,

জেনেভায় মানবাধিকার কাউন্সিলে রোহিঙ্গা পরিস্থিতি জানাবে বাংলাদেশ

news-image

মানবাধিকার কাউন্সিলের ইউনিভার্সাল পিরিওডিক রিভিউ’তে (ইউপিআর) রোহিঙ্গা বিষয়ে বাংলাদেশ জোরালো মতামত দেবে। রবিবার সকালে পররাষ্ট্র সচিব এম শহীদুল হক সরকারি কর্মকর্তাদের জন্য আয়োজিত ইউনিভার্সাল পিরিওডিক রিভিউ বিষয়ক এক কর্মশালায় বলেন, ‘এবারের রিভিউতে রোহিঙ্গা বিষয়ে আলোচনা হবে এবং এ বিষয়ে আমাদের জোরালো মতামত থাকবে।’

তিনি জানান, গতবার ২০১৩ সালের ইউনিভার্সাল পিরিওডিক রিভিউতেও রোহিঙ্গা বিষয়ে আলোচনা হয়েছিল এবং বাংলাদেশ এ বিষয়ে মতামত দিয়েছিল। মিয়ানমারে সামরিক বাহিনীর অত্যাচারে বাংলাদেশে প্রায় তিন লাখের মতো রোহিঙ্গা পালিয়ে এসে আশ্রয় নিয়েছে।

জেনেভাতে আগামি বছরের মে মাসে তৃতীয়বারের বাংলাদেশের মানবাধিকার পরিস্থিতির পর্যালোচনা হবে জানিয়ে সচিব আরও বলেন, ‘বাংলাদেশের প্রথম রিভিউ হয়েছিল ২০০৯ সালে যেখানে ৪৫টি দেশ বাংলাদেশের মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন করেছিল। এরপর ২০১৩ সালে দ্বিতীয় পর্যালোচনায় ৯৫টি দেশ বাংলাদেশের মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন করেছিল এবং এবারে এই সংখ্যা বাড়তে পারে।’

পররাষ্ট্র সচিব বলেন, ‘মানবাধিকার পরিস্থিতি উন্নয়নে বাংলাদেশ সরকার প্রতিশ্রতিবদ্ধ এবং এ জন্য আমরা কাজ করে যাচ্ছি। ইউনিভার্সাল পিরিওডিক রিভিউয়ের মোট সাতটি রিপোর্টের মধ্যে পাচঁটি রিপোর্ট বাংলাদেশ ইতিমধ্যে জমা দিয়ে দিয়েছে।’

পররাষ্ট্র সচিব বলেন, ‘সামনের বছরের ইউনিভার্সাল পিরিওডিক রিভিউ বাংলাদেশের জন্য কঠিন হবে। এটি কোনও দেশের জন্য সহজ নয়, আমাদের জন্যও সহজ হবে না। যখন একটি দেশ আরেকটি দেশকে প্রশ্ন করে তখন বিভিন্ন অবস্থান থেকে মানবাধিকার পরিস্থিতি বিবেচনা করে প্রশ্ন করে এবং এর উত্তর সঙ্গে সঙ্গে দিতে হয় বলে এটি অত্যন্ত কঠিন।’

তিনি বলেন, ‘এই গোটা প্রক্রিয়াটি একটি রাজনৈতিক প্রক্রিয়া কারণ যখন একটি দেশ আরেকটি দেশকে প্রশ্ন করে তখন সেটি পুরোপুরি রাজনৈতিকধর্মী হয়।’

এবারের রিভিউতে আইন-বহির্ভূত হত্যাকাণ্ড বিষয়টি আলোচিত হবে বলে তিনি জানান। তিনি বলেন, ‘এই বিষয়টি এবার আসবে। আমরা আশা করি আমাদের সঠিক উত্তর এ প্রেক্ষাপটে হবে।’

পররাষ্ট্র সচিব জানান, ২০১৩ সালের রিভিউতে বাংলাদেশের মানবাধিকার পরিস্থিতি উন্নয়নের জন্য সব মিলিয়ে ১৯৬টি সুপারিশ করা হয়েছিল এবং এর মধ্যে পাচঁটি সুপারিশ বাংলাদেশ গ্রহণ করেনি। এই পাচঁটি সুপারিশ করা হয়েছিল মৃত্যুদণ্ড রহিত এবং সমকাম বিষয়ক।

বাংলাদেশের স্থানীয় আইনে মৃত্যুদণ্ড প্রচলিত আছে, সে কারণে এ সংক্রান্ত সুপারিশ বাংলাদেশ গ্রহণ করেনি। এছাড়া বাংলাদেশের সামাজিক, ধর্মীয় ও রাজনৈতিক ধারণা সমকামিতা সমর্থন করে না এবং বাংলাদেশ জেনেভাতে পরিস্কার জানিয়ে এসেছে তাদের পক্ষে এ সুপারিশ গ্রহণ করা সম্ভব নয়।

এ জাতীয় আরও খবর

নবীনগরে গাড়ির ধাক্কায় বেকারি লাইনম্যান তামিম নিহত

পদোন্নতি পেয়ে অতিরিক্ত আইজিপি হলেন ৫ ডিআইজি

যেভাবে সময় কাটছে বুবলীর

তপ্তদহনে পুড়ছে মানুষ, কমছে কর্মঘণ্টা, ক্ষয়ে যাচ্ছে জিডিপি

২২ দিনে রেমিট্যান্স এলো ২৬ হাজার ৪২০ কোটি টাকা

অ্যাভোকাডো খাওয়া যে কারণে উপকারী

পাড্ডিক্যালের সেঞ্চুরিতে বড় সংগ্রহের পথে ভারত

নতুন রূপে আসছে শাকিবের ‘অপারেশন অগ্নিপথ’

বাংলাদেশের ভুতুড়ে ব্যাটিংয়ে ম্যাকাইয়ে রেকর্ডের ছড়াছড়ি

ডেঙ্গুতে ৫ মৃত্যু, হাসপাতালে ৮৩৯

নবীনগরে ‘হোপ’-এর উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি ও আলোচনা সভা

রোহিঙ্গাদের মানবাধিকার রক্ষায় মিয়ানমারকে অবশ্যই কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে