,

রংপুরে ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে তাপমাত্রা : নাস্তানাবুদ জনজীবন

news-image

সোহেল রশীদ,রংপুর : খরার সময় খরা নেই। আবার বর্ষাকালে বৃষ্টি নেই। রংপুরসহ এই অঞ্চলে ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে তাপমাত্রা। কমছে বৃষ্টিপাত। অসময়ের বন্যা-খরায় নাস্তানাবুদ জনজীবন। এর সবই জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতিকর প্রভাব বলে মনে করেন আবহাওয়াবিদরা। আর পরিস্থিতি মোকাবেলায় দ্রুত কার্যকরী পদক্ষেপ নেয়ার তাগিদ সংশ্লিষ্টদের।পঞ্জিকায় বর্ষা এলেও আকাশে বৃষ্টি নেই। আষাঢ়ে এমন খরতাপ এর আগে দেখেনি উত্তরের মানুষ। কাঠফাটা রোদ আর গরমে হাসফাঁস করছে প্রাণিকুল। অতিষ্ট জনজীবন। ঋতুচক্রের খেয়ালিপনায় ওলোট-পালোট মানুষের স্বাভাবিক জীবন যাপন।

স্থানীয়রা বলেন, ‘বৈশাখ মাসে হাঁটু জলও থাকে না। আর আষাঢ় মাষে বৃষ্টিও কম। খালি রোদ আর গরম। এই গরম আর থামছেই না।’রংপুর আবহাওয়া অফিসের তথ্য মতে, ২০০৮ সালে দিনাজপুরে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ৩৬.৩ ডিগ্রী সেলসিয়াস। দশ বছর পর তা বেড়ে দাঁড়ায় ৩৮.৯ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। আর গেলো তিন বছরে রংপুর অঞ্চলে অর্ধেকে নেমে এসেছে বৃষ্টিপাত। জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে এ অবস্থা বলে মত এই আবহাওয়াবিদের।

রংপুর আবহাওয়া অধিদপ্তরের সহকারী আবহাওয়াবিদ মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, ‘বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধির কারণে এমন হচ্ছে। আর রংপুর অঞ্চলে তাপমাত্রা বেড়ে যাওয়ার অন্যতম কারণ মানুষ বেড়ে যাচ্ছে। যানবাহন বাড়ছে। কিন্তু বনায়ন হচ্ছে না।’ বন্যায় ঝুঁকিপূর্ণ বারো দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান শীর্ষে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবেলায় জনসচেতনতা সৃষ্টির পাশাপাশি সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে না পারলে মাশুল গুণতে হবে।

রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ভুগোল ও পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, ‘যে লোকগুলো বাস্তুচ্যতু হয়ে যায় এদের জন্যে পরিকল্পনা লাগবে। নদী খনন করে আবার প্রবাহমান করা সম্ভব হবে। কিন্তু ১০০ জন মানুষ যদি আদিপেশা হারায় ফেলে তা দীর্ঘকালীন প্রভাব ফেলে।’প্রতি বছর গাইবান্ধা, কুড়িগ্রাম, রংপুর ও লালমনিরহাটের ২০ উপজেলার প্রায় ১৬ লাখ মানুষ বন্যা কবরিত হয়। আর যমুনা, ব্রহ্মপুত্র, তিস্তা ও ধরলার ভাঙনে নিঃস্ব হয় অন্তত ১০ হাজার পরিবার।

এ জাতীয় আরও খবর

জিন্নাহর ভূমিকা অস্বীকারের সুযোগ নেই: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

শাহজালালের ৩য় টার্মিনালে ১২ মিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করবে মেনজিস

রাজশাহীতে পদ্মায় হঠাৎ উঁচু ঢেউ, দেবে গেছে ৭৫ মিটার বাঁধ

জাতিসংঘে প্রধানমন্ত্রীর ভাষণ দেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রেস সচিব

৯৯ বিচারককে একযোগে বদলি

ডাকসু থেকে কোনো টাকা নেননি ভিপি-জিএস-এজিএস

প্রবাসীদের ভোটাধিকার হরণের চেষ্টার অভিযোগ জামায়াত আমিরের

৬ জুনের আগেই ইউপি নির্বাচন শেষ করার তাগিদ ইসির

বাদশাকে নিয়ে ইশার বিস্ফোরক দাবি

প্রোপাগান্ডাকে অভিযোগ হিসেবে নেওয়ায় দুদকের দক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন নাহিদের

অডিও ফাস: ক্যান্টনমেন্ট থানার ওসি প্রত্যাহার

এসআই আলতাফ হত্যায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তারের নির্দেশ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর