সোমবার, ২৭শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ ১২ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শিশুকে বুকের দুধ খাওয়ানো মায়েদের হার্ট এ্যাটাক ও ক্যান্সারের ঝুঁকি কমে

news-image

স্বাস্থ্য ডেস্ক : শিশুকে বুকের দুধ খাওয়ানো মায়েদের পরবর্তী জীবনে হার্ট এ্যাটাক ও ক্যান্সারের ঝুঁকি অনেক কমে যায়। এ বিষয়ে নতুন তথ্য প্রকাশ করেছেন চীন ও যুক্তরাজ্যের একদল বিজ্ঞানী। যে মায়েরা তাদের শিশুকে ২ বছর অথবা কমপক্ষে দেড় বছর বুকের দুধ নিয়মিত পান করান। পরবর্তী জীবনে তাদের এই রোগগুলোর প্রায় ১৮ শতাংশ ঝুঁকি কমে যায়।

যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অব অক্সফোর্ড ও চীনের চাইনীজ একাডেমি অব মেডিকেল সাইন্স এন্ড পিকিং ইউনিভার্সিটির বিজ্ঞানীরা যৌথভাবে তাদের এই গবেষণার ফল প্রকাশ করেছেন। এই গবেষণার জন্য তারা ২ লাখ ৮০ হাজার চীনা নারীকে নির্বাচন করেন। তাদের উপর দীর্ঘদিন গবেষণা করে তারা এই সিদ্ধান্তে উপনীত হয়েছেন বলে জানিয়েছেন।

তাদের গবেষণা বলছে শিশুকে নিয়মিত বুকের দুধ খাওয়ানো শুধুমাত্র মায়েদের জন্যই নিরাপদ নয়। এটি শিশুকেও নানা রকম রোগ জীবানু ও ইনফেকশনের হাত থেকে রক্ষা করবে। পূর্বে গবেষণায় জানা গিয়েছিল শিশুকে বুকের দুধ খাওয়ানো মায়েদের স্তন ও জরায়ু ক্যান্সারের মতো জটিল রোগের সম্ভাবনা কমে যায়। তাছাড়া গর্ভের সন্তানের পুষ্টি যোগাতে মায়েদের শরীরে যে অতিরিক্ত চর্বি জমা হয়। মায়েদের এই স্থুলতাও শিশুকে বুকের দুধ পান করানোতে কমে যায়।

সম্প্রতি এ বিষয়ে নতুন গবেষণা শিশুকে বুকের দুধ খাওয়ানোর উপকারিতার সঙ্গে আরও তথ্য যুক্ত করলো। যা মায়েদের শিশুকে বোতলে দুধ পান করানোর পরিবর্তে বুকের দুধ পান করাতে উৎসাহিত করবে বলে আশা করছেন গবেষকরা। ইন্ডিপেনডেন্ট, টাইম

এ জাতীয় আরও খবর

আমড়া খাওয়ার এই উপকারিতাগুলো জানতেন?

কাহানি থ্রি-তে বিদ্যা বালান নয়, মূল চরিত্রে ইয়ামি গৌতম

২০২৬-২৭ অর্থবছর: রপ্তানি প্রবৃদ্ধির লক্ষ্য ১৫ শতাংশ, আয় হতে পারে ৬৩.৪ বিলিয়ন ডলার

সাবেক রাষ্ট্রপতির বিরুদ্ধে ওঠা দুর্নীতির অভিযোগ সরকার পর্যালোচনা করছে : আইনমন্ত্রী

যাত্রীবাহী বাস খাদে পড়ে আহত ২০

কলকাতার ‘পাখি’ এবার ঢাকাই সিনেমার ‘চামেলি’

সৌদিতে এক সপ্তাহে প্রায় ১৫ হাজার অভিবাসী গ্রেপ্তার

স্বামীকে বাঁচাতে গিয়ে প্রাণ গেল স্ত্রীরও

সাত মাসের মেয়েকে হত্যার মামলায় বাবার ৩ দিনের রিমান্ড

হামের উপসর্গে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু

ডেঙ্গুতে আরও ৩ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ৪৫৮

রেমিট্যান্সে বড় গতি, ২৫ দিনে এলো ২৮ হাজার কোটি টাকা