,

সেমাই এখনো টানেনি ক্রেতাদের

news-image

নিউজ ডেস্ক : পবিত্র ঈদুল ফিতরকে অনেকেই ‘সেমাই খাওয়ার ঈদ’ বলেন। এই ঈদে হরেক পদের সেমাই রান্না করে মানুষ। ঈদের আপ্যায়নেও বিভিন্ন ধরনের সেমাই রাখা হয়।

তবে ঈদ ঘনিয়ে এলেও রাজধানীতে এখনো সেভাবে জমে ওঠেনি সেমাইয়ের বাজার। একই অবস্থা চিনি ও মসলার বাজারেও। বিক্রেতারা বলছেন, বৈরী আবহাওয়ার কারণে দোকানে মানুষ আসছে কম। তাঁরা আশা করছেন, ঈদের দু-তিন দিন আগে সেমাই-চিনির বাজারে মানুষ আসবে; তাঁদের বিক্রিও বাড়বে।

সোমবার দুপুরে রাজধানীর অন্যতম পাইকারি বাজার কারওয়ান বাজারে গিয়ে দেখা গেল, সেমাই, চিনি, মসলার বাজারের বিক্রেতারা অলস সময় কাটাচ্ছেন। উপহার স্টোরের বিক্রেতা বাবুল হোসেন বলেন, ‘বাজারে এখনো লোক সেভাবে আসা শুরু করেনি। কবে আইবো কে জানে।’ তাঁর ধারণা, বৃষ্টির জন্য ক্রেতারা কম আসছেন। তিনি জানালেন, বিভিন্ন কোম্পানির সেমাই নির্দিষ্ট দামেই বিক্রি হচ্ছে। অন্যান্য পণ্যেরও দাম বাড়ানো হয়নি।

পলাশ এন্টারপ্রাইজের বিক্রেতা জাহাঙ্গীর আলম বলেন, অনেকে ঢাকা ছেড়ে যাচ্ছেন। তাঁরা ঢাকার বাইরে থেকেই সেমাই কিনবেন। আর যারা ঈদে ঢাকায় থাকছেন, তাঁরা এখনো দোকানে সেভাবে আসতে শুরু করেননি। হয়তো দু-এক দিন পর আসবেন।

হাতিরপুল ও কারওয়ান বাজারের বিভিন্ন সেমাইয়ের দোকানে ঘুরে জানা গেল বনফুলের লাচ্ছা সেমাই ৮০০ গ্রামের বক্সের দাম ১৬৫ টাকা। একই ব্র্যান্ডের ৫০০ গ্রামের বক্স ১৫০ টাকা ও ২০০ গ্রামের বক্সের দাম ৩০ টাকা। ওয়েল ফুড ৪০০ গ্রাম ১২০ টাকা, কুলসন সেমাই ২০০ গ্রাম ৩০ টাকা, প্রিন্স লাচ্ছা সেমাই ২০০ গ্রাম ২৫ টাকা, আলাউদ্দিন লাচ্ছা সেমাই ৫০০ গ্রাম ২০০ টাকা ও ডায়মন্ড সেমাই ৯০৮ গ্রামের দাম ৬৫ টাকা। এ ছাড়া বিভিন্ন খোলা সেমাইয়ের দাম প্রতি কেজি ৮০ থেকে ৯০ টাকা।

বিক্রেতারা জানান, তাঁরা চকবাজার থেকে পাইকারি দামে এসব সেমাই কেনেন। কেজিতে ৫ থেকে ৭ টাকা লাভ করেন। যাঁরা বেশি সেমাই কিছুটা কমদামে কিনতে চান, তাঁরা চকবাজার থেকে সেমাই কিনতে পারেন।

হাতিরপুল বাজারে সেমাই কিনছিলেন ভূতেরগলির বাসিন্দা মাহমুদুল হাসান। তিনি বলেন, কয়েকজন আত্মীয়ের বাসায় সেমাই পাঠাতে হবে। প্রতিবছরই আমি আত্মীয়দের বাড়িতে পাঠাই। এবারও পাঠাচ্ছি।
ঈদের শুরুতে চিনির কেজি ৮০ টাকা পর্যন্ত বাড়লেও গত কয় দিনে বাজারে চিনির দাম কমেছে। এখন প্রতি কেজি চিনি ৬৮ থেকে ৭২ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

মসলার বাজারও জমেনি: মসলার বাজারও সেভাবে জমে ওঠেনি। কারওয়ান বাজারের মসলার বিক্রেতারা জানান, ঈদুল ফিতরে মসলা তুলনামূলক কমই বিক্রি হয়। মসলার মধ্যে ছোট এলাচির দাম ১০০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। বিভিন্ন দোকান ঘুরে জানা গেল, দারুচিনি প্রতি কেজির দাম ৩০০ টাকা, লবঙ্গ ৯০০ টাকা, কাঁচা বাদাম ৯৫ থেকে ১০০ টাকা, কিশমিশ ২৯০ টাকা, কাঠবাদাম প্রতি কেজির দাম ৭০০ থেকে ৭২০ টাকা। প্রথম আলো

এ জাতীয় আরও খবর

নবীনগরে গাড়ির ধাক্কায় বেকারি লাইনম্যান তামিম নিহত

পদোন্নতি পেয়ে অতিরিক্ত আইজিপি হলেন ৫ ডিআইজি

যেভাবে সময় কাটছে বুবলীর

তপ্তদহনে পুড়ছে মানুষ, কমছে কর্মঘণ্টা, ক্ষয়ে যাচ্ছে জিডিপি

২২ দিনে রেমিট্যান্স এলো ২৬ হাজার ৪২০ কোটি টাকা

অ্যাভোকাডো খাওয়া যে কারণে উপকারী

পাড্ডিক্যালের সেঞ্চুরিতে বড় সংগ্রহের পথে ভারত

নতুন রূপে আসছে শাকিবের ‘অপারেশন অগ্নিপথ’

বাংলাদেশের ভুতুড়ে ব্যাটিংয়ে ম্যাকাইয়ে রেকর্ডের ছড়াছড়ি

ডেঙ্গুতে ৫ মৃত্যু, হাসপাতালে ৮৩৯

নবীনগরে ‘হোপ’-এর উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি ও আলোচনা সভা

রোহিঙ্গাদের মানবাধিকার রক্ষায় মিয়ানমারকে অবশ্যই কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে