,

মাশরাফির সাক্ষাত পেতে কখন যাবেন?

news-image

স্পোর্টস ডেস্ক : একজন ক্রিকেটারের চাইতেও একজন মানুষ হিসেবে কোটি কোটি ভক্তর কাছে আইডল হলেন জাতীয় ওয়ানডে দলের অধিনায়ক মাশরাফি বিন মুর্তজা। তার গভীর জীবনবোধে উজ্জীবিত করে সবাইকে। তাইতো টাইগার ক্যাপ্টেনের সঙ্গে সাক্ষাত করতে মানুষের ঢল নামে সর্বত্র। বর্তমানে নড়াইলে নিজের বাড়িতে অবস্থান করছেন টাইগার ক্যাপ্টেন। সেখানও প্রতিদিন লেগেই আছে মানুষের ঢল। দূর-দূরান্ত থেকে মানুষ আসছে ম্যাশের সঙ্গে দেখা করতে। হাসিমুখে তাদের আবদার পূরণ করছেন মাশরাফি।

তবে একটু ভেবে দেখুন তো, ক্রিকেট আর ভক্তদের বাইরেও একজন মানুষের নিজস্ব একটা জীবন আছে। বেশিরভাগ সময়ই দর্শনার্থীদের চাপে বাড়ি থেকে বের হওয়ার ফুরসত পাননা তিনি। কিন্তু ভক্তরা তো আসে ভালোবেসে প্রিয় নায়কের সঙ্গে দেখা করতে। ভালোবাসা বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই কোনো যুক্তির ধার ধারে না। ম্যাশও কাউকে নাখোশ করতে চান না। তাই এই সমস্যার একটি দারুণ সমাধান বের করেছেন টাইগার ক্যাপ্টেন। ভক্তদের সঙ্গে সাক্ষাতের জন্য সময় বেঁধে দিয়েছেন মাশরাফি। এখন থেকে দিনে তিনবার ম্যাশের সাক্ষাত পাবেন ভক্তরা।

আগামী ১ জুলাই শনিবার নাগাদ ঢাকায় ফেরার কথা আছে মাশরাফির। সে পর্যন্ত তিনি নড়াইলেই থাকবেন। এই কয়দিন মধ্যে মাশরাফির সান্নিধ্য পেতে তিনটি নির্দিষ্ট সময়ে যেতে হবে। সকাল ১০টা থেকে ১১টা, বিকেল ৪টা থেকে সাড়ে ৪টা এবং রাত ৯টা থেকে সাড়ে ৯টা। এই তিন সময়ে গেলেই মিলবে প্রিয় অধিনায়কের দেখা। সাথে সেলফি কিংবা অটোগ্রাফও। আসলে রাজধানীর কঠিন জীবন ছেড়ে একটু নিজের মত কাটাতে নড়াইলে যান মাশরাফি। কিন্তু ভক্তদের চাপ লেগেই আছে। বিভিন্ন জেলা থেকে ভক্তরা আসছেন তাকে দেখতে। মানুষকে ভালোবেসে যাওয়া ম্যাশ কাউকে হতাশ করতে চান না। তাই এই ব্যবস্থা।

এ জাতীয় আরও খবর

নবীনগরে গাড়ির ধাক্কায় বেকারি লাইনম্যান তামিম নিহত

পদোন্নতি পেয়ে অতিরিক্ত আইজিপি হলেন ৫ ডিআইজি

যেভাবে সময় কাটছে বুবলীর

তপ্তদহনে পুড়ছে মানুষ, কমছে কর্মঘণ্টা, ক্ষয়ে যাচ্ছে জিডিপি

২২ দিনে রেমিট্যান্স এলো ২৬ হাজার ৪২০ কোটি টাকা

অ্যাভোকাডো খাওয়া যে কারণে উপকারী

পাড্ডিক্যালের সেঞ্চুরিতে বড় সংগ্রহের পথে ভারত

নতুন রূপে আসছে শাকিবের ‘অপারেশন অগ্নিপথ’

বাংলাদেশের ভুতুড়ে ব্যাটিংয়ে ম্যাকাইয়ে রেকর্ডের ছড়াছড়ি

ডেঙ্গুতে ৫ মৃত্যু, হাসপাতালে ৮৩৯

নবীনগরে ‘হোপ’-এর উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি ও আলোচনা সভা

রোহিঙ্গাদের মানবাধিকার রক্ষায় মিয়ানমারকে অবশ্যই কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে