,

অরক্ষিত জনপদ আর অপরাধের স্বর্গ রাজ্য নাসিরনগরের  ধরমন্ডল

news-image

তৌহিদুর রহমান নিটল, ব্রাহ্মণবাড়িয়া  : ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সদর প্রায় থেকে প্রায়  ৩০ কিলোমিটার দূরত্বে অবস্হিত হাওড় বেষ্টিত উপজেলা নাসিরনগর। আর এই  উপজেলা  কিছু এলাকা এখনো অরক্ষিত জনপদ, অপরাধের স্বর্গ রাজ্য। বিশেষ ভাবে উল্লেখ্য যোগ্য ইউপি  গুলো হল ধরমন্ডল, চাতালপাড়, ভলাকুট। যেখানে দিনে-দুপুর অথবা হচ্ছে বিভিন্ন অপরাধ।   মাদক,   চুরি, ডাকাতি, জুয়া ও দেহ ব্যবসা সহ অনেক বড়  ধরণের অপরাধ।ভৌগলিক কারণে এসব এলাকার যাতায়ত ব্যবস্হা ভাল না থাকায় অপরাধিরা বিভিন্ন অপরাধ করে বেশির ভাগ সময় পাড় পেয়ে যাচ্ছে। উপজেলা সদর থেকে পূর্ব উত্তরে অবস্থিত প্রত্যন্ত অঞ্চল অরক্ষিত জনপদের ধরমন্ডল। ছোট বড় ৪টি গ্রাম নিয়ে গঠিত ধরমন্ডল ইউনিয়ন। এর আয়তন প্রায় ৬ বর্গ কিলোমিটার। লোকসংখ্যা প্রায় ২৬ হাজার মত। সেখানকার অধিকাংশ লোক বিভিন্ন অপরাধের সাথে জড়িত।  সরেজমিন  ঘুরে বিভিন পেশার লোকজনের সাথে কথা বলে জানা গেছে,  এখানে প্রতিনিয়ত চলে জুয়া,  চুরি,ডাকাতি ও রমরমা মাদক আর দেহ ব্যবসা। সেখানে মা মেয়ে মিলে করে দেহ ব্যবসা করে এমন অভিযোগ স্থানীয়দের। বাজারে আহাদ আলীর চায়ের দোকান দেহ ব্যবসা আর গাজার ব্যবসার প্রদান আড্ডা স্থল। পতিতারা সারাক্ষণ ওই দোকানে বসে থাকে। গ্রামের ভিতর আর বাহিরের খদ্দেররা আসলে তারা চলে যায় নিরাপদ আশ্রয় স্থলে। তাদের দিয়ে মাদকের ব্যবসা করানো হয় বলে জানা গেছে আর চুরি,ডাকাতি থেকে শুরু করে সবকিছুর নিয়ন্ত্রণ দুই একজন প্রভাবশালী লোকের হাতে তাদের  নেতৃত্বে চলে পুরো ধরমন্ডল।  ধরমন্ডলের কুখ্যাত ডাকাতরা বিভিন্ন জায়গায় ভাড়াটিয়া খুনি হিসেবে গিয়ে খুন খারাবির মত জগন্য কাজে লিপ্ত থাকারও অভিযোগ রয়েছে। সেখানে উল্লেখ যোগ্য মাদক ব্যবসায়ীদের মধ্যে রয়েছে বাছির ডাকাতের স্ত্রী আজিদা বেগম, কাদির মিয়ার স্ত্রী আহেদা বেগম. নুরুল ইসলামের স্ত্রী বিউটি বেগম, সাফাল মিয়ার স্ত্রী মিলন বেগম, আনোয়ার ডাকাতের ছেলে কামরুল মিয়া,মোছন ডাকাতের ছেলে খসরু মিয়া সহ আরো বেশ কয়েকজন। এছাড়া উপজেলার চাতল পাড়, ভলাকুটে রয়েছে ডাকাতদের আরেক অভয়ারণ্য। সেখানে মাদকের পাশাপাশি আন্তজেলা অনেক ডাকাত রয়েছে। তারা জেলার ছোট-বড় অনেক ডাকাতির সাথে জড়িত।

নাসিরনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু জাফর জানান, ধরমন্ডল ইউনিয়নকে অপরাধ থেকে  রক্ষা করতে সেখানে একটি অস্থায়ী পুলিশ ফাঁড়ি দেওয়া হয়েছে।ফাঁড়িতে প্রতিদিন একজন এস, আই, একজন এ,এস, আই ও ৬ জন কনষ্টেবল দায়িত্ব পালন করছে।এছাড়া মাদক ও ডাকাতির সাথে জড়িত থাকার দায়ে বিগত ১মাসে আমরা ১২জন অপরাধিকে গ্রেফতার করে মামলা দিয়ে আইনগত ব্যবস্হা নিয়েছি। আমাদের এই অভিযান অব্যাহত থাকবে।

এ জাতীয় আরও খবর

নবীনগরে গাড়ির ধাক্কায় বেকারি লাইনম্যান তামিম নিহত

পদোন্নতি পেয়ে অতিরিক্ত আইজিপি হলেন ৫ ডিআইজি

যেভাবে সময় কাটছে বুবলীর

তপ্তদহনে পুড়ছে মানুষ, কমছে কর্মঘণ্টা, ক্ষয়ে যাচ্ছে জিডিপি

২২ দিনে রেমিট্যান্স এলো ২৬ হাজার ৪২০ কোটি টাকা

অ্যাভোকাডো খাওয়া যে কারণে উপকারী

পাড্ডিক্যালের সেঞ্চুরিতে বড় সংগ্রহের পথে ভারত

নতুন রূপে আসছে শাকিবের ‘অপারেশন অগ্নিপথ’

বাংলাদেশের ভুতুড়ে ব্যাটিংয়ে ম্যাকাইয়ে রেকর্ডের ছড়াছড়ি

ডেঙ্গুতে ৫ মৃত্যু, হাসপাতালে ৮৩৯

নবীনগরে ‘হোপ’-এর উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি ও আলোচনা সভা

রোহিঙ্গাদের মানবাধিকার রক্ষায় মিয়ানমারকে অবশ্যই কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে