ ফর মিসিং পার্সনসের চেয়ারম্যান নসরুল্লাহ বালোচ বলেন, ‘সম্প্রতি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে বেলুচ ছাত্রছাত্রীদের ওপর সরকার নির্যাতন চালাচ্ছে। কয়েক মাস আগে করাচি বিশ্ববিদ্যালয়ে এক বেলুচ নারী আত্মঘাতী হামলা করলে সারাদেশে বেলুচ জাতিগোষ্ঠীর শিক্ষার্থীদের ওপর নির্যাতন শুরু হয়। এরপর থেকে দেশজুড়ে প্রায় তিনশ বেলুচ শিক্ষার্থীকে গুম করা হয়েছে।’

যদিও পাকিস্তানের মানবাধিকার কমিশনের সাবেক চেয়্যারম্যান ও দেশটির সাবেক সিনেটর আফরাসিয়াব খাত্তাক জানান, তিনি দায়িত্বে থাকা অবস্থায় গুম হয়ে যাওয়ার সব ঘটনার তদন্তে একটি কমিটি গঠন করেছেন। কমিটির তদন্তে দেখা গেছে, পাকিস্তানের গোয়েন্দা দপ্তর এ সব গুমের ঘটনার সঙ্গে জড়িত।

তিনি বলেন, ‘গোয়েন্দাদের আইনের আওতায় আনতে আমি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ে একটি আইন প্রণয়ন করার কথা বলেছিলাম। বারবার বলার পরও তারা আমার অনুরোধে সাড়া দেয়নি। গোয়েন্দা দপ্তরের সদস্যরা কোনো ধরনের আইনি প্রক্রিয়া মেনে চলতে চায় না।’

 

এ জাতীয় আরও খবর

বিদায়ি বক্তব্যে কাঁদলেন মির্জা ফখরুল

গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে ১৪ কার্গো এলএনজি কিনবে সরকার

১২ জেলায় ঝড়ো হাওয়ার সতর্কতা

ময়মনসিংহে এনসিসি ব্যাংকের স্টুডেন্ট ব্যাংকিং ক্যাম্পেইন ও বৃক্ষবিতরণ অনুষ্ঠিত

বিএসইসির ১৭ কর্মকর্তা বাধ্যতামূলক অবসরে

অস্ট্রেলিয়ায় বাংলাদেশকে ঘিরে বাড়ছে আগ্রহ

প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে একনেকের সভা

জিয়া-খালেদার সমাধিতে বিএনপির নতুন ৪ নেতার শ্রদ্ধা

সমাজের সবাই এগিয়ে এলে বড় সমস্যার সমাধান সম্ভব: প্রধানমন্ত্রী

ইসলামি ব্যাংকগুলোর আমানতে বড় পতন

রাষ্ট্রপতি হলেও জনগণের পাশে থেকে সেবা করতে চাই: মির্জা ফখরুল

গর্ভাবস্থার প্রথম তিন মাসে যা করবেন, যা করবেন না