,

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় দিন দিন বাড়ছে ড্রাগন ফলের চাষ

news-image

তৌহিদুর রহমান নিটল, ব্রাহ্মণবাড়িয়া: ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিভিন্ন উপজেলায় বাণিজ্যিক ভাবে বাড়ছে ড্রাগন ফলের চাষ। খরচের তুলনায় বিদেশী এ ফলের ব্যাপক চাহিদা আর লাভের অংক বেশি হওয়ায় নতুন করে দিন দিন বাড়ছে এ ফল চাষের কদর। এমনি এক নতুন বাগানের খোঁজ মিলেছে জেলার সরাইল উপজেলার বুড্ডা গ্রামে। সেখানে বাণিজ্যিক ভাবে চাষ হচ্ছে ড্রাগন ফলের।

সরেজমিনে ঘুরে দেখা যায়, বুড্ডা গ্রামের বাসিন্দা হাবিবুর ও শফিকুল ভিন্ন পেশায় থাকলেও প্রথমবারের মতো জমিতে বাণিজ্যিকভাবে ড্রাগন ফলের চাষ শুরু করেছেন। তিতাস নদীর পাড়ে তাঁরা ৩ একর জমি ১০ বছরের জন্য ভাড়া নিয়েছেন।
গত বছরের ২১ সেপ্টেম্বর ওই জমিতে ১ হাজার ৫০০ খুঁটির পাশে তাঁরা রোপণ করেছেন ৬ হাজার ড্রাগন ফলের চারা। যশোর, চট্টগ্রাম ও মৌলভীবাজার থেকে তাঁরা এ চারা কিনে এনেছেন। একেকটি চারা কিনেছেন ৫০ থেকে ২০০ টাকা দরে। এখানে তাঁরা লাল, হলুদ, সাদা ও গোলাপি রঙের ড্রাগনের চারা রোপণ করেছেন।

ড্রাগন চাষী হাবিবুর ও শফিকুল বলেন, ড্রাগন গাছে রাসায়নিক সারের তেমন প্রয়োজন হয় না। সামান্য জৈব সার দিলেই চলে। আর শীতকালে সন্ধ্যার পর আলোর ব্যবস্থা করতে হয়। এ ফলের গাছ একবার রোপণ করলে টানা ২৫ থেকে ৩০ বছর, এমনকি ৪০ বছর পর্যন্ত ফল পাওয়া যায়। পূর্ণ বয়সের (চারা রোপণের এক বছর পর) একেকটি চারা থেকে প্রতিবছর ২৫ থেকে ৩০ কেজি ফল পাওয়া যায়। আশার কথা হচ্ছে, এ গাছের মৃত্যুঝুঁকি নেই। এ ছাড়া এ বাগান থেকে প্রতিবছর ১৭-১৮ লাখ টাকার চারা বিক্রি করা সম্ভব। এতে তাঁরা বড় অঙ্কের লাভ করতে পারবেন বলে আশা করছেন। ইতিমধ্যে তাঁরা ১০০ কেজির ওপরে বিক্রি করেছেন। স্থানীয় লোকজন আকর্ষণীয় এ ফল ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা কেজি দরে কিনে নিচ্ছেন। তবে ১২ মাস পর পুরোদমে ফলন শুরু হলে তাঁরা এ ফল পাইকারি বাজারে বিক্রি করবেন।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ড্রাগন মূলত যুক্তরাষ্ট্রের ফল ছিল। পরে ভিয়েতনাম, তাইওয়ান, থাইল্যান্ড, ফিলিপাইন, মালয়েশিয়া, চীন ও অস্ট্রেলিয়ায় ব্যাপক হারে উৎপাদন শুরু হয়। দুই দশক ধরে আমাদের দেশে এ ফল আমদানি করা হচ্ছে। সরাইল উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) মর্জিনা আক্তার বলেন, শিগগিরই ওই বাগান দেখতে যাবেন ও তাঁদের প্রয়োজনীয় পরামর্শ দেবেন।

এ জাতীয় আরও খবর

ডাকসুর সংগ্রহশালায় জিন্নাহর ছবি কেন, জানালেন জিএস ফরহাদ

শিশুদের সম্ভাবনা বিকশিত করতে মুক্ত পরিবেশ নিশ্চিতের আহ্বান জুবাইদা রহমানের

‘বৃত্তি-উপবৃত্তিতে সমতা নয়, প্রয়োজনের ভিত্তিতে অগ্রাধিকার’

রাজউকে দুদকের হানা

বীমা খাতে ৭ হাজার কোটি টাকার দাবি বকেয়া

অস্ট্রেলিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রীর দ্বারস্থ ৭ সাবেক অধিনায়ক

ট্রাম্পের সমঝোতার ঘোষণার পরই কিয়েভে পেট্রল স্টেশনে হামলা

এস কে সুরের স্ত্রীর দুই বছরের কারাদণ্ড

সাদ্দাম-ইনানসহ ৭ আসামির মৃত্যুদণ্ডের রায়ে ঢাবিতে মিষ্টি বিতরণ

সৎ থাকাটাই সবচেয়ে বড় অপরাধ: আসিফ মাহমুদ

পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির প্রভাবে সংকটে গরুর মাংসের বাজার

যেসব অভিযোগে ওবায়দুল কাদেরসহ সাতজনের মৃত্যুদণ্ড