,

শাস্ত্রীই প্রধান, জহির খান বোলিং কোচ

news-image

 

স্পোর্টস ডেস্ক :বাংলাদেশ সময় মঙ্গলবার রাতে ভারত ক্রিকেট দলের প্রধান কোচ হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে টিম ডিরেক্টর রবি শাস্ত্রীকে। আর বোলিং কোচ হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে জহির খানকে। ২০১৯ সাল পর্যন্ত তারা দুজন কোহলি-শামীদের দেখভাল করবেন।

অবশ্য কোচ নিয়োগ নিয়ে নাটক কম হয়নি। মঙ্গলবার বিকেলে ভারতের বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে খবর প্রকাশিত হয় যে রবি শাস্ত্রী ভারতের কোচ হয়েছেন। একটু পরেই বিসিসিআইয়ের ভারপ্রাপ্ত সেক্রেটারি অমিতাভ চৌধুরী কোচের নাম ঘোষণার বিষয়টি গুজব বলে উড়িয়ে দেন। কিন্তু মঙ্গলবার রাতে সেই রবি শাস্ত্রীর নামই প্রধান কোচ হিসেবে ঘোষণা করে বিসিসিআইয়ের ক্রিকেট উপদেষ্টা কমিটি। তার সঙ্গে বোলিং কোচ হিসেবে জহির খানের নাম ঘোষণা করে।

মূলত শাস্ত্রীর পক্ষে ছিলেন শচীন টেন্ডুলকার, সৌরভ গাঙ্গুলি ও ভিভিএস লক্ষ্মণ। এরপর মঙ্গলবার রাতে ক্রিকেট উপদেষ্টা কমিটি ভিডিও কল করে অধিনায়ক বিরাট কোহলির কাছে কোচ নিয়োগের বিষয়ে তার মতামত চায়। কোহলিও শাস্ত্রীর পক্ষে মত দেন। দুইয়ে-দুইয়ে চার মিলে গেলে শাস্ত্রীই হয়ে যান কোহলি-ধোনিদের প্রধান কোচ। অবশ্য আগে থেকেই সবাই ধারনা করেছিল যে শাস্ত্রীই হচ্ছেন ভারতের পরবর্তী কোচ। কারণ, ২০০৭ সাল থেকে টিম ইন্ডিয়ার সঙ্গে আছেন তিনি।

২০০৭ সালে তিনি ভারত দলের টিম ম্যানেজার হিসেবে বাংলাদেশ সফরে আসেন। এরপর ২০১৪ সালে তিনি দুই বছরের জন্য ভারত দলের টিম ডিরেক্টর হন। সেখান থেকে ২০১৭ সালে হয়ে গেলেন প্রধান কোচ। এর আগে অবশ্য ভারপ্রাপ্ত কোচ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি। পেয়েছিলেন সাফল্যও। সে কারণে রবি শাস্ত্রী ভারতের কোচ হওয়ার আবেদন করার পর এটা অনুমেয়ই ছিল যে তিনিই হতে যাচ্ছেন ভারতের পরবর্তী কোচ।

এখন দেখার বিষয় তার তত্ত্বাবধানে কতটুকু কী সাফল্য পায় ভারত।

এ জাতীয় আরও খবর

নবীনগরে গাড়ির ধাক্কায় বেকারি লাইনম্যান তামিম নিহত

পদোন্নতি পেয়ে অতিরিক্ত আইজিপি হলেন ৫ ডিআইজি

যেভাবে সময় কাটছে বুবলীর

তপ্তদহনে পুড়ছে মানুষ, কমছে কর্মঘণ্টা, ক্ষয়ে যাচ্ছে জিডিপি

২২ দিনে রেমিট্যান্স এলো ২৬ হাজার ৪২০ কোটি টাকা

অ্যাভোকাডো খাওয়া যে কারণে উপকারী

পাড্ডিক্যালের সেঞ্চুরিতে বড় সংগ্রহের পথে ভারত

নতুন রূপে আসছে শাকিবের ‘অপারেশন অগ্নিপথ’

বাংলাদেশের ভুতুড়ে ব্যাটিংয়ে ম্যাকাইয়ে রেকর্ডের ছড়াছড়ি

ডেঙ্গুতে ৫ মৃত্যু, হাসপাতালে ৮৩৯

নবীনগরে ‘হোপ’-এর উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি ও আলোচনা সভা

রোহিঙ্গাদের মানবাধিকার রক্ষায় মিয়ানমারকে অবশ্যই কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে