,

ওজন নিয়ন্ত্রণে আপনাকে শুধু এই ছয়টি কাজ করতে হবে

news-image

স্বাস্থ্য ডেস্ক : অনেকে হয়তো দীর্ঘদিন ধরে ওজন কমানোর জন্য কঠোর চেষ্টা করেও হয়তো সাফল্য অর্জন করতে পারছেন না। বা সফলতা আসার পর আবার তা ধরে রাখতে পারছে না। অথবা ওজন কমাতে গিয়ে ডায়েটিং করে আবার স্বাস্থ্য নষ্ট করে ফেলছেন। এসব সমস্যায় যাতে না পড়তে হয় তার জন্য আপনাকে এই ছয়টি কাজ করতে হবে…

১. আপনার জন্য সঠিক ব্যায়ামটি বাছাই করুন
আপনার বন্ধু করে সুফল পেয়েছেন এমন কোনো ব্যায়াম নয় বরং আপনার নিজের জন্য কোনটি বেশি ভালো লাগে সেটি বাছাই করুন। এর জন্য দরকার হলে একটু পরীক্ষা-নিরীক্ষাও করে নিতে পারেন। কেননা তা আপনাকে ধারবাহিকভাবে করে যেতে হবে। কিন্তু এই ধারবাহিকতায় ছেদ পড়বে যখন আপনি নিজে পছন্দ করেন না এমন কিছু করতে যাবেন। কারণ শেষেশেষ আপনি তা একটা সময়ে গিয়ে করা বন্ধ করে দিবেন। ফলে আপনার ওজন নিয়ন্ত্রণের প্রকল্পও থমকে যাবে।

২. স্বাস্থ্যকর অভ্যাস গড়ে তুলুন
ওজন কমানোর যাত্রায় আপনি যেসব করবেন সেসবকে স্থায়ী অভ্যাসে পরিণত করার চেষ্টা করুন। প্রতিদিন হাঁটুন।

প্রতিদিন রাতের বেলায় তাড়াতাড়ি এবং হালকা খাবার খান। বলা হয় আপনি যদি টানা ২১ কোনো কাজ করতে পারেন তাহলে তা একটি স্থায়ী অভ্যাসে পরিণত হবে। সুতরাং একবারে কোনো একটি কাজ বাছাই করুন এবং সেটিকে অভ্যাসে পরিণত না করা পর্যন্ত পরের কাজটি করবেন না।
৩. প্রোটিন বেশি খান
আমাদের দেশের জনস্বাস্থ্যে প্রোটিন ঘাটতি অনেক বেশি, প্রায় ৭৫%। কারণ আমাদের খাবার খাওয়ার সময় মূলত কার্বোহাইড্রেটের ওপর বেশি গুরুত্ব দেই। কিন্তু প্রোটিন ওজন নিয়ন্ত্রণে দীর্ঘয়াদে সহায়ক ভুমিকা পালন করে। কারণ প্রোটিন হজম হতে অনেক সময় লাগে। ফলে দীর্ঘক্ষণ ক্ষুধামুক্ত থাকা যায় এবং হজমপ্রকিয়াকে দীর্ঘক্ষণ সচল রাখতে গিয়ে দেহ অতিরিক্ত চর্বিও পোড়ায়। যার ফলে ওজনও কমে।

৪. সারাক্ষণ ওজন নিয়ে চিন্তা করবেন না
প্রতিবেলা খাবারের পরই কি আপনি কত ক্যালোরি খেলের সে হিসেব করতে বসে পড়েন? প্রতিদিন সকাল-বিকাল ওজন মাপেন? তাহলে ঠিক কাজ করছেন না। আপনাকে বুঝতে হবে যে, ওজন নিয়ে সবসময় আতঙ্কিত হয়ে থাকলে চলবে না। কারণ আপনার মন আপনার দেহের সব তৎপরতার নিয়ন্ত্রণ করে। ওজন নিয়ন্ত্রণের কাজকে একটি স্বাস্থ্যকর চ্যালেঞ্জ এবং জীবন-যাপনের একটি পদ্ধতি মনে করুন। ওজন নিয়ে নিজের সঙ্গে সবধরনের নেতিবাচক কথা বলা বন্ধ করুন।

৫. পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি পান করুন
আপনাকে প্রতিদিন ৮-১০ গ্লাস পানি পান করদে হবে। পানি শুধু ক্ষুধার অনুভূতিই দূর করে না। পানি বিপাকীয় কর্মকাণ্ডকেও শক্তিশালি করে এবং দেহের শক্তি বাড়ায়।

৬. সালাদ দিয়ে শুরু করুন
প্রতিবেলা খাবার শুরু করার সময় প্রথমেই এক বাটি সালাদ খান। এর মাধ্যমে কার্বোহাইড্রেট জাতীয় খাবার বেশি খাওয়া ঠেকাতে পারবেন। কেননা সালাদে পেট ভরার পর আর ভাত বেশি খেতে হবে না। ফলে কার্বোহাইড্রেনট কমানোর পাশাপাশি প্রয়োজনীয় পুষ্টি উাপদানও পাবেন যথেষ্ট পরিমাণে।

এ জাতীয় আরও খবর

নবীনগরে গাড়ির ধাক্কায় বেকারি লাইনম্যান তামিম নিহত

পদোন্নতি পেয়ে অতিরিক্ত আইজিপি হলেন ৫ ডিআইজি

যেভাবে সময় কাটছে বুবলীর

তপ্তদহনে পুড়ছে মানুষ, কমছে কর্মঘণ্টা, ক্ষয়ে যাচ্ছে জিডিপি

২২ দিনে রেমিট্যান্স এলো ২৬ হাজার ৪২০ কোটি টাকা

অ্যাভোকাডো খাওয়া যে কারণে উপকারী

পাড্ডিক্যালের সেঞ্চুরিতে বড় সংগ্রহের পথে ভারত

নতুন রূপে আসছে শাকিবের ‘অপারেশন অগ্নিপথ’

বাংলাদেশের ভুতুড়ে ব্যাটিংয়ে ম্যাকাইয়ে রেকর্ডের ছড়াছড়ি

ডেঙ্গুতে ৫ মৃত্যু, হাসপাতালে ৮৩৯

নবীনগরে ‘হোপ’-এর উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি ও আলোচনা সভা

রোহিঙ্গাদের মানবাধিকার রক্ষায় মিয়ানমারকে অবশ্যই কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে