,

এরশাদের কবর নিয়ে যা বললেন বিদিশা

news-image

নিউজ ডেস্ক।। জীবন মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে সাবেক রাষ্ট্রপতি ও জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ। ২৬ জুন থেকে ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমইচএ) ভর্তি আছেন তিনি। মঙ্গলবার জিএম কাদের বলেছেন তার ভাই এরশাদ চোখ মেলছেন। গত কিছুদিন ধরে এরশাদের শারীরিক অবস্থার অবনতির মধ্যেই দলটির নেতাকর্মীদের আলোচনায় এসেছে পার্টির চেয়ারম্যান মারা গেলে কোথায় কবর দেয়া হবে। গতকাল সোমবার সংবাদ সম্মেলন করে রংপুর অঞ্চলের নেতারা দাবী করেছেন, এরশাদের ওছিয়ত অনুযায়ী রংপুরের পল্লী নিবাসেই সাবেক এই রাষ্ট্রপতিকে যেন দাফন করা হয়।

এই অবস্থায় এরশাদের কবর নিয়ে মুখ খুলেছেন তার সাবেক স্ত্রী বিদিশা-ও। মঙ্গলবার এরশাদের সাবেক এই মুঠোফোনে নয়া দিগন্তকে জানান, ‘স্যারকে রংপুরে সমাহিত করার ব্যাপারে রংপুরের প্রতিটি মানুষ একমত। আমিও তাদের অনুভূতির সাথে একমত পোষন করছি। আর যেহেতু পল্লী নিবাসটি স্যার এরিখ এরশাদকে দিয়ে গেছেন সেহেতু তাকে পল্লী নিবাসে সমাহিত করা হলে এরিখ সবচেয়ে সম্মানিত হবে। রংপুরের মানুষের অনুভূতিকে এরিখ সম্মান জানাবে।’

গত ২৬ জুন জ্ঞান হারিয়ে রাজধানীর সিএমইচএ চিকিৎধীন আছেন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ। সেখানে তিনি এখন জীবন মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে। গত ৩ জুলাই তারিখে এরশাদের অসুস্থ্যতা এবং তিনি মারা গেলে কোথায় সমাহিত করা হবে এ নিয়ে প্রেসিডিয়ামের বৈঠক হয়। আড়াইঘন্টা ব্যাপি বৈঠকে জাাপার ৩৮ জন প্রেসিডিয়াম সদস্য ও সংসদ সদস্য উপস্থিত ছিলেন। সেখানে এরশাদকে সমাহিত করার জায়গার ব্যাপারে কোন সিদ্ধান্ত নিতে পারে নি। সেখানে জাতীয় নেতা হিসেবে এরশাদকে সেনানিবাস অথবা আসাদ গেটের বিপরীতে সংসদ ভবন প্রাঙ্গন, মোহাম্মদপুর আদাবরে কবরস্থান, জাতীয় তিন নেতার মাজারসহ বিভিন্নস্থানের কথা আলোকপাত হয়। কিন্তু সেখানে রংপুরে দাফনের ব্যাপারে কোন কথা হয়নি।

প্রসঙ্গত: এরশাদের পারিবারিক নিবাস রংপুর শহরের সেনপাড়ায় স্কাইভিউতে হলেও তিনি নিজে জমি ক্রয় করে রংপুর শহরের দর্শনায় মহাসড়কের পাশে দেড় একর পল্লী নিবাস নামে তার নিজস্ব আবাসন তৈরি করেন। রংপুরে সফরে আসলে তিনি সেখান থেকেই রাতযাপনসহ সকল রাজনৈতিক, সামাজিক কর্মকান্ড পরিচালনা করেন। গত বছর অক্টোবর মাসে পল্লী নিবাসের পুরোনো স্থাপনা ভেঙ্গে একটি আধুনিক বাড়ি নির্মানও শুরু করেন তিনি। বাড়িটির নির্মাণ কাজ প্রায় সমাপ্তির পথে। পল্লী নিবাসের পাশেই তিনি পিতার নামে মকবুল হোসেন মেমোরিয়াল ডায়াবোটিকস হাসপাতাল ও ডায়াগোলোস্টিক সেন্টার প্রতিষ্ঠা করেন। সেখানে স্বল্পমুল্যে অসহায় মানুষের স্বাস্থ্য সেবা দেয়া হয়। পরবর্তীতে তিনি জায়গাটি হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ তার সন্তান এরিখ এরশাদের নামে বন্দোবস্ত করে দেন। উৎস: নয়াদিগন্ত।

এ জাতীয় আরও খবর

নবীনগরে পুকুরে ডুবে জমজ দুই ভাইয়ের মর্মান্তিক মৃত্যু

বাচসাস নির্বাচন ২০ নভেম্বর

তেহরানের সঙ্গে শান্তিচুক্তি করা অত্যন্ত কঠিন: যুক্তরাষ্ট্র

জুলাই সনদ বাস্তবায়ন নিয়ে সরকার-বিরোধী দলের দ্বন্দ্ব তীব্র

ধর্ম আলাদা, পরিচয় এক—আমরা বাংলাদেশি: প্রধানমন্ত্রী

২৮১১ কোটি টাকা ব্যয়ের পর বাতিল হচ্ছে গাজীপুর বিআরটি প্রকল্প

শাহজালালে বসছে অ্যান্টি-ড্রোন সিস্টেম, বাড়বে নিরাপত্তা

রোনালদোর পেনাল্টি মিস, ফেলিক্সের গোলে রক্ষা

যুব উন্নয়নের প্রশ্নফাঁস: বিএআরসির সহকারী পরিচালক গ্রেপ্তার

বার্সেলোনাকে ৪-২ গোলে হারিয়ে পিএসজির দাপুটে জয়

মোদির বাসভবনের কাছে মসজিদ উচ্ছেদের নোটিশ!

টঙ্গীতে গ্যাস বিস্ফোরণে একই পরিবারের ৩ জন দগ্ধ