বৃহস্পতিবার, ২৩শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ ৮ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সর্প-দংশন : যা করবেন, যা করবেন না

news-image

লে. কর্নেল ডা. নাসির উদ্দিন আহমদ
প্রতিবছর সর্প-দংশনে বিশ্বে লাখো মানুষের অকাল মৃত্যু হয়ে থাকে। বাংলাদেশে এ মৃত্যু বছরে প্রায় ছয় হাজার। বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধি, বন-জঙ্গল কমে যাওয়া, বন্যা-জলোচ্ছ্বাসসহ নানা প্রাকৃতিক দুর্যোগ, কৃষি ও মৎস্য চাষে নতুন ক্ষেত্র তৈরির কারণে সর্প-দংশন ক্রমে বাড়ছেই। চিকিৎসা নিয়ে রয়েছে নানা ভ্রান্ত ধারণা। তাই বৈজ্ঞানিক চিকিৎসা সম্পর্কে জানা ও সবার এ সম্পর্কে সচেতন থাকা জরুরি।

বিষক্রিয়া : গবেষণায় দেখা গেছে, ৯০ শতাংশ সাপই বিষহীন। নির্বিষ সাপের কামড়ে কিছু হয় না। বিষাক্ত সাপের কামড়ও অনেক সময় বিষহীন হতে পারে। ৩০ শতাংশ ক্ষেত্রে, এমনকি গোখরা সাপের কামড় বিষহীন হতে পারে। চন্দ্রবোড়া সাপের ক্ষেত্রে এটি হতে পারে ৫০ শতাংশ। কামড় দেওয়ার সময় বিষথলি থেকে বিষ নাও আসতে পারে। এর নাম ড্রাই বাইট (শুকনো দংশন)। তবে সর্প-দংশনের পর দ্রুত রোগীকে হাসপাতালে নিয়ে পর্যবেক্ষণে রাখতে হবে। সাপের বিষক্রিয়ার অনেকগুলো উপসর্গ রয়েছে। বিষ শরীরে প্রবেশ করলে উপসর্গ দেখা দেবে। এসব উপসর্গ দেখা দিলে বিজ্ঞানসম্মত চিকিৎসা করতে হবে।

দংশিত স্থানের উপসর্গ : তীব্র ব্যথা, জ্বালা-যন্ত্রণার পাশাপাশি আক্রান্ত অঙ্গ ফুলে যেতে পারে। বমি ভাব, বমি, পেটে ব্যথা, এমনকি বিষক্রিয়ায় ডায়রিয়া হতে পারে। কখনো দ্রুত ফোস্কা পড়ে। ফুলে যাওয়ায় রক্ত চলাচল আটকে অঙ্গে পচন শুরু হতে পারে। এমন হলে জীবনরক্ষার্থে পা কেটে ফেলতে হয়। এ ছাড়া কখনো রক্ত তরল হয়ে যাওয়ায় কাটা জায়গা থেকে রক্তক্ষরণ হতে পারে।

 

এ জাতীয় আরও খবর

বিক্ষোভে গিয়ে আটক ‘ধুরন্ধর’ অভিনেত্রী আয়েশা খান

আন্দোলনে কাঁপছে দিল্লি, চাপের মুখে মোদি

তফসিল আগস্টে, প্রথম ধাপের ভোট অক্টোবরে : ইসি আনোয়ারুল

১২৮ দলের বিশ্বকাপও হতে পারে ভবিষ্যতে

নিট আন্দোলন: আলোচনার উদ্যোগ সরকারকেই নিতে হবে বলল সিজেপি

তাসনিম জারার তদন্তের দাবি, এমপি গাজী নজরুলের ভিডিও নিয়ে বিতর্ক

২০২৭ সালের হজে বেসরকারি ৩ প্যাকেজ, খরচ কত

টেক্সটাইল খাতের সমস্যা সমাধানে কমিটি গঠন

একনেকে ১৪ হাজার কোটি টাকার ৮ প্রকল্প অনুমোদন

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বিদায়ী নৌপ্রধানের সাক্ষাৎ

শিক্ষার্থী বিক্ষোভে উত্তাল ভারত, রাহুলের পাঁচ দাবি

আহমদ ছফার দেহাবশেষ স্থানান্তর হলো বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে