,

২ সন্তানের গলা কাটার পর বাবার আত্মহত্যার চেষ্টা

news-image

নিজস্ব প্রতিবেদক : চালিয়েছেন জাবেদ হাসান নামের এক ব্যক্তি। তাদের মধ্যে ছয় বছরের কন্যাশিশু জারিন হাসান রোজাকে হাসপাতালে নেওয়ার পর চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন জাবেদ ও তার ১৩ বছরের ছেলে রিজন হাসানের অবস্থাও গুরুতর। তাদের শঙ্কামুক্ত বলছেন না চিকিৎসক। বুধবার এ ঘটনার পর পুলিশ হাসপাতাল ও ঘটনাস্থলে যায়। এর কারণ সম্পর্কে তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। কেউ কেউ জানিয়েছেন, ঘটনার আগে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে ঝগড়া হয়েছিল।

ঢাকা মহানগর পুলিশের ধানমন্ডি জোনের অতিরিক্ত উপকমিশনার আব্দুল্লাহিল কাফী জানান, করোনার কারণে জাবেদের ব্যবসায় মন্দা যাচ্ছিল। তিনি ঋণগ্রস্ত হয়ে পড়েছিলেন। এতটুকুই বলেছেন তার স্বজনরা। তবে ঠিক কী কারণে তিনি এমন ঘটনা ঘটিয়েছেন, তা স্পষ্ট নয়। এ ব্যাপারে তদন্ত চলছে। সংশ্নিষ্টদের জিজ্ঞাসাবাদ করছে পুলিশ।

পুলিশ ও স্বজনদের সূত্রে জানা যায়, হাজারীবাগের বটতলা বাজার এলাকার ১০ নম্বর গলিতে দোতলা টিনশেড বাড়িতে পরিবারের সঙ্গে থাকেন জাবেদ। তার কাপড়ের ব্যবসা ও মোবাইল ফোন রিচার্জের একটি দোকান রয়েছে। কয়েক মাস ধরে তার ব্যবসার অবস্থা খারাপ। সংসারের খরচ সামলাতে তিনি বিভিন্নজনের কাছ থেকে কয়েক লাখ টাকা ঋণ নেন। সেই টাকা পরিশোধের ব্যবস্থা না হওয়ায় তিনি হতাশাগ্রস্ত ছিলেন। বুধবার স্ত্রী রিমা আক্তারের সঙ্গে তার ঝগড়া হয়। পরে রিমা রাগ করে দোতলা থেকে নিচতলায় নেমে যাওয়ার পর জাবেদ সন্তানদের গলা কেটে হত্যার চেষ্টা চালান। তখন চিৎকার শুনে রিমা উপরে গেলে তাকেও আঘাত করেন জাবেদ। নিজের গলাতেও ছুরি চালান তিনি। পরে পরিবারের সদস্যরা জাবেদ ও তার দুই সন্তানকে ঢামেক হাসপাতালে নিয়ে যান।

জাবেদের ভাই মেহেদী হাসান জানান, জাবেদই এ ঘটনা ঘটান বলে জানালেও কী কারণে তিনি এমন করেছেন, তা বলতে পারেননি তিনি।

এদিকে রিমার গলার বাঁ পাশে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে বলে জানিয়েছেন ঢামেক হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির পরিদর্শক বাচ্চু মিয়া। তিনি আরও জানান, শিশু রোজার মৃতদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঢামেক মর্গে পাঠানো হয়েছে।

রিমাও সাংবাদিকদের কাছে প্রায় একইরকম বর্ণনা দেন। তিনি জানান, ঘটনার সময় তিনি নিচে শাশুড়ির ঘরে ছিলেন। পরে চিৎকার শুনে উপরে ওঠেন। তিনিও স্বামীর এমন কর্মকাণ্ডের কারণ জানেন না বলে দাবি করেন।

চিকিৎসকরা জানান, জাবেদ ও রিজনের গলায় গভীর ক্ষত রয়েছে। প্রচুর রক্তক্ষরণের ফলে তারা দুর্বল হয়ে পড়েছিলেন। চিকিৎসা দিয়ে তাদের সারিয়ে তোলার চেষ্টা চলছে। তবে তাদের ঝুঁকিমুক্ত বলা যাচ্ছে না।

হাজারীবাগ থানার ওসি সাজিদুর রহমান সাজিদ বলেন, পারিবারিক নানা সংকট ও ঋণগ্রস্ত হয়ে পড়ায় জাবেদ কিছুটা বিপর্যস্ত ছিলেন বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। তিনি নিজেই এ ঘটনা ঘটান।

এ জাতীয় আরও খবর

পৌর চেয়ারম্যান থেকে রাষ্ট্রপতি: মির্জা ফখরুলের বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবন

সুস্থ থাকুক আপনার হার্ট

স্বাস্থ্য পরীক্ষা শেষে আবারও কারাগারে ইমরান খান

পাঁচ পেসারই ম্যাচ খেলার জন্য প্রস্তুত, সঙ্গে দুই স্পিনার

আটা-তেল-চিনির দাম ঊর্ধ্বমুখী

মির্জা ফখরুলকে রাষ্ট্রপতি ঘোষণা করে প্রজ্ঞাপন

বিষাক্ত গ্যাসে সীতাকুণ্ডের শিপইয়ার্ডে প্রাণ গেল আরও এক শ্রমিকের

‘আমরা খুব ভালো বন্ধু’

অল্প সময়ের ব্যবধানে মত বদলাল অস্ট্রেলিয়া, একাদশ ঘোষণায় চমক

সিলেটে ট্রিপল মার্ডার: আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিলেন বাবুল মিয়া

বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির শপথ, আজ বন্ধ থাকবে যেসব সড়ক

মাছ, মুরগি ও ডিমের দামে হিমশিম খাচ্ছেন ক্রেতারা