,

জেলেদের জালে ঝাঁকে ঝাঁকে মাছ

news-image

রাঙামাটি প্রতিনিধি : কাপ্তাই হ্রদের জেলেদের জালে ধরা পড়ছে ঝাঁকে ঝাঁকে মাছ। প্রতিদিন ভোর থেকে এসব মাছ এনে জেলেরা ভিড় করছেন মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রগুলোতে। গত দুদিন মাছ অবতরণ কেন্দ্রে গিয়ে দেখা যায় আনা মাছগুলোর জন্য মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রে জায়গা দিতে পারছে না বিএফডিসি। দীর্ঘ ৪ মাস বন্ধ থাকার পর গত ১ সেপ্টেম্বর থেকে মাছ আহরণ শুরু হয়।

শুক্রবার সকালে রাঙামাটি বিএফডিসি মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রে গিয়ে দেখা যায়, জেলেরা শত শত ড্রামে মাছ নিয়ে মাপার জন্য অপেক্ষায় রয়েছে। বিএফডিসির অবতরণ কেন্দ্রে মাছ মেপে সেখানে রাজস্ব দিয়ে সেখান থেকে মাছ বরফ লাগিয়ে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে নিয়ে যাচ্ছেন ব্যবসায়ীরা। জেলেদের জালে পাওয়া এসব মাছের মধ্যে রয়েছে চাপিলা, কেচকি, আয়ের, রুই, কাতালসহ বিভিন্ন প্রজাতির মাছ।

কাট্টলী এলাকা মাছ ধরা জেলে হরিপদ দাশ বলেন, মাছ প্রচুর ধরা পড়ছে জালে। তবে আকারে ছোট। এ মাছ আরো ১০ থেকে ১৫ দিন ধরা পড়বে। সব এলাকায় জেলেদের জালে মাছ ধরা পড়ছে।

মাছ ব্যবসায়ী কাজল বড়ুয়া (৫০) বলেন, এ বছর হ্রদের পানি দেরিতে বৃদ্ধি পাওয়ায় মাছ তেমন বড় হতে পারেনি। ফলে মাছগুলো আকারে অনেক ছোট।

আরেক ব্যবসায়ী রফিকুল ইসলাম (৩০) বলেন, মাছ ছোট হওয়ায় দাম পাওয়া যাবে না। আরো ১৫ দিন পরে মাছগুলো ধরা হলে তাহলে দাম পাওয়া যেত। অনেক পোনা মাছ জালে আসছে।

বিএফডিসি সূত্র জানায়, গত দুদিনে ৪৫ লাখ টাকার রাজস্ব আদায় করা হয়েছে। দুই দিনে পুরো জেলায় মাছ ল্যান্ডিং হয়েছে ২৫১ টন। রাঙামাটি জেলার লংগদু, নানিয়াচর, কাপ্তাই, খাগড়াছড়ি জেলায় মহালছড়ি উপজেলায় মাছের অবতরণ কেন্দ্র থেকে রাজস্ব আদায় করা হচ্ছে প্রতিদিন।

বিএফডিসি রাঙামাটি ব্যবস্থাপক তৌহিদুল ইসলাম বলেন, এ বছর কাপ্তাই হ্রদে পানি দেরিতে বৃদ্ধির কারণে মাছ ছোট হয়েছে। যেভাবে মাছ ধরা পড়ছে এ ধারা আরো ১০ থেকে ১৫ দিন অব্যাহত থাকবে। এরপর কিছুটা কমবে। গত বছর জেলা থেকে সাড়ে ১২ কোট টাকা রাজস্ব আদায় হয়েছে। এ বছর সবে শুরু হল। এ বছর আমরা এর চেয়ে বেশি আশা করছি।

উল্লেখ্য, ১৯৬০ সালে কাপ্তাই এলাকায় কর্ণফুলী নদীতে বাঁধ দিয়ে জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণের ফলে সৃষ্টি হয় দক্ষিণ এশিয়ার সবচেয়ে কৃত্রিম হ্রদ। পরবর্তীতে এটি মিঠা পানির মাছের অভয়াশ্রম হয়ে ওঠে। মৎস্যর সঠিক ব্যবস্থাপনার জন্য বিএফডিসি ১৯৬৫ সাল থেকে হ্রদের দায়িত্ব গ্রহণ করে। মাছের সুষ্ঠু প্রজননের জন্য প্রতিবছর ১ মে থেকে সকল ধরনের মাছ শিকারে নিষেধাজ্ঞা দেয় জেলা প্রশাসন। ৩ মাস পর এ নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া হয়। এ বছর যথা সময় বৃষ্টি না হওয়ায় ১ মাস পরে মাছ শিকারের নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া হয়।

এ জাতীয় আরও খবর

রাজনৈতিক সমাধানেই কাটবে রোহিঙ্গা সংকট: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

অবসরের পর বিচারপতিদের পাসপোর্ট ভেরিফিকেশন অযৌক্তিক : হাইকোর্ট

ইচ্ছা থাকলেও পর্দা করা সম্ভব নয় : মেঘনা আলম

পুলিশের ৭ কর্মকর্তাকে বদলি-পদায়ন

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় টর্চের আলোয় দুই গ্রামবাসীর সংঘর্ষ, আহত ৫০

হুতিদের থামাতে ইরানকে পাকিস্তানের কড়া বার্তা

ঠাকুরগাঁও-১ আসনে উপনির্বাচন ২৯ অক্টোবর, তফসিল ঘোষণা

ডেঙ্গু চিকিৎসায় সব হাসপাতালে পর্যাপ্ত চিকিৎসক-সরঞ্জাম দেয়া হয়েছে : স্বাস্থ্যমন্ত্রী

২০২৯ সাল পর্যন্ত গড়াতে পারে ইরান যুদ্ধ, ট্রাম্পকে সতর্ক করলেন উপদেষ্টারা

সিঙ্গেল থেকে ডাবল-ডেকার স্লিপার বাস, ৪১টির রেজিস্ট্রেশন স্থগিত

মধ্যবর্তী নির্বাচনের পরই ইরান যুদ্ধ শেষ হবে

আইফোন ১৮ প্রোতে ক্যামেরায় বড় আপগ্রেড, বাড়ল দাম