,

পোকার আক্রমণে বিপাকে আমনচাষীরা

news-image

নিজস্ব প্রতিবেদক : বন্যার ক্ষতি কাটিয়ে যে মুহূর্তে আমনের বাম্পার ফলনের আশায় স্বপন বুনছিলেন কৃষকরা। ‍কিন্তু হিতে বিপরীত হলো জমিতে পোকার আক্রমণ! বিস্তীর্ণ আমন ক্ষেত রোগ ও পোকাক্রান্ত হয়ে পড়েছে। ধানের জমি দেখে বুকভরা স্বপ্নও দেখতে শুরু করেছিল তারা। বন্যা ডুবে যাওয়া আশা ভেসে উঠেছিল তাদের চোখে, কিন্তু সেই আশা কেড়ে নিচ্ছে পোকা।

পোকার আক্রমণ ও বিভিন্ন রোগের সংক্রমণে দিশেহারা এখন কুড়িগ্রামের চিলমারীর কৃষকরা। এ অবস্থায় কৃষি অফিস থেকেও যথাযথ সহযোগিতা পাচ্ছেন না বলে অভিযোগ তাদের। কিন্তু অভিযোগ অস্বীকার করলেন কর্তৃপক্ষ।

এদিকে স্থানীয় কৃষি অফিসের সূত্র জানাচ্ছে, এবারে চলতি আমন মৌসুমে প্রায় ৮ হাজার ৫০ হেক্টর জমিতে আমন ধানের চারা রোপণ করা হয়। কিন্তু মৌসুমের শুরুতেই কয়েক দফা বন্যা হওয়ায় কৃষকদের বিভিন্ন প্রকারের ফসলহানিসহ ব্যাপক ক্ষতি সাধিত হয়। তারপরও কৃষকরা জীবন বাঁচানোর তাগিদে ধার-দেনা করে দূর-দূরান্ত থেকে অত্যন্ত চড়া দামে আমন ধানের চারা সংগ্রহ করে রোপণ করেন। কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে পরিচর্যার মধ্যদিয়ে পূর্ণাঙ্গ ক্ষেতে পরিণত করে। কিন্ত বৈরী আবহাওয়ার আর আমন ক্ষেতে শুরু হয় পাতা মোড়ানো, পাতা পোড়া রোগ ও মাজরা পোকার আক্রমণ। নিমিশেই তা ছড়িয়ে পরে ব্যাপক আকার ধারণ করে।

পশ্চিম গাজির পাড়া এলাকার আজাহার আলী বলেন, আড়াই বিঘা জমিতে পোকার আক্রমণ দেখা দিয়েছে।

বিশাড় পাড়ার মাইদুল, তমিরন জানান ওই অঞ্চলের প্রায় সব জমিতেই পোকা আক্রমন করেছে। কীটনাশক স্প্রে করেও এই পোকা দমন করা যাচ্ছে না।

সরেজমিনে উপজেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে একই চিত্র দেখা গেছে। শাখাহাতি, বৈলমনদিয়ার খাতা এলাকার কৃষকদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, তাদেরও জমিতে পোকা আর রোগে ধান নষ্ট হচ্ছে। এসময় তারা অভিযোগ করেন, বিএস বা কৃষি অফিসের কোন জনবলের সঠিক সময় কোন পরামর্শ কিংবা তারা মাঠে আসে না।

তবে কয়েকজন বলেন, হঠাৎ আসলেও পছন্দের লোকজনের সাথে দেখা করে চলে যান। শুধু উক্ত এলাকায় নয়, এই অভিযোগ বিভিন্ন এলাকার কৃষকের। তবে গাজির পাড়ার কয়েকজন কৃষক বলেন তারা কিরন আনছারীর নিকট সময় মতো পরামর্শ পান।

ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকরা জানান, দু’দুবার ভয়াবহ বন্যার ফলে তাদের রোপণ করা চারার বেশিরভাগই নষ্ট হয়ে যায়। তাই ক্ষতি পুষিয়ে নিতে তারা আবারো মাঠে নামেন কিন্তু যে সব ক্ষেতে পোকার আক্রমণ হয়েছে, সে সব ধানক্ষেত দূর থেকে দেখলে মনে হয় ধান পেকে গেছে কিন্তু কাছে গেলেই বোঝা যায় তা নয়। আবার কিছু কিছু ধান ক্ষেতে ধান বেড় হওয়ার পর এ রোগ আক্রমণ করায় সব শীষের ধান চিটা হচ্ছে।

আবার অনেক কৃষক বলেন, সময় মতো কৃষি অফিসের লোকজনকেও পাওয়া যাচ্ছে না তাই বাধ্য হয়ে কৃষকরা উপজেলা কৃষি অফিসে যোগাযোগ করছেন। তাদের পরামর্শ মোতাবেক বিভিন্ন কীট নাশক ঔষধ জমিতে স্প্রে করেও তেমন কোন ফল পাচ্ছেন না বলেও তারা অভিযোগ করেন।

এ ব্যাপারে উপজেলা কৃষি অফিসার খালেদুর রহমান, কৃষি বিভাগের বিরুদ্ধে কৃষকের আনিত অভিযোগ অস্বীকার করেন বলেন, এই উপজেলায় সামান্য কিছু জমিতে পোকার আক্রমণ হয়েছে, যা তুলনামূলকভাবে অনেক কম।

এ জাতীয় আরও খবর

স্বনির্ভর দেশ গড়তে গ্রামীণ অর্থনীতিতে গুরুত্ব: পানিসম্পদমন্ত্রী

রংপুর জামায়াত দখল করেছে, অভিযোগ রাশেদ খাঁনের

ইরানে দুই হামলায় যুদ্ধাপরাধের অভিযোগ যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে

শনিবার জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হচ্ছে সাড়ে ১২ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস

নভেম্বরে প্রধানমন্ত্রীর দিল্লি সফর চূড়ান্ত করতে ফের আলোচনা: দ্য হিন্দু

তৃণমূলের নাম-প্রতীক নিয়ে মমতা-ঋতব্রতকে নতুন সিদ্ধান্ত কমিশনের

জামায়াতের ৭১-এর ভূমিকা নিয়ে রাজ্জাকের বক্তব্যের গুরুত্ব তুলে ধরলেন আইনমন্ত্রী

শেখ হাসিনা কালকেই আসুন, হাতকড়া দিয়ে রিসিভ করব: বিমানমন্ত্রী

নির্যাতনের অভিযোগে দাম্পত্যে ইতি, থানায় সমঝোতায় সংগীতশিল্পী কনটেন্ট ক্রিয়েটর ইউসুফ রায়হান ও মুন্নির বিবাহ বিচ্ছেদ

আজ প্রথম প্রেম মনে করার দিন

বিশ্ব বাঁশ দিবস আজ

মূল্যস্ফীতি কমার প্রভাব নেই বাজারে