,

বন্যায় সব হারিয়ে দিশেহারা চিলমারীর বানভাসিরা

news-image

নিজস্ব প্রতিবেদক : বন্যা ও ভাঙ্গনকবলিত এলাকা চিলমারী। পানি বাড়লেও বিপদ কমলেও বিপদ আর বিপদের উপর চলাই যেন তাদের জীবন। আর ব্রহ্মপুত্র নদের তীরবর্তীদের সব সময় কাটে অসহায় জীবন। পানি নেমে গেলেও দুর্গত মানুষের মাঝে স্বস্তি ফেরেনি। নতুন করে দেখা দিয়েছে ভাঙ্গন। তারা আশ্রয়স্থল থেকে ফিরেই দেখছেন সহায়সম্পদের বিধ্বস্ত অবস্থা। অনেকে ফিরলেও খুঁজে পায়নি ভিটামাটি। এতে দুচোখে অন্ধকার দেখছেন অনেকেই।

বন্যা গেলেও দুঃখ যায়নি কুড়িগ্রামের চিলমারীর মানুষের। অনেকে আহাজারি করছেন, ‘চোখত আন্দার দেখছি বাহে, কী করমু, কনটে যামু। সবই বানোত গেইছে। থাকমু কই, খামু কি?’ হামার এলা কি হইবে। ধ্বংস স্তুপ ও নদীর কিনারায় বসেও অনেককে চোঁখের পানি ফেলাতেও দেখা গেছে।

চিলমারী, নয়ারহাট, অষ্টমীরচর, রমনা ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকার সাবেদা (মনতোলা), হালিমাসহ কথা হয় অনেকের সাথে কথা বলতে গেলেই ঝরছে তাদের চোখের পানি। সব হারিয়ে তাদের মতো অনেকে এখন পথের ফকির। ঠাঁই হয়েছে অন্যের জায়গায় অথবা আশ্রয়ন প্রকল্পের মাঠে।

জানা গেছে, চিলমারী উপজেলার বানভাসীরা আশ্রয়স্থল থেকে ঘরে ফেরা শুরু করলেও তাদের দুর্ভোগের শেষ নেই। রাস্তাঘাট, ফসল, ঘরের চালচুলা সব বন্যায় ভেসে গেছে, ভেঙ্গে গেছে ভিটামাটি, বালিতে চাপা পড়েছে ঘরবাড়ি। নতুন করে সংসার শুরু করতে তাদের হাহাকার করতে হচ্ছে।

সরেজমিন দেখা গেছে, সড়ক পথজুড়ে অসংখ্য ক্ষতচিহ্ন। কোথাও উঠে গেছে ইট, পাথর। দেখা যাচ্ছে অসংখ্য খানাখন্দক। কোথাও ভেঙ্গে খণ্ড খণ্ড হয়ে গেছে সড়ক। ভেসে গেছে পাকা সড়কের মাটিও। সেখানে গভীর গর্তে তৈরি হয়েছে জলাবদ্ধতা। ভেঙ্গে গেছে বিভিন্ন কাঁচা পাকা সড়ক। এই ধংসযজ্ঞকে সামনে রেখে দুর্গতরা কেবলই আহাজারি করছেন।

কেবল চিলমারী উপজেলাতেই বন্যায় প্রায় ৫০ লাখ টাকার ফসলাদির ক্ষতি হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত ফসলের মধ্যে বেশি রয়েছে পাট, বীজতলা, রোপা আমনের আবাদি জমি এবং বিভিন্ন ধরনের শাকসবজি।

কৃষি অফিস বলছে, বেশিরভাগ এলাকার ফসল ও জমির ক্ষেত একেবারে নষ্ট হয়েছে। চাষিদের নতুন করে আবারও মাঠে নামতে হবে। কৃষকদের সরকারিভাবে ক্ষতি পুষিয়ে নিতে সহযোগিতা করা হবে।

দেখা গেছে, বন্যাপরবর্তী নদীর তীর ও চরাঞ্চলের লোকজন গৃহস্থালির রকমারি কাজে ব্যস্ত সময় পার করছেন। কেউবা ঘরদরজা মেরামত করছেন, আবার কেউবা বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ফসলাদি উদ্ধারে নাওয়া খাওয়া ছেড়েছেন। অনেকে সব হারিয়ে কান্নাকাটি করছেন।

স্থানীয়রা জানিয়েছেন, উপজেলার ৬টি ইউনিয়নেই বন্যার পানি ঢুকে পরায় বিভিন্নভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। হাজার হাজার মানুষের ঘর দরজা, ফসলাদি ও উর্বর চরাভূমিতে বালির চর পড়ে চাষাবাদের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে।

এ জাতীয় আরও খবর

নবীনগরে গাড়ির ধাক্কায় বেকারি লাইনম্যান তামিম নিহত

পদোন্নতি পেয়ে অতিরিক্ত আইজিপি হলেন ৫ ডিআইজি

যেভাবে সময় কাটছে বুবলীর

তপ্তদহনে পুড়ছে মানুষ, কমছে কর্মঘণ্টা, ক্ষয়ে যাচ্ছে জিডিপি

২২ দিনে রেমিট্যান্স এলো ২৬ হাজার ৪২০ কোটি টাকা

অ্যাভোকাডো খাওয়া যে কারণে উপকারী

পাড্ডিক্যালের সেঞ্চুরিতে বড় সংগ্রহের পথে ভারত

নতুন রূপে আসছে শাকিবের ‘অপারেশন অগ্নিপথ’

বাংলাদেশের ভুতুড়ে ব্যাটিংয়ে ম্যাকাইয়ে রেকর্ডের ছড়াছড়ি

ডেঙ্গুতে ৫ মৃত্যু, হাসপাতালে ৮৩৯

নবীনগরে ‘হোপ’-এর উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি ও আলোচনা সভা

রোহিঙ্গাদের মানবাধিকার রক্ষায় মিয়ানমারকে অবশ্যই কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে