,

বাঁধ নির্মাণ দুর্নীতির প্রমাণ মিলছে সরকারি নথিপত্রেই (ভিডিও)

news-image

বাঁধ ভেঙ্গে প্লাবিত হাওর। পানিতে তলিয়ে আছে ফসল। মরে যাচ্ছে সব ধরনের মাছ। সর্বশান্ত শত শত কৃষক জেলে। সব মিলিয়ে চরম বিপাকে হাওর অঞ্চলের মানুষ। নজিরবিহীন এমন অবস্থার কারণ, বাঁধ নির্মাণ ও মেরামতের চরম দুর্নীতি। গত দুই বছর ধরেই এ দুর্নীতির প্রমাণ মিলেছে সরকারি নথিপত্রেই।

গত ২ বছর আগে ‘আগাম বন্যা প্রতিরোধ ও নিষ্কাশন উন্নয়ন’ নামে বাঁধ নির্মাণ ও সংস্কারের জন্য প্রকল্প হাতে নেয়া হয়। ওই প্রকল্পে ১৬১টি কাজের জন্য বরাদ্ধ ছিলো প্রায় ৮৫.৬৮ কোটি টাকা। তবে অগ্রতির প্রতিবেদনে দেখা যায় দু’ বছরে কাজ হয়েছে গড়ে মাত্র ১০ ভাগ। ১৮টি বাঁধ নির্মাণের কাজ শুরুই হয়নি। অথচ বরাদ্দের প্রায় ৩৩ ভাগ টাকা উত্তোলন করে নেয়া হয়েছে। দুর্নীতিতে ভেস্তে গেছে বাঁধ নির্মাণের কাজ। এসব কিছুর গোড়ায় রয়েছে সিলেটের পানি উন্নয়ন বোর্ডের ভারপ্রাপ্ত প্রধান প্রকৌশলী মো. আব্দুল হাই, তত্বাবধায়ক প্রকৌশলী নুরুল ইসলাম সরকার। অন্যদিকে কাগজÑকলমে এসব করেছেন সুনামগঞ্জের নির্বাহী প্রকৌশলী আফসার উদ্দিন।

এসব কর্মকর্তা কাজ পাইয়ে দিতে শতকরা ৫ ভাগ এবং বিল ছাড়াতে আরো ১৫ লাখ টাকা ও ২৮ কোটি টাকার মধ্যে ঘুষ নিয়েছে ৫ কোটি টাকা। এদিকে কাজের জন্য ২ কোটি ৯ লাখ টাকা নিয়ে মাত্র ১২ ভাগ কাজ করেছেন মেসার্স গুডম্যান এন্টারপ্রাইজ। ১৪টি বাঁেধর কাজের জন্য এক কোটি টাকা নিয়ে মেসার্স খন্দকার শাহীন আহমেদ ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান কাজ করেছে ৯ ভাগ। মাত্র ৫টি বাঁধের কাজ নিয়ে প্রায় একই পরিমাণ টাকা উড়িয়েছে মেসার্স এম রহমান ঠিকাদার, কাজ করেছেন মাত্র ১১ ভাগ।

এদিকে কোন কাজ না করেই শনির হাওর রক্ষা বাঁেধর ১৪ লাখ টাকা সরিয়েছে রাজেন ট্রের্ডাস নামে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। তাছাড়া আরেক অংশ কাজ দেখিয়ে ‘এলেন কন্সট্রাকশন নিয়েছে প্রায় ১৬ লাখ টাকা। অন্যদিকে নলুয়া হাওরের বাঁেধর মাত্র ৫ ভাগ কাজ করেই ২৩ লাখ টাকা তুলেছেন মেসার্স নূর ট্রেডিং। আবার কাজ শুরুই হয়নি এমন কাজের ঠিকাদার এসব প্রতিষ্ঠানই। আর এগুলোর নেতৃত্বে আছে পানি উন্নয়ন র্বোড। একই প্রকল্পের রাক্তি নদী ড্রেজিংÑ এর নামে কর্মকর্তারা টাকা নিয়েছে প্রায় সোয়া সাত কোটি টাকা। অথচ শুরুই হয়নি সেই কাজও।

অপরদিকে দুর্নীতির আরেক অধ্যায় হচ্ছে আগের বাঁধগুলো সংস্কান! একইভাবে এসব প্রকল্পের থেকে প্রায় কোটি টাকা সরিয়েছে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান ও তার সদস্যরা। সংস্কার করা কাজের অনেক দিন আগে মেয়াদ শেষ হলেও কাজ শেষ হয়নি কোন বাঁেধর। এখানেও দুর্ণীতির প্রধান ছিলো নির্বাহী প্রকৌশলী আফসার উদ্দিন। এত এত অনিয়ম ঢাকতে ছলচাতুরিও কম হয়নি। ৩০টি বাঁধের জন্য কাজ দেয়া হয়েছিলো ৩ ঠিকাদারের নামে। অথচ সব ঠিকাদারের মুঠোফোনের নাম্বার একই যার প্রমাণ প্রকল্পের কাজ দেয়া সরকারি নথিপত্র।

তবে এসব কিছু নিয়ে মুখ খুলতে রাজি হয়নি পানি উন্নয়ন বোর্ডে। সূত্র: যমুনা টিভি

 

এ জাতীয় আরও খবর

নবীনগরে গাড়ির ধাক্কায় বেকারি লাইনম্যান তামিম নিহত

পদোন্নতি পেয়ে অতিরিক্ত আইজিপি হলেন ৫ ডিআইজি

যেভাবে সময় কাটছে বুবলীর

তপ্তদহনে পুড়ছে মানুষ, কমছে কর্মঘণ্টা, ক্ষয়ে যাচ্ছে জিডিপি

২২ দিনে রেমিট্যান্স এলো ২৬ হাজার ৪২০ কোটি টাকা

অ্যাভোকাডো খাওয়া যে কারণে উপকারী

পাড্ডিক্যালের সেঞ্চুরিতে বড় সংগ্রহের পথে ভারত

নতুন রূপে আসছে শাকিবের ‘অপারেশন অগ্নিপথ’

বাংলাদেশের ভুতুড়ে ব্যাটিংয়ে ম্যাকাইয়ে রেকর্ডের ছড়াছড়ি

ডেঙ্গুতে ৫ মৃত্যু, হাসপাতালে ৮৩৯

নবীনগরে ‘হোপ’-এর উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি ও আলোচনা সভা

রোহিঙ্গাদের মানবাধিকার রক্ষায় মিয়ানমারকে অবশ্যই কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে