,

‘প্রয়োজনে অফিসে হেঁটে যাবো, কিন্তু সিটিং সার্ভিসে যাবো না’

news-image

নিজস্ব প্রতিবেদক : রাজধানীতে সিটিং সার্ভিস বন্ধের ঘোষণার জেরে চতুর্থ দিনের মতো গণপরিবহনশূন্য ফার্মগেট এলাকা। স্বাভাবিক সময়ের চেয়ে রাস্তায় অনেক কম গণপরিবহন নামিয়েছেন মালিকরা।

ফলে চরম বিপাকে পড়েছেন কর্মস্থলগামী অসংখ্য মানুষ। বুধবার (১৯ এপ্রিল) সকালে ফার্মগেট এলাকায় সরেজমিনে এ চিত্র দেখা গেছে।

যাত্রীদের অভিযোগ, গত চারদিন ধরে একই অবস্থার শিকার সাধারণ মানুষ। কিন্তু প্রশাসন বা মালিকপক্ষ এ অচলাবস্থা নিরসনে এগিয়ে আসছে না। সিটিং সার্ভিসের মতো অন্যায় একটি বিষয় নিয়ে মালিকপক্ষ যে অরাজকতা সৃষ্টি করছে, তার বিচার হওয়া উচিৎ।

ফার্মগেট মোড়ে বাসের জন্য অপেক্ষমান যাত্রী শহিদুল হক গণমাধ্যমকে বলেন, ‘সকাল সাড়ে সাতটা বাজে, কিন্তু এখনো কোনো বাসের দেখা নেই। অন্যান্য দিনের এ সময়টায় ফার্মগেট এলাকায় যানজট থাকতো, কিন্তু আজ ফাঁকা’।

‘মালিকপক্ষ যতো যাই করুক না কেন, আমরা লোকালেরই পক্ষে’।

যাত্রী ছানাউল্লা খান বলেন, ‘পরিবহনগুলো যা কিছুই করুক না কেন, আমরা লোকাল সার্ভিসেরই পক্ষে। কতোদিন এভাবে আর চলবে, আমরাও দেখবো। প্রয়োজনে অফিসে হেঁটে যাবো, কিন্তু সিটিং সার্ভিসে যাবো না’।

অল্প কয়েকটি গণপরিবহন চলাচল করলেও তা অফিসগামী যাত্রীর তুলনায় যথেষ্ট নয়। ফলে ভোগান্তির চরম পর্যায়ে পৌঁছেছেন নগরবাসী।

তবে পরিবহন কর্তৃপক্ষ সিটিং সার্ভিস বন্ধের বিপক্ষে। তারা বলছেন, ‘এ অচলাবস্থা আরও কয়েকদিন চলবে’।

মিরপুর ১২ থেকে মতিঝিলগামী ল্যামাস পরিবহনের চালক কাজল মিয়া বলেন, ‘আমার মনে হচ্ছে, এ অবস্থা আর কয়েকদিন চলবে। শেষ পর্যন্ত মালিকরা হয়তো সিটিং বন্ধের সিদ্ধান্ত থেকে ফিরে আসতে পারেন’।

এ জাতীয় আরও খবর

নবীনগরে গাড়ির ধাক্কায় বেকারি লাইনম্যান তামিম নিহত

পদোন্নতি পেয়ে অতিরিক্ত আইজিপি হলেন ৫ ডিআইজি

যেভাবে সময় কাটছে বুবলীর

তপ্তদহনে পুড়ছে মানুষ, কমছে কর্মঘণ্টা, ক্ষয়ে যাচ্ছে জিডিপি

২২ দিনে রেমিট্যান্স এলো ২৬ হাজার ৪২০ কোটি টাকা

অ্যাভোকাডো খাওয়া যে কারণে উপকারী

পাড্ডিক্যালের সেঞ্চুরিতে বড় সংগ্রহের পথে ভারত

নতুন রূপে আসছে শাকিবের ‘অপারেশন অগ্নিপথ’

বাংলাদেশের ভুতুড়ে ব্যাটিংয়ে ম্যাকাইয়ে রেকর্ডের ছড়াছড়ি

ডেঙ্গুতে ৫ মৃত্যু, হাসপাতালে ৮৩৯

নবীনগরে ‘হোপ’-এর উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি ও আলোচনা সভা

রোহিঙ্গাদের মানবাধিকার রক্ষায় মিয়ানমারকে অবশ্যই কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে