,

ব্রাহ্মণবড়িয়ায় ওভারপাস সড়কটি ভূমিদস্যুদের দখলে

news-image

বিশেষ প্রতিনিধি : ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় শহরের যানজট নিরসনে রেলওয়ে ওভারপাস নির্মান কাজ  চলছে। ওভারপাস নির্মানে মৌড়াইলের ডাকবাংলো থেকে ফারুকী বাজার পর্যন্ত সড়কের দুপাশে  ভূমি অধিগ্রহন শেষে নির্মান কাজ শুরুর পর জেলা পরিষদের সামনের পশ্চিম পাশে কালীবাড়ী মোড় পর্যন্ত ৩শ ফুট জায়গা অধিগ্রহনে কয়েকটি  বহুতল ভবনকে রক্ষা করতে রহস্যজনক কারনে ভবনগুলোর সামনের সরকারী ভূমি অধিগ্রহন না  করায় ফ্লাইওভার ও নীচের সড়ক সরু ও বাকা হয়ে যাওয়ায় এর সুফল থেকে বঞ্চিত হবে সাধারন মানুষ। সংশ্লিষ্টরা  বলছে,  দখলকৃত জায়গা উদ্ধার ও অবমুক্ত করা গেলে ওভারপাশের কাজ আরো ভাল হতো, সুফল পেত সাধারন মানুষ ।

শহরের যানজট নিরসনে ২০১৬ সালের মার্চ মাস থেকে ব্রহ্মণবাড়িয়ায়  সড়ক ও জনপথ বিভাগের উদ্যোগে ৭৬০ মিটার দৈর্ঘ্য ৭৯ কোটি টাকা ব্যায়ে শহরের  রেলওয়ে ওভারপাসের নির্মান কাজ শুরু হয়। এর নির্মান কাজে জেলা পরিষদ, সরকারী ও ব্যাক্তিমালিকানাধীন সাড়ে ৩২ শতাংশ ভুমি অধিগ্রহন করা হয়। ওভারপাসের নির্মান কাজ শুরু হলে ও রেলগেইট থেকে কালীবাড়ী মোড় পর্যন্ত জেলা পরিষদের ভূমির কিছু অংশ দখল মুক্ত করা হলেও জেলা পরিষদের চিহ্নিত খাস ভূমি  দখলমুক্ত করা সম্ভব হয়নি। জেলা পরিষদের দখলকৃত খাস ভূমি ছেড়ে দিতে ভবন মালিকদের কয়েক দফা নোটিশ দেয়ার পরও দখলকৃত ভূমি না ছেড়ে সরকারী জায়গা দখল করে বহুতল বিশিষ্ট ইমারত নির্মান করা হয়। এদিকে ওভারপাস নির্মান কাজের জন্য ব্যক্তি মালিকানাধীন জায়গা অধিগ্রহন করা হয়।  তবে বহুতল বিশিষ্ট ভবনের সামনের সরকারী দখলকৃত জায়গা উদ্ধার না করে সড়কের ডিজাইন পাল্টে বাকা করে ফেলা হয়েছে। এতে ফ্লাইওভার ও সড়ক সংকুচিত হয়ে সুন্দর্য নষ্ট হয়েছে যেমন তেমনি যানজটের দূর্ভোগ থেকেই যাবে। এলাকাবাসীর দাবী গুটি কয়েক লোকের স্বর্থে প্রধান মন্তীর অগ্রাধিকার প্রকল্পটির যেন সুন্দর্যহানি না হয় মানুষ যাতে এর সুফল ভোগ করতে পারে সেজন্য  পশ্চিমাংশের রেল গেইট থেকে কালীবাড়ী মোড় পর্যন্ত এলাকার সরকারী দখলকৃত ভূমিতে নির্মিত বহুতল বিশিষ্ট ব্যাক্তি মালিকানাধীন ভবনগুলোকে উচ্ছেদ করে ফ্লাইওভার ও সড়কের নকশা অনুযায়ী কাজ করা হোক ।তানাহলে যানজট নিরসনে কতটা সুফল পাওয়া যাবে এনিয়ে রয়েছে নানাপ্রশ্ন ।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া সড়ক ও জনপথ বিভাগের প্রকৌশলী আবু এহতেশাম রাশেদ বলেন,  দখলকৃত কোন জায়গা পাওয়া গেলে সড়কের প্রসস্থতা বৃদ্ধি পেত এতে সুফল পেত সাধারন মানুষ।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান শফিকুল আলম বলেন,জেলা পরিষদের জায়গা কেউ দখল করে থাকলে আমরা তা উদ্ধারের ব্যবস্হা করব।

এ জাতীয় আরও খবর

ড্রেজারের পাইপ ও পরিত্যক্ত সেতুতে বন্ধ নদীপথ, প্রতিমা পরিবহনে চরম ভোগান্তি

অটোরিকশা নিয়ে নতুন পরিকল্পনা, কতটা কার্যকর হবে?

বিয়ের জন্য যেমন ছেলে চান মিমি

ঢাকায় দিনের তাপমাত্রা কমতে পারে

ডিমের বাজারে মধ্যস্বত্বভোগীর দাপট, জিম্মি খামারি-ভোক্তা

সবজির বাজারে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ার প্রভাব

দেশের বাজারে বাড়ল স্বর্ণের দাম

আফগানিস্তানের বিপক্ষে ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশ

সবুজ সংকেত রূপপুরে, প্রতিকূলতা পেরিয়ে জ্বলল আশার আলো

বিমানবন্দরে আটকে দেওয়া হয়েছে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের নেতা মাহদীকে

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন ‘অবশ্যই সম্ভব’: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

আমরা ভারতবিরোধী না: আসিফ মাহমুদ