,

দুই দিনে সাত শতাধিক রোহিঙ্গাকে হত্যার অভিযোগ

news-image

আন্তর্জাতিক ডেস্ক :মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে সীমাহীন নারকীয় তাণ্ডব চালাচ্ছে দেশটির সেনাবাহিনী। গত দুই দিনে ওই এলাকায় সাত শতাধিক রোহিঙ্গা মুসলিম নারী-পুরুষ ও শিশুকে হত্যা করেছে বর্বর বার্মিজরা।

বাংলাদেশে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের দাবি, সেদেশের সেনাবাহিনী ও সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিজিপি এ হত্যাযজ্ঞ চালাচ্ছে। গত শুক্রবার রাতে সেখানকার বেশকিছু পুলিশ ফাঁড়িতে আরাকান রোহিঙ্গা স্যালভেশন আর্মির (আরসা) হামলার পর থেকে রবিবারপর্যন্ত মংডুর উত্তরাঞ্চলের গ্রাম রাথিডং, হাতিপা, খোয়ারিপাড়াসহ বেশকিছু গ্রামে এই হত্যাযজ্ঞ চালায় সেনাবাহিনী ও বিজিপি।

লন্ডনভিত্তিক আরাকান রোহিঙ্গা ন্যাশনাল অর্গানাইজেশনের এসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি কো কো লিন ইত্তেফাককে বলেন, আরসার হামলার সাথে সাধারণ রোহিঙ্গাদের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা একদম অসহায়। আরসার হামলার প্রতিশোধ নিতে মিয়ানমার সৈন্যরা নিরীহ রোহিঙ্গাদের উপর গণহত্যা চালাচ্ছে। দুইদিনে সাত’শ রোহিঙ্গাকে হত্যা করা হয়েছে। এখনো থামেনি হত্যাযজ্ঞ। শনি ও রবিবারও বাংলাদেশ অংশে অপেক্ষা করা রোহিঙ্গাদের উপরও গুলি চালিয়েছে বিজিপি।

বাংলাদেশের আইন শৃঙ্খলা বাহিনী রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশের বিষয়টি অস্বীকার করলেও বাস্তবে গত দুইদিনে উখিয়ার কুতুপালং বস্তিতে দুই হাজার রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ করেছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। রবিবার দিনভর উখিয়া উপজেলার সীমান্তবর্তী এলাকা ও কুতুপালং বস্তি পরিদর্শন করে এমন তথ্য পাওয়া গেছে। আবার কয়েকশ রোহিঙ্গা বস্তি পর্যন্ত পৌঁছাতে না পেরে সীমান্তবর্তী এলাকাগুলোতে তাঁবু টাঙিয়ে অথবা খোলা আকাশের নিচে অপেক্ষা করছে। আবার সীমান্তের ওপারে মিয়ানমার অংশেও অন্তত ১০ হাজার রোহিঙ্গা অপেক্ষা করছে।

কুতুপালং রোহিঙ্গা বস্তির পরিচালনা কমিটির একজন নেতা বলেন, অনুপ্রবেশের বিষয়টি যেহেতু বৈধ নয় সেহেতু এটা প্রকাশ্যে বলা যাচ্ছে না। তবে রোহিঙ্গারা যে দলে দলে ঢুকছে সেটা সবাই দেখছে। গত রাতে এক হাজারের বেশি রোহিঙ্গা ঢুকেছে এই বস্তিতে। তার আগের দিন ঢুকেছে অন্তত ৭-৮’শ। টেকনাফ সীমান্তে কড়াকড়ি বেশি থাকায় সবাই এদিকে ঝুঁকছে।

মিয়ানমারে গত শুক্রবার থেকে নতুন করে সহিংসতা শুরুর পর থেকে রোহিঙ্গাদের নির্যাতনের শতশত ভিডিও ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়েছে। এসব ভিডিও এবারের নির্যাতনের ঘটনা কিনা তা নিরপেক্ষ সূত্র থেকে যাচাই করা কঠিন। তবে এগুলোর সঙ্গে অনুপ্রবেশকারী রোহিঙ্গাদের কথার মিল পাওয়া যায়। তেমনই একজন রিজিয়া। তিনি ঘুমধুম এলাকায় অপেক্ষা করছিলেন। এই নারী জানান, তার স্বামীকে মিয়ানমারের সৈন্যরা ধরে নিয়ে গেছে। বাড়ির পেছন দিয়ে তিনি কোনোমতে শিশু সন্তানকে নিয়ে পালিয়ে আসেন। একথা বলতে বলতেই তিনি কান্নায় ভেঙে পড়েন।

এ জাতীয় আরও খবর

হামের উপসর্গে আরও ২ জনের মৃত্যু

অবৈধ অভিবাসনে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি সরকারের

ঘুষ নেওয়ার ভিডিও ভাইরাল, চাঁদপুরে ভূমি অফিসের কর্মচারী বরখাস্ত

সিইসির পদত্যাগের দাবিতে ভারতের সুপ্রিম কোর্ট অভিমুখে বিরোধীদের মিছিল

অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তা দেবাশীষ ও গুলশান আরার ৪ দিনের রিমান্ড

ধর্ম নয়, নাগরিক হিসেবে সবার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে চাই: প্রধানমন্ত্রী

অর্থনীতিতে নোবেল পেলেন দুই মার্কিন অর্থনীতিবিদ

বৃহস্পতিবার-শুক্রবার সারাদেশে এলপিজি বিক্রি বন্ধ

ঢালিউড অ্যাওয়ার্ডে সেরা নায়ক শাকিব

জাতীয় পার্টির ব্যানারে আওয়ামী লীগ সংগঠিত হচ্ছে: আবু হানিফ

জনপ্রশাসন সংস্কারে ইউএনডিপির সহযোগিতা চাইলেন ইসমাইল জবিউল্লাহ

ইইউতে কর্মী পাঠানো নিয়ে মাহ্দী আমিনের সঙ্গে বৈঠক