,

দুবাইয়ে ভাইয়ের কাছে ইংলাক সিনাওয়াত্রা

news-image

আন্তর্জাতিক ডেস্ক :থাইল্যান্ডের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইংলাক সিনাওয়াত্রার খোঁজ মিলেছে। তিনি দেশ ছেড়ে দুবাইয়ে চলে গেছেন। ইংলাকের রাজনৈতিক দল থাই পুয়ে পার্টির এক জ্যেষ্ঠ নেতা শনিবার একথা নিশ্চিত করেছেন।

থাই পুয়ে পার্টির ওই নেতা বলেন, গত সপ্তাহে ইংলাক সিনাওয়াত্রা থাইল্যান্ড ছাড়েন। সিঙ্গাপুর হয়ে তিনি দুবাই যান। তার ভাই, থাইল্যান্ডের সাবেক প্রধানমন্ত্রী থাকসিন সিনাওয়াত্রা ২০০৮ সালের একটি দুর্নীতি মামলায় কারাদণ্ড এড়াতে স্বেচ্ছা-নির্বাসনে দুবাইয়ে রয়েছেন।

থাই পুয়ে পার্টির এ নেতার সংবাদমাধ্যমের সাথে কথা বলার অনুমতি নেই। তাই নাম প্রকাশ না করার শর্তে তিনি বলেন, ‘আমরা শুনেছি তিনি থাইল্যান্ড থেকে প্রথমে কম্বোডিয়া যান। সেখানে থেকে সিঙ্গাপুর হয়ে দুবাই যান। তিনি নিরাপদেই সেখানে পৌঁছেছেন এবং সেখানেই আছেন।

অন্যদিকে, ডেপুটি ন্যাশনাল পুলিশ চিফ জেনারেল স্রিভারা রাংসিব্রাহ্মনাকুল বলেন, ইংলাক দেশ ছেড়েছেন, পুলিশের কাছে এমন কোনো রেকর্ড নেই।

শুক্রবার ইংলাকের বিরুদ্ধে চালে ভর্তুকি কর্মসূচিতে অবহেলার ঘটনায় করা মামলার রায়ের দিন ধার্য ছিল। সকালে আদালত জানায়, ইংলাক আদালতকে জানিয়েছেন, কানের সমস্যার কারণে আদালতে উপস্থিত হতে পারবেন না তিনি। পরে আগামী ২৭ সেপ্টেম্বর রায়ের নতুন দিন ধার্য করেন দেশটির সর্বোচ্চ আদালত। এছাড়া, তিনি দেশ থেকে পালিয়ে যেতে পারেন এমন আশংকায় তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হয়।

পরে জানা যায়, ইংলাক সিনাওয়াত্রা দেশ ছেড়েছেন। ইংলাকের রাজনৈতিক দল পুয়ে থাই পার্টির সঙ্গে ঘনিষ্ঠ একটি সূত্র জানায়, ব্যাংককে সুপ্রিম কোর্টের রায় ঘোষণার আগেই অপ্রত্যাশিতভাবে ইংলাক দেশ ত্যাগের সিদ্ধান্ত নেন। তবে তিনি কোথায় গেছেন তা জানাননি ওই ব্যক্তি।

থাইল্যান্ডের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ২০১১ সালে ক্ষমতায় বসেন ইংলাক। তিনি দেশটির স্বেচ্ছা-নির্বাসিত সাবেক প্রধানমন্ত্রী থাকসিন সিনাওয়াত্রার বোন। চালে ভর্তুকির কর্মসূচিটি ছিল তার প্রশাসনের প্রধান একটি নীতি। ওই কর্মসূচিতে কৃষকদের কাছ থেকে বাজারমূল্যের চেয়ে ৫০ শতাংশ বেশি মূল্যে ধান কেনা হয়।

এ কর্মসূচির কারণে দেশটিতে চালের বিশাল মজুত সৃষ্টি হয়। সেই সাথে লোকসান হয় ৮০০ কোটি ডলার। লোকসানের পর তার বিরুদ্ধে ওই কর্মসূচিতে অবহেলার অভিযোগ ওঠে। অবশ্য, বরাবরই এ অভিযোগ অস্বীকার করে আসছেন ইংলাক। তিনি বলেন, ওই কর্মসূচির দৈনন্দিন ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে তিনি ছিলেন না।

২০১৫ সালের জানুয়ারিতে ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ অস্বীকার করে পার্লামেন্টে দাঁড়িয়ে ইংলাক বলেন, ‘আমি সততার সঙ্গে আইন অনুযায়ী সরকার পরিচালনা করেছি।’ তিনি বলেন, উৎপাদনকারী কৃষকদের চালের মূল্য হ্রাসের নেতিবাচক প্রভাব এবং ঋণ থেকে মুক্তি দিতে তিনি এ ভর্তুকি প্রকল্প চালু করেন। ইংলাকের দাবি, তার এ পদক্ষেপে ১৮ লাখ কৃষক উপকৃত হয়।

২০১৪ সালের ২২ মে সেনাবাহিনী ক্ষমতা দখল করার মাত্র কয়েক দিন আগে আদালতের এক বিতর্কিত আদেশে ক্ষমতাচ্যুত হন ইংলাক সিনাওয়াত্রা। সূত্র: বিবিসি

এ জাতীয় আরও খবর

স্বনির্ভর দেশ গড়তে গ্রামীণ অর্থনীতিতে গুরুত্ব: পানিসম্পদমন্ত্রী

রংপুর জামায়াত দখল করেছে, অভিযোগ রাশেদ খাঁনের

ইরানে দুই হামলায় যুদ্ধাপরাধের অভিযোগ যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে

শনিবার জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হচ্ছে সাড়ে ১২ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস

নভেম্বরে প্রধানমন্ত্রীর দিল্লি সফর চূড়ান্ত করতে ফের আলোচনা: দ্য হিন্দু

তৃণমূলের নাম-প্রতীক নিয়ে মমতা-ঋতব্রতকে নতুন সিদ্ধান্ত কমিশনের

জামায়াতের ৭১-এর ভূমিকা নিয়ে রাজ্জাকের বক্তব্যের গুরুত্ব তুলে ধরলেন আইনমন্ত্রী

শেখ হাসিনা কালকেই আসুন, হাতকড়া দিয়ে রিসিভ করব: বিমানমন্ত্রী

নির্যাতনের অভিযোগে দাম্পত্যে ইতি, থানায় সমঝোতায় সংগীতশিল্পী কনটেন্ট ক্রিয়েটর ইউসুফ রায়হান ও মুন্নির বিবাহ বিচ্ছেদ

আজ প্রথম প্রেম মনে করার দিন

বিশ্ব বাঁশ দিবস আজ

মূল্যস্ফীতি কমার প্রভাব নেই বাজারে