,

সরাইলে লাশ উদ্ধার, কয়েকটি বাড়িতে অগ্নিসংযোগ

news-image

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলে নিখোঁজের তিন দিন পর এক অটোরিকশা চালকের লাশ উদ্ধারের পর প্রতিপক্ষের বাড়িতে হামলা ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে।

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা থেকে শুক্রবার বিকাল পর্যন্ত উপজেলার পানিশ্বর ইউনিয়নের শাখাইতি গ্রামে দফায় দফায় অন্তত ১০টি হামলা হয়।

গত সোমবার শাখাইতি গ্রামের আবদুল হাইয়ের ছেলে অটোরিকশা চালক জয়নাল মিয়া (২৪) নিখোঁজ হন। বৃহস্পতিবার বিকালে উপজেলার বেড়তলা এলাকায় তার লাশ পাওয়া যায়।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, গত সোমবার বিকালে সিএনজি চালিত অটোরিকশার মালিক ও চালক জয়নাল মিয়া অটোরিকশা নিয়ে বের হন।

এলাকার লোকজন জানান, উপজেলার পানিশ্বর ইউনিয়নের বিটঘর বাজার থেকে সদরের নন্দনপুর গ্রামে যাওয়ার কথা বলে অটোরিকশাটি ভাড়া নেন একই গ্রামের কালন মিয়া (২২) ও ফায়জুল মিয়া (২৩)। এরপর থেকে অটেরিকশাসহ জয়নাল মিয়া নিখোঁজ হন।

সরাইল থানার ওসি রুপক কুমার সাহা বলেন, বৃহস্পতিবার বিকালে পুলিশ বেড়তলায় ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের পাশের খালে কচুরিপানার নীচ থেকে তার লাশ উদ্ধার করেছে।

“জয়নাল মিয়া হত্যার ঘটনায় তার বড় ভাই ফারুক মিয়া বাদী হয়ে শুক্রবার বিকালে কালন মিয়াকে প্রধান আসামি করে ১৭ জনের বিরুদ্ধে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন।”

এ ঘটনায় জড়িত অভিযোগে পুলিশ বৃহস্পতিবার বিকালে কালন মিয়ার বড় ভাই হাদিস মিয়াকে গ্রেপ্তার করেছে বলে জানান ওসি।

তিনি জানান, ময়নাতদন্ত শেষে শুক্রবার তার লাশ গ্রামে দাফন করা হয়েছে। এলাকার পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। গ্রামে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

জয়নাল মিয়া নিখোঁজের পর থেকে কালন মিয়া ও ফায়জুল মিয়া গা ঢাকা দিয়েছেন বলে এলাকাবাসী জানান।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, জয়নাল মিয়ার লাশ উদ্ধারের পর সন্ধ্যায় কালন মিয়া ও ফায়জুল মিয়ার বসতবাড়িতে ভাঙচুর, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগ করা হয়। শুক্রবার সকালে ভাঙচুর-লুটপাট-অগ্নিসংযোগ করা হয় কালন মিয়ার গোষ্ঠীর আবুল কাশেম, কাশেম মিয়া, রুক্কু মিয়া ও আরব আলী এবং ফায়জুল মিয়ার গোষ্ঠীর হাজী ইজ্জত আলী, হাবিবুর রহমান, আজিজ মিয়া, উসমান গণি চৌধুরী ও মুক্তার হোসেনের বাড়িতে।

হামলার সময় ইজ্জত আলীর পুত্রবধূ রত্না বেগম (৩০), তার মেয়ে শাকিবা বেগম (১০), রাকিবা বেগমসহ (০৮) অন্তত ১০ নারী ও শিশু আহত হন। তাদের স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

ইজ্জত আলীর বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া ছেলে জামাল মিয়া (২৬) বলেন, “আমরা ফায়জুল মিয়ার প্রতিবেশী হওয়াতে ফারুক মিয়ার লোকজন আমাদের সর্বনাশ করেছে। ফায়জুল মিয়া অপকর্ম করেছে। আমরাও তার বিচার চাই।

“কিন্ত এ ঘটনার দায় আমাদের কাঁধে কেন দেওয়া হবে? আমরা এখন নিজ বাড়ি যেতে পারছি না।”

তাদেরসহ আশপাশের লোকজনের প্রায় ৫০ লাখ টাকার মালামাল লুটপাট ও ক্ষয়-ক্ষতি হয়েছে বলে অভিযোগ তার।

থানা হাজতে আটক হাদিস মিয়া সাংবাদিকদের বলেন, “জয়নাল মিয়া খুনের ব্যাপারে আমি কিছুই জানি না।”

ফারুক মিয়া গতকাল শুক্রবার বিকেলে বলেন, “আমি ভাইয়ের হত্যার ঘটনায় দিশেহারা হয়ে পড়েছি। গ্রামে করা ভাঙচুর লুটপাট করছে জানি না। আমরা এসবের সঙ্গে জড়িত নই।”

এ জাতীয় আরও খবর

স্বনির্ভর দেশ গড়তে গ্রামীণ অর্থনীতিতে গুরুত্ব: পানিসম্পদমন্ত্রী

রংপুর জামায়াত দখল করেছে, অভিযোগ রাশেদ খাঁনের

ইরানে দুই হামলায় যুদ্ধাপরাধের অভিযোগ যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে

শনিবার জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হচ্ছে সাড়ে ১২ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস

নভেম্বরে প্রধানমন্ত্রীর দিল্লি সফর চূড়ান্ত করতে ফের আলোচনা: দ্য হিন্দু

তৃণমূলের নাম-প্রতীক নিয়ে মমতা-ঋতব্রতকে নতুন সিদ্ধান্ত কমিশনের

জামায়াতের ৭১-এর ভূমিকা নিয়ে রাজ্জাকের বক্তব্যের গুরুত্ব তুলে ধরলেন আইনমন্ত্রী

শেখ হাসিনা কালকেই আসুন, হাতকড়া দিয়ে রিসিভ করব: বিমানমন্ত্রী

নির্যাতনের অভিযোগে দাম্পত্যে ইতি, থানায় সমঝোতায় সংগীতশিল্পী কনটেন্ট ক্রিয়েটর ইউসুফ রায়হান ও মুন্নির বিবাহ বিচ্ছেদ

আজ প্রথম প্রেম মনে করার দিন

বিশ্ব বাঁশ দিবস আজ

মূল্যস্ফীতি কমার প্রভাব নেই বাজারে