,

হজ পালনকারীদের মিনায় কংকর নিক্ষেপের সহিহ পদ্ধতি

news-image

ইসলাম ধর্ম ডেস্ক : আরাফাতের ময়দান থেকে মুজদালিফায় গিয়ে রাতে অবস্থান করা সুন্নাত। আর ১০ জিলহজ ফজরের নামাজের পর থেকে সূর্য ওঠার আগ পর্যন্ত সময়ের মধ্যে কিছু সময় অবস্থান করা ওয়াজিব।

অতঃপর সূর্য ওঠার আগেই মুজদালিফা থেকে মিনার (১০ জিলহজ) উদ্দেশে কংকর নিক্ষেপে রওয়ানা হতে হবে। মুজদালিফা থেকে যাওয়ার পথে প্রত্যেক হাজি ছোট ছোট পাথর সংগ্রহ করতে হবে।

১০ জিলহজ
প্রথম দিন শুধুমাত্র বড় জামারাতে কংকর নিক্ষেপ করতে হবে। তিন ধাপে মিনায় মসজিদে খায়েফের সন্নিকটে অবস্থতি জামরায়ে উলা তথা বড় জামরায় কংকর মারা শুরু করবে। অতঃপর ৭টি কংকর একের পর এক নিক্ষেপ করতে হবে।

স্মরণ রাখতে হবে-
বড় জামরাতে কংকর নিক্ষেপের পর ক্বিরান ও তামাত্তু হজ আদায়কারীরা কুরবানি করবে। (ওয়াজিব) অতঃপর হাজিগণ মাথা মুণ্ডন করবে। মাথা মুণ্ডনের ফলে হাজিগন (স্ত্রীর সহবাস ছাড়া সবকিছু) হালাল হয়ে যাবেন।

অতপর তাওয়াফে ইযাফা বা তাওয়াফে যিয়ারাত আদায় করতে মক্কায় কাবা শরিফে যেতে হবে। এ তাওয়াফ ১২ জিলহজ সূর্যাস্তের আগ পর্যন্ত করা যাবে। যারা এ তাওয়াফ আদায় করবে তারা পরিপূর্ণ হালাল হয়ে যাবে এবং সব কাজ করতে পারবে।

অতঃপর যারা আগে সাঈ করে নাই, তারা তাওয়াফে জিয়ারাতের পরপরই সাঈ আদায় করে নিবে।

১১ ও ১২ জিলহজ
ইফরাদ, ক্বিরান ও তামাত্তু হজ আদায়কারীরা ১১ ও ১২ জিলহজ উভয় দিন প্রথমে ছোট জামরায় কংকর মারা শুরু করবে এবং একের পর এক সাতটি কংকর মারবে।

তারপর মধ্যম জামরায়ও একইভাবে সাতটি কংকর নিক্ষেপ করবে এবং সর্বশেষ বড় জামরায় কংকর মারার মাধ্যমে মিনায় কংকর মারার ওয়াজিব কাজ সম্পন্ন করবেন।

যেভাবে কংকর নিক্ষেপ করতে হবে

– প্রথম জামরা
কংকর মারার পর কিছুটা পিছনে সরে আসবে এবং জামরাকে (কংকর মারার স্থান) বাম দিকে রেখে ক্বিবলামুখী হয়ে দুই হাত উত্তোলন করে করুণ আবেদন-নিবদনের মাধ্যমে আল্লাহ তআলার নিকট দোয়া করতে থাকা।

– দ্বিতীয় জামরা
কংকর মারার পর কিছুটা সম্মুখের দিকে সরে যাবে এবং জামরাকে (কংকর মারার স্থান) ডান দিকে এবং ক্বিবলাকে সম্মুখে রেখে দুই হাত উত্তোলন করে করুণ আবেদন-নিবদনের মাধ্যমে আল্লাহ তআলার নিকট দোয়া করতে থাকা।

– তৃতীয় জামরা
তৃতীয় জামরায় কংকর নিক্ষেপ করবে কিন্তু সেখানে দাঁড়ানো যাবে না এবং দোয়া না করে শুধু কংকর নিক্ষেপ করে চলে আসা।

অতঃপর…
যারা ১১ ও ১২ জিলহজ কংকর নিক্ষেপ করে মিনা ত্যাগ করবে তাদের জন্য সূর্যাস্তের পূর্বেই মিনা ত্যাগ করা উত্তম।

আর যারা ১২ জিলহজ সুর্যাস্তের পর মিনায় অবস্থান করবে তারা সেখানে অবস্থান করবে এবং ১৩ জিলহজও মিনার জামরাতে কংকর নিক্ষেপ করবে। আর তৃতীয় দিবসে কংকর নিক্ষেপ করা উত্তম এবং অধিক সাওয়াবের কাজ।

কারণ রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম লোকদেরকে ১২ তারিখ চলে যাওয়া বৈধ বললেও তিনি নিজে ১২ জিলহজ না যেয়ে ১৩ জিলহজ পর্যন্ত অপেক্ষা করে ঐ দিন দ্বিপ্রহরের পর সব জামরায় কংকর নিক্ষেপ করে জোহর নামাজ আদায় না করেই মিনা ত্যাগ করেছিলেন।

সুতরাং আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহর সব হজপালনকারীদের উল্লেখিত দিনগুলোতে মাসনুন পদ্ধতিতে কংকর নিক্ষেপ করার তাওফিক দান করুন। আমিন।

এ জাতীয় আরও খবর

নবীনগরে গাড়ির ধাক্কায় বেকারি লাইনম্যান তামিম নিহত

পদোন্নতি পেয়ে অতিরিক্ত আইজিপি হলেন ৫ ডিআইজি

যেভাবে সময় কাটছে বুবলীর

তপ্তদহনে পুড়ছে মানুষ, কমছে কর্মঘণ্টা, ক্ষয়ে যাচ্ছে জিডিপি

২২ দিনে রেমিট্যান্স এলো ২৬ হাজার ৪২০ কোটি টাকা

অ্যাভোকাডো খাওয়া যে কারণে উপকারী

পাড্ডিক্যালের সেঞ্চুরিতে বড় সংগ্রহের পথে ভারত

নতুন রূপে আসছে শাকিবের ‘অপারেশন অগ্নিপথ’

বাংলাদেশের ভুতুড়ে ব্যাটিংয়ে ম্যাকাইয়ে রেকর্ডের ছড়াছড়ি

ডেঙ্গুতে ৫ মৃত্যু, হাসপাতালে ৮৩৯

নবীনগরে ‘হোপ’-এর উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি ও আলোচনা সভা

রোহিঙ্গাদের মানবাধিকার রক্ষায় মিয়ানমারকে অবশ্যই কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে