,

২০২১ সালের পর ‘একটি বাড়ি একটি খামার’ প্রকল্প থাকবে না

news-image

নিজস্ব প্রতিবেদক : ২০২১ সালের পর ‘একটি বাড়ি একটি খামার’ প্রকল্প আর থাকবে না বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। অর্থমন্ত্রী বলেন, সারা দেশের মানুষকে ‘একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্প’ আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে। এখনও সবাই এর আওতাভুক্ত হয়নি। তবে আশা করা হচ্ছে সবাই শিগগিরই এর অন্তর্ভুক্ত হয়ে যাবে। তখন এটার আর প্রয়োজন হবে না। অর্থাৎ ২০২০-২০২১ সালে এ প্রকল্প আর থাকবে না। তখন ‘একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্প’ এর কার্যক্রম পল্লী সঞ্চয় ব্যাংকের মাধ্যমে চলবে।

বৃহস্পতিবার অর্থ মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে পল্লী সঞ্চয় ব্যাংকের অনলাইন ব্যাংকিং কার্যক্রম উদ্বোধনকালে তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন, অর্থ বিভাগের সিনিয়র সচিব হেদায়েতুল্লাহ আল মামুন, আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সিনিয়র সচিব মো. ইউনুসুর রহমান, পল্লী সঞ্চয় ব্যাংকের চেয়ারম্যান মিহির কান্তি দাস প্রমুখ।

তিনি বলেন, ১৯৮৩ সাল থেকে ২০১৬ সাল সময়ে দেশের মানুষের মধ্যে সঞ্চয়মুখী মনোভাব গড়ে উঠেছে। এটা দেশের অর্থনীতিতে একটা বড় পরিবর্তন। মুহিত বলেন, ক্ষুদ্র ঋণ বলতে এখন আর কিছু নেই। এখন মানুষ গ্রুপভিত্তিক ঋণ নেয়। এসব ঋণ নিয়ে যৌথভাবে কৃষি ব্যবসা করে।

অর্থমন্ত্রী আরো বলেন, পল্লী সঞ্চয় ব্যাংকের ৪৮৫ শাখাকে অনলাইনে রুপান্তরিত করা হয়েছে। এটা খুবই ভালো খবর। বাংলাদেশে আর কোনো ব্যাংক এত বড় কার্যক্রম গ্রহণ করতে পারেনি।

ড. মিহির কান্তি মজুমদার বলেন, কোনো ব্যাংক ৮ শতাংশ সুদে ঋণ দিতে পারে না। কিন্তু পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক ৮ শতাংশ সুদে ঋণ দিয়ে থাকে। এ ব্যাংকটি মৌসুমী ঋণও দিয়ে থাকে। পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক ভবিষ্যতে ইউনিয়ন পর্যায়েও শাখা নিয়ে যেতে চায়।

এ জাতীয় আরও খবর

নবীনগরে গাড়ির ধাক্কায় বেকারি লাইনম্যান তামিম নিহত

পদোন্নতি পেয়ে অতিরিক্ত আইজিপি হলেন ৫ ডিআইজি

যেভাবে সময় কাটছে বুবলীর

তপ্তদহনে পুড়ছে মানুষ, কমছে কর্মঘণ্টা, ক্ষয়ে যাচ্ছে জিডিপি

২২ দিনে রেমিট্যান্স এলো ২৬ হাজার ৪২০ কোটি টাকা

অ্যাভোকাডো খাওয়া যে কারণে উপকারী

পাড্ডিক্যালের সেঞ্চুরিতে বড় সংগ্রহের পথে ভারত

নতুন রূপে আসছে শাকিবের ‘অপারেশন অগ্নিপথ’

বাংলাদেশের ভুতুড়ে ব্যাটিংয়ে ম্যাকাইয়ে রেকর্ডের ছড়াছড়ি

ডেঙ্গুতে ৫ মৃত্যু, হাসপাতালে ৮৩৯

নবীনগরে ‘হোপ’-এর উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি ও আলোচনা সভা

রোহিঙ্গাদের মানবাধিকার রক্ষায় মিয়ানমারকে অবশ্যই কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে