,

জাতিসংঘের প্রধান কর্মকর্তাই রোহিঙ্গা সংকটের নাটের গুরু!

news-image

আন্তর্জাতিক ডেস্ক :এবার সন্ধান মিললো রোহিঙ্গা সংকটের নাটের গুরুর। যিনি মিয়ানমারের রোহিঙ্গা অধ্যুষিত এলাকায় মানবাধিকার কর্মীদের যেতে বাধা দিয়েছেন। রোহিঙ্গা মুসলিমদের গণহত্যার বিরুদ্ধে জনমত গড়ে তোলার কর্মসূচিও বন্ধ করার চেষ্টা করেন। এমনকি রোহিঙ্গাদের জাতিগতভাবে নির্মূলের চেষ্টার ব্যাপারে যেসব কর্মকর্তা সতর্কবাণী দিয়েছেন তাদেরও বিচ্ছিন্ন করে রাখার চেষ্টা করেছেন।

তবে অবিশ্বাস্য হলেও সত্য যে, রাখাইন রাজ্যে রোহিঙ্গাদের গণহত্যাকে যিনি পরোক্ষভাবে উৎসাহিত করার চেষ্টা করেছেন তিনি আর কেউ নন, খোদ জাতিসংঘের প্রধান কর্মকর্তা কানাডার নাগরিক রেনাটা লক ডেসালিয়েন। সাবেক সহকর্মীরাই রেনাটার বিরুদ্ধে এসব অভিযোগ তুলেছেন।

জাতিসংঘের সাবেক কয়েকজন কর্মকর্তা ও ত্রাণকর্মী জোর দিয়েই বলেছেন, জাতিসংঘের প্রধান ওই কর্মকর্তা জাতিসংঘের অফিসে এমনকি রোহিঙ্গা নিয়ে কোনো কথা বলতে পর্যন্ত বারণ করেছিলেন। শরণার্থীদের অধিকারের বিষয় মিয়ানমার সরকারের কাছে উত্থাপনেও বাধা দিয়েছেন।

এসব অভিযোগ বিবিসির কাছে করছে মিয়ামারে জাতিসংঘ ও বিভিন্ন ত্রাণ সংস্থার সূত্রগুলো। জাতিসংঘের একজন সাবেক কর্মকর্তার অভিযোগ, মিয়ানমারে জাতিসংঘের প্রধান কর্মকর্তা মানবাধিকার কর্মীদের রোহিঙ্গা অধ্যূষিত এলাকায় যাওয়া থেকে বিরত রাখতে চেয়েছেন। যদিও মিয়ানমারে জাতিসংঘ দপ্তর বিবিসির এই রিপোর্টে উঠে আসা অভিযোগ অস্বীকার করেছে।

কানাডার নাগরিক রেনাটা লক ডেসালিয়েনের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগের ব্যাপারে বিবিসির কাছে তুলে ধরেছেন অভিযোগকারীরা। এগুলো হচ্ছে- ১) রোহিঙ্গা অধ্যুষিত এলাকায় মানবাধিকার কর্মীদের যেতে বাধা দিয়েছেন। ২) রোহিঙ্গা মুসলিমদের গণহত্যার বিরুদ্ধে জনমত গড়ে তোলার কর্মসূচিও বন্ধ করার চেষ্টা ও ৩) রোহিঙ্গাদের জাতিগতভাবে নির্মূলের চেষ্টার ব্যাপারে সতর্কবাণী দেয়া কর্মকর্তাদের বিচ্ছিন্ন করে রাখার চেষ্টা।

গেল ২৫ আগস্টের পর থেকে যখন লাখ লাখ রোহিঙ্গা শরণার্থী নতুন করে বাংলাদেশে পালিয়ে যেতে শুরু করে, তখন থেকে এই সংকট মোকাবেলায় সামনের কাতারে আছে জাতিসংঘ। শরণার্থীদের জন্য জাতিসংঘ ত্রাণ সাহায্য পাঠিয়েছে এবং মিয়ানমার কর্তৃপক্ষের নিন্দা করে কঠোর ভাষায় বিবৃতিও দিয়েছে।

তবে রোহিঙ্গা সংকট চরম আকার ধারণ করার আগের চার বছর ধরে মিয়ানমারে জাতিসংঘের কার্যক্রমের প্রধান রেনাটা লক ডেসালিয়েন রোহিঙ্গা ইস্যুতে যে ভূমিকা পালন করেছেন তা সত্যি ভয়াবহতম। তার সেসব কর্মকাণ্ডের ব্যাপারে মুখ খুলছেন তারই সাবেক সহকর্মী ও বিভিন্ন ত্রাণ সংস্থার কর্মকর্তারা।

মিয়ানমারে কাজ করেছেন এমন একজন ত্রাণ কর্মকর্তা ক্যারোলাইন ভ্যানডেনাবিলি জানান, জাতিগত নির্মূলের চেষ্টা কীভাবে শুরু হয়, সে ব্যাপারে প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতা তার আছে। রুয়ান্ডার গণহত্যার আগে ১৯৯৩-৯৪ সালে তিনি সেখানে নিজের চোখে দেখেছেন কী ঘটেছে। তিনি যখন মিয়ানমারে এসে পৌঁছান, তখন সেখানেও এই একই প্যাটার্ন তার চোখে পড়েছে।

বলা বাহুল্য, এর আগে রেনাটা লক ডেসালিয়েন বাংলাদেশেও জাতিসংঘের প্রধান সমন্বয়কারীর দায়িত্ব পালন করেছিলেন। বিবিসি’র জোনাহ ফিশারের প্রতিবেদন।

এ জাতীয় আরও খবর

স্বনির্ভর দেশ গড়তে গ্রামীণ অর্থনীতিতে গুরুত্ব: পানিসম্পদমন্ত্রী

রংপুর জামায়াত দখল করেছে, অভিযোগ রাশেদ খাঁনের

ইরানে দুই হামলায় যুদ্ধাপরাধের অভিযোগ যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে

শনিবার জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হচ্ছে সাড়ে ১২ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস

নভেম্বরে প্রধানমন্ত্রীর দিল্লি সফর চূড়ান্ত করতে ফের আলোচনা: দ্য হিন্দু

তৃণমূলের নাম-প্রতীক নিয়ে মমতা-ঋতব্রতকে নতুন সিদ্ধান্ত কমিশনের

জামায়াতের ৭১-এর ভূমিকা নিয়ে রাজ্জাকের বক্তব্যের গুরুত্ব তুলে ধরলেন আইনমন্ত্রী

শেখ হাসিনা কালকেই আসুন, হাতকড়া দিয়ে রিসিভ করব: বিমানমন্ত্রী

নির্যাতনের অভিযোগে দাম্পত্যে ইতি, থানায় সমঝোতায় সংগীতশিল্পী কনটেন্ট ক্রিয়েটর ইউসুফ রায়হান ও মুন্নির বিবাহ বিচ্ছেদ

আজ প্রথম প্রেম মনে করার দিন

বিশ্ব বাঁশ দিবস আজ

মূল্যস্ফীতি কমার প্রভাব নেই বাজারে