,

দাঁত ব্রাশের ত্রুটি এবং সঠিক নিয়ম

news-image

সঠিক পদ্ধতিতে দাঁত ব্রাশ না করলে মাড়ি ও দাঁতের ক্ষতি হতে পারে। অধিকাংশ সময় মাড়ি ও জিহ্বা পরিষ্কার না করার কারণে বিভিন্ন ধরনের ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণে মুখের অভ্যন্তরে নানাবিধ রোগের সৃষ্টি হয়ে থাকে। তাই দাঁত ব্রাশ করার সময় মাড়ি ও জিহ্বা পরিষ্কার করা প্রয়োজন। দাঁত ব্রাশ করার সময় অনেকেই এলোপাথাড়ি এবং জোরে জোরে দাঁত ব্রাশ করে থাকেন যা মোটেই কাম্য নয়। দাঁত ব্রাশ করার সময় টুথব্রাশের ব্রিসলকে ৪৫ (ডিগ্রি করে ঘুরিয়ে ব্রাশ করা প্রয়োজন। উপরের দাঁত ব্রাশ করার সময় টুথব্রাশকে ওপর থেকে নিচের দিকে টানতে হবে আর নিচের দাঁত ব্রাশ করার সময় টুথব্রাশকে নিচ থেকে উপরের দিকে টানতে হবে। এ ছাড়া দাঁতের পিছনের উপরে এবং ভেতরের দিকেও নিয়ম অনুযায়ী ব্রাশ করতে হবে। জোরে জোরে ব্রাশ করার কারণে ডেন্টিন বের হয়ে আসে এবং মাড়ির অবস্থা নাজুক করে ফেলে। অনেকেই দীর্ঘদিন একই ব্রাশ ব্যবহার করে থাকেন যা মোটেই উচিত নয়। টুথব্রাশের ব্রিসলের মধ্যে ব্যাকটেরিয়া বংশবৃদ্ধি করে থাকে।

দাঁত ব্রাশ করার পর টুথব্রাশ ভালোভাবে পরিষ্কার করে শুকিয়ে রাখা খুবই ভালো। প্রতি দুই মাস পর পর টুথব্রাশ পরিবর্তন করা উচিত। তবে যাদের মুখে মারাত্মক ধরনের আলসার বা সংক্রামক ব্যাধি রয়েছে, তাদের ক্ষেত্রে এক মাস পর পর টুথব্রাশ পরিবর্তন করা প্রয়োজন। বেকিং সোডাযুক্ত টুথপেস্ট ব্যবহারে দাঁতের দাগ দূর হয়। তবে বেকিং সোডা মাড়ি ও মিউকাস মেমব্রেনের ক্ষতি করে থাকে। তাই এ জাতীয় টুথপেস্ট ব্যবহার না করাই ভালো। টুথব্রাশ করার পরে অনেকেই ভালোভাবে কুলি করেন না।

ফলে দাঁত ব্রাশ করার পর মুখের ব্যাকটেরিয়া মুখেই থেকে যায়। তাই দাঁত ব্রাশ করার পর তাড়াহুড়া না করে ভালোভাবে কুলি করতে হবে। আনমনাভাবে দাঁত ব্রাশ করার সময় টুথব্রাশের খোঁচায় মুখের অভ্যন্তরে মাড়িতে অথবা অন্য কোনো নরম স্থানে আলসার বা ঘাঁ দেখা যেতে পারে। তাই টুথব্রাশ করার সময় মনোযোগী হতে হবে। এসএলএস যুক্ত টুথপেস্ট ব্যবহার করলে এসএলএসের পরিমাণ বেশি থাকলে মুখে বার বার আলসার হতে থাকবে। তাই এসএলএস মুক্ত টুথপেস্ট ব্যবহার করতে হবে। দাঁত শির শির করার ক্ষেত্রে সব ধরনের বিজ্ঞাপনসমৃদ্ধ টুথপেস্ট ব্যবহার না করাই ভালো। এতে সাময়িক আরাম পেলেও ক্ষতির সম্ভাবনা রয়েছে যদি দীর্ঘমেয়াদে ব্যবহার করা হয়।

এ জাতীয় আরও খবর

নবীনগরে গাড়ির ধাক্কায় বেকারি লাইনম্যান তামিম নিহত

পদোন্নতি পেয়ে অতিরিক্ত আইজিপি হলেন ৫ ডিআইজি

যেভাবে সময় কাটছে বুবলীর

তপ্তদহনে পুড়ছে মানুষ, কমছে কর্মঘণ্টা, ক্ষয়ে যাচ্ছে জিডিপি

২২ দিনে রেমিট্যান্স এলো ২৬ হাজার ৪২০ কোটি টাকা

অ্যাভোকাডো খাওয়া যে কারণে উপকারী

পাড্ডিক্যালের সেঞ্চুরিতে বড় সংগ্রহের পথে ভারত

নতুন রূপে আসছে শাকিবের ‘অপারেশন অগ্নিপথ’

বাংলাদেশের ভুতুড়ে ব্যাটিংয়ে ম্যাকাইয়ে রেকর্ডের ছড়াছড়ি

ডেঙ্গুতে ৫ মৃত্যু, হাসপাতালে ৮৩৯

নবীনগরে ‘হোপ’-এর উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি ও আলোচনা সভা

রোহিঙ্গাদের মানবাধিকার রক্ষায় মিয়ানমারকে অবশ্যই কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে