,

পর্যটকদের জন্য সীমান্ত খুলে দিচ্ছে ভারত, লাগবে নতুন ভিসা

news-image

নিজেস্ব প্রতিবেদক : সংক্রমণ কমে যাওয়ায় বিদেশি পর্যটকদের জন্য সীমান্ত খুলে দিচ্ছে ভারত। তবে ভারতে যেতে হলে ভ্রমণকারীদের নিতে হবে নতুন ভিসা। ১৫ অক্টোবরের আগে ভারত সরকারের ইস্যু করা সকল ভিসা অকার্যকর করা হয়েছে।

১৫ নভেম্বর থেকে বাণিজ্যিক ফ্লাইটের যাত্রীদের ভিসা দেওয়া শুরু হলেও চার্টার্ড বিমানে করে যাওয়া ভ্রমণকারীদের শুক্রবার থেকেই ভিসা দিবে ভারত।
তবে টেস্টিং, টিকা এবং কোয়ারেন্টিন নিয়মকানুন এখনও কিছু বলা বলেনি দেশটি।

নরেন্দ্র মোদির সরকার করোনা ভাইরাস ঠেকাতে সীমান্ত বন্ধ করে দেওয়ার পর ২০২০ সালে কোনো ভিসা ইস্যু করেনি ভারত। তবে কয়েক মাসে কয়েক জন কূটনীতিক, বিদেশি ও ব্যবসায়িক কর্মকর্তাকে ভিসা দিয়েছে। ২০১৯ সালে এক কোটি নয় লাখ ৩০ হাজার বিদেশি পর্যটক ভারত ভ্রমণ করলেও করোনা মহামারির কারণে ২০২০ সালে দেশটিতে মাত্র ২৭ লাখ ৪০ হাজার বিদেশি ভ্রমণ করেছে।

করোনাভাইরাস মহামারির কারণে গত বছরের মার্চ থেকে ই-ট্যুরিস্ট ভিসা স্থগিত রেখেছে ভারত। তবে বিদেশি পর্যটকদের কিছু শর্তে ভারত ভ্রমণের অনুমতি দেওয়া যেতে পারে কিনা সেটি নিয়ে এখনও চিন্তা-ভাবনা চলছে বলে জানিয়েছেন দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তারা।

তবে শুধুমাত্র টিকা নেওয়া পর্যটকদের অনুমতি দেওয়া হবে। করোনাভাইরাস সংক্রমণে উদ্বেগজনক পরিস্থিতিতে রয়েছে, এমন কোনো দেশের পর্যটকদের ভারত ভ্রমণের সুযোগ না দেওয়ার সিদ্ধান্তও আসতে পারে বলে জানান ওই কর্মকর্তা।

এর আগে ভারতের সরকারি সংবাদসংস্থা প্রেস ট্রাস্ট অব ইন্ডিয়া (পিটিআই) বলেছে, গত বছরের মার্চে দেশজুড়ে লকডাউন ঘোষণার পর থেকে কোভিড-১৯ মহামারিতে ক্ষতিগ্রস্ত পর্যটন, আতিথেয়তা এবং বিমান পরিবহন খাতকে পুনরুজ্জীবিত করার প্রচেষ্টা হিসেবে প্রথম পাঁচ লাখ বিদেশি পর্যটককে বিনামূল্যে ভিসা দেওয়া হবে।

উল্লেখ্য ভারতের এক মাস মেয়াদের ই-ট্যুরিস্ট ভিসার খরচ প্রায় ২৫ মার্কিন ডলার (বাংলাদেশি প্রায় ২ হাজার ১৩৩ টাকা)। এছাড়া এক বছর মেয়াদের মাল্টিপল এন্ট্রি ই-ট্যুরিস্ট ভিসার খরচ প্রায় ৪০ ডলার (বাংলাদেশি প্রায় ৩ হাজার ৪১৩ টাকা)।

গত এপ্রিল-মে মাসে ভয়াবহ দ্বিতীয় ঢেউয়ের সময় ভারতে দৈনিক চার লাখ করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছে। তবে গত কয়েক দিনে তা দৈনিক ২০ হাজারে নেমেছে। দেশটির ৭০ শতাংশের বেশি মানুষ অন্তত এক ডোজ টিকা গ্রহণ করেছে।