,

৪ পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে কেন ব্যবস্থা নয় : হাইকোর্ট

news-image

অনলাইন ডেস্ক : কক্সবাজারের আলোচিত ১০ লাখ পিস ইয়াবা বিক্রিতে জড়িত থাকার অভিযোগে কক্সবাজারেব তৎকালীন পুলিশ সুপার (এসপি) এ কে এম ইকবাল হোসেনসহ চার পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে কেন দ্রুত বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হবে না-তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট।

অভিযুক্ত অন্য তিন পুলিশ কর্মকর্তা হলেন- কক্সবাজার পুলিশের গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুল ইসলাম (বর্তমানে তিনি কক্সবাজার পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ), কক্সবাজারের ডিবির উপপরিদর্শক (এসআই) কামাল হোসেন (বর্তমানে পিআইবির উপপরিদর্শক) ও টেকনাফ থানার ওসি।

আজ সোমবার বিচারপতি মইনুল ইসলাম চৌধুরী ও বিচারপতি মো. আশরাফুল কামালের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রুল জারি করেন।

এর আগে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি দৈনিক আমাদের সময়ে ‘সাত লাখ ইয়াবা ৮ কোটিতে বিক্রি’, ২২ জুলাই প্রথম আলোতে প্রকাশিত ‘১০ লাখ ইয়াবা বড়ি বেঁচে দিয়েও বহাল ১২ পুলিশ’ প্রতিবেদনসহ চারটি পত্রিকায় প্রকাশিত প্রতিবেদন যুক্ত করে ২৯ জুলাই রিট করেন সুপ্রিমকোর্টের আইনজীবী আবুল কালাম আজাদ।

আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট ফরহাদ উদ্দিন আহমেদ ভূইয়া। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল একরামুল হক টুটুল।

অ্যাডভোকেট ফরহাদ উদ্দিন আহমেদ ভূইয়া বলেন, ‘এই চার পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণের প্রশ্নে রুল জারির পাশাপাশি ১০ লাখ পিস ইয়াবা বিক্রি কেন বেআইনী হবে না রুলে তাও জানতে চাওয়া হয়েছে।’

স্বরাষ্ট্র সচিব,পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি), মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ও চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজিকে চার সপ্তাহের মধ্যে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

পত্রিকায় প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, অভিযানে উদ্ধার করা ১০ লাখ ইয়াবা বড়ির মধ্যে ৯ লাখ ৯০ হাজারই মাদক ব্যবসায়ীর কাছে বিক্রি করে দিয়েছে কক্সবাজার জেলা পুলিশের একটি দল। পুলিশ সদর দপ্তরের তদন্তে তার সত্যতাও পাওয়া গেছে। তদন্তে জেলা পুলিশ সুপার, দুই অতিরিক্ত পুলিশ সুপারসহ পুলিশের ১২ সদস্যকে অভিযুক্ত করা হয়। কিন্তু কারও বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেয়নি পুলিশ প্রশাসন। অভিযুক্ত ব্যক্তিদের ১১ জন এখনো কক্সবাজারেই দায়িত্ব পালন করছেন। একজন আছেন চট্টগ্রামে।

পুলিশের তদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়, ইয়াবা উদ্ধারের পর জেলা ডিবির উপপরিদর্শক (এসআই) বশির আহম্মাদ মুঠোফোনে এবং পুলিশ পরিদর্শক সুকেন্দ্র চন্দ্র সরকার নিজে এসপি এ কে এম ইকবাল হোসেনের সঙ্গে দেখা করে জানান, অভিযানে ৭ লাখ ৩০ হাজার ইয়াবা বড়ি উদ্ধার করা হয়েছে।

কিন্তু ডিবির এসআই জাবেদ আলম বাদী হয়ে টেকনাফ থানায় যে মামলা করেন তাতে ১০ হাজার ইয়াবা উদ্ধার দেখানো হয়। পরে তদন্তে প্রমাণিত হয়, তারা আসলে ১০ লাখ ইয়াবা উদ্ধার করেছিলেন। বাকি ৯ লাখ ৯০ হাজার ইয়াবা তারা একজন মাদক ব্যবসায়ীর মাধ্যমে বিক্রি করে দেন।

এ জাতীয় আরও খবর

সিলেটে ট্যাংকলরি-অটোরিকশা সংঘর্ষে একই পরিবারের তিনজনসহ নিহত ৪

কাজের পরিধি ও গতি বাড়াতেই পররাষ্ট্রে দুই প্রতিমন্ত্রী : শামা ওবায়েদ

অপরাধীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে ব্যর্থ কর্মকর্তাদেরও শাস্তি হবে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

রহমতপুর-হিজলা-মেহেন্দিগঞ্জ-ভোলা রুটে মহাসড়ক নির্মাণের সিদ্ধান্ত

কসবায় নিখোঁজের ২দিন পর কলাবাগানের পাশ্ববর্তী ডোবায় মিললো বৃদ্ধের লাশ

প্রধানমন্ত্রীর লক্ষ্য মানবসম্পদ ও শিক্ষার উন্নয়ন: কসবায় মুশফিকুর রহমান এমপি

নবীনগরে প্রতিরোধমূলক ওরাল কলেরা টিকা কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন

কচু খেয়ে গলা চুলকালে তেঁতুল ছাড়াই মিলবে সমাধান

নায়করাজের শূন্যতা আজও সমান অনুভব করি: শাকিব খান

নতুন রাষ্ট্রপতিকে শুভকামনা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রীর বার্তা

জাতীয় স্মৃতিসৌধে নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতির শ্রদ্ধা

আস্থার ঘাটতিতে অনিশ্চিত প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফর