,

আখাউড়ায় রেলষ্ট্রেশনে  মৌসুমি অপরাধিরা বেশ সংক্রিয়

news-image

বিশেষ প্রতিনিধি : ঈদ যতই এগিয়ে আসছে ততই মৌসুমি অপরাধীরা নানা ভাবে  তৎপরত হয়ে উঠেছে । অজ্ঞান পার্টি, মলম পার্টি, টানা পার্টি ছিনতাইকারী  সদস্যরা ফাঁদ পেতে বসে আছেন সর্বত্র। উপজেলার বিভিন্ন বিপনী বিতান ,মার্কেট ,ট্রেন, বাসসহ নানা প্রকার যানবাহনে অপরাধীরা  রয়েছে খুবই তৎপর। তারা নানা  কৌশলে যাত্রীদের কাছ থেকে টাকাসহ  মালামাল লুটে নিচ্ছে। এসব ঘটনায় দিন দিন বৃদ্ধি পাওয়ায় সাধারণ মানুষের মধ্যে আতংক বাড়ছে।

একটি সূত্র জানায়, চিহ্নিত অপরাধীদের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে মৌসুমি অপরাধীচক্ররা বেশ সক্রিয় হয়ে উঠেছে। তারা ঈদের কেনা কাটা করতে আসা লোকদের টার্গেট করে নানা কৌশলে সর্বস্ব লুটে নিয়ে যাচ্ছে। আখাউড়া রেলপথে ট্রেনে মলম পার্টির  সদস্যদের  খপ্পরের বেশ কয়েকটি  ঘটনায় সর্বস্ব খোয়াচ্ছে একাধিক ট্রেন যাত্রী।
অপরাধিদের দৌরাত্ন আশংকাজনক হারে বৃদ্ধি পাওয়ায় ট্রেন যাত্রী  পথচারী ও সাধারণ লোকদের মধ্যে আতংক বিরাজ করছে।

অবশ্য সংশ্লিষ্ট প্রশাসন জানিয়েছেন,  নির্বিঘ্নে সাধারণ মানুষের চলাচল ও অপরাধ নির্মূলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর লোকজন তৎপর রয়েছেন। তারা চলার পথে অপরিচিত কারও দেয়া খাবার কিংবা হকারদের কাছ থেকে খাবার কিনে না খাওয়ার পরামর্শ দেন। রমজান ও ঈদ উপলক্ষে অপরাধ তৎপরতা ঠেকাতে নানা প্রকার কাজ করে চলেছেন সংশ্লিষ্ট প্রশাসন।

একাধিক সূত্র জানায়, অপরাধিদের প্রধান টার্গেট ব্যবসায়ী, চাকুরিজীবী ও ঘরমুখো লোকজন। অজ্ঞান পার্টির লোকজন রেলপথে ট্রেনে হকার সেজে বা যাত্রী বেশে উঠে কৌশল অচেতন করে সর্বস্ব লুটে নিচ্ছে।
কথা হয় বিজয়নগর উপজেলার সিঙ্গারবিল এলাকার শামসুন্নাহার বলেন, দুই মেয়ে তাবাছুম ও সাদিয়াকে নিয়ে ঈদের কেনা কাটা করতে  সড়ক পথে সিএনজি অটো রিকসা করে আখাউড়ায় এসেছেন। সড়ক বাজার দুতলা মসজিদ এলাকায় তার মেয়ে সাদিয়া হঠাৎ দেখতে পায় তার হাতে থাকা ব্যাগের চেইন খোলা। ব্যাগ খোলে দেখে ৮ হাজার টাকা নেই।

তারাগন এলাকার গৃহিণী লাকী বেগম ও শামসুন্নাহার বলেন, দু’তলা মসজিদের সামনে যানজট থাকায় আমরা কিছুক্ষণ দাড়িয়ে থাকি। এমন সময় ছোট দুটি ছেলে আমাদের কাছে দাড়িয়ে থাকে। পড়ে তারা চলে যায়। কিন্তু স্বল্প সময়ের মধ্যে ব্যাগে থাকা টাকা নিয়ে গেল এখন কি করব বুঝে উঠতে পারতেছিনা।

সোহাগ নামে এক ট্রেন যাত্রী জানায়, রাতে চট্রগ্রাম মেইল ট্রেনে আখাউড়া আসার পথে দুই লোক আমার সঙ্গে বসে খুবই গল্প করছে। বসে থাকা একজন লোক আমাকে কিছু বাদাম দেই। দুএকটি বাদাম খাওয়ার পর আমার শরীরটা ঝিমঝিম করায় আর খাইনি। এরপর আর কিছু বলতে পারিনা। কিছুক্ষণ পর লোকজন ডাক দিলে উঠে দেখি টাকা পয়সা কিছুই নেই।

আখাউড়া রেলওয়ে স্টেশনের ১নং ফ্লাট ফর্মে উপকুল ট্রেনে ঢাকা যেতে পরিবার নিয়ে অপেক্ষা করছেন আজমপুরের বাছির মিয়া। ট্রেনে উঠার পর দেখে তার স্ত্রীর মোবাইল ফোনটি নেই। একাধিক ভোক্তভোগীরা জানায় রোজার প্রথম থেকেই  প্রতিনিয়ত ঘটছে এইসব অপকর্মের ঘটনা। অপকর্ম নির্মুলে ভোক্তভোগী,পথচারী ,ব্যবসায়ীসহ সাধারণ লোকজন সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের শুভদৃষ্টি কামনা করছেন।

আখাউড়া রেলওয়ে থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. আব্দুস সাত্তার বলেন, পকেটমার, চুরি ছিনতায়ের ঘটনায় কেউ থানায় অভিযোগ করলে আমরা দ্রুত ব্যবস্হা নেই। তিনি বলেন ঈদ উপলক্ষে আমাদের নজর দারী আরো বাড়ানো হয়েছে।  যে কোন মূল্যে অপরাধ নির্মূলে আমাদের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

এ জাতীয় আরও খবর

নবীনগরে গাড়ির ধাক্কায় বেকারি লাইনম্যান তামিম নিহত

পদোন্নতি পেয়ে অতিরিক্ত আইজিপি হলেন ৫ ডিআইজি

যেভাবে সময় কাটছে বুবলীর

তপ্তদহনে পুড়ছে মানুষ, কমছে কর্মঘণ্টা, ক্ষয়ে যাচ্ছে জিডিপি

২২ দিনে রেমিট্যান্স এলো ২৬ হাজার ৪২০ কোটি টাকা

অ্যাভোকাডো খাওয়া যে কারণে উপকারী

পাড্ডিক্যালের সেঞ্চুরিতে বড় সংগ্রহের পথে ভারত

নতুন রূপে আসছে শাকিবের ‘অপারেশন অগ্নিপথ’

বাংলাদেশের ভুতুড়ে ব্যাটিংয়ে ম্যাকাইয়ে রেকর্ডের ছড়াছড়ি

ডেঙ্গুতে ৫ মৃত্যু, হাসপাতালে ৮৩৯

নবীনগরে ‘হোপ’-এর উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি ও আলোচনা সভা

রোহিঙ্গাদের মানবাধিকার রক্ষায় মিয়ানমারকে অবশ্যই কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে