,

বন্ধ ট্যানারি কারখানা, চোখে মুখে উদ্বেগ, উৎকণ্ঠা !

news-image

 

নিজস্ব প্রতিবেদক : রাজধানীর হাজারীবাগে বন্ধ হয়ে আছে ট্যানারি কারখানা। ৬ই মার্চ বাংলাদেশ পরিবেশ আইনবিদ সমিতির (বেলা) এক আবেদনে হাজারীবাগের সব ট্যানারির গ্যাস, বিদ্যুৎ ও পানির সংযোগ বন্ধের নির্দেশ দেয় হাইকোর্ট।

আদালতের নির্দেশ অনুসারে শনিবার হাজারীবাগের চামড়া কারখানাগুলোর গ্যাস পানি বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়। এর পর থেকে সব কারকানা বন্ধ হয়ে আছে কোন প্রকার কাজ করতে পারছে না শ্রমিকরা। কাজ না থাকায় বেতন পাওয়ার অনিশ্চয়তার মধ্যে পরেছে তারা।

মঙ্গলবার ১৮ এপ্রিল হাজারিবাগ ট্যানারি কারখানা গুলো ঘুরে দেখা যায় শ্রমিকদের চোখে মুখে হাহাকার। প্রত্যেক কারখানার সামনে বসে আছে কিছু পাবার আশায়।

শফিকুল ইসলাম নামের এক শ্রমিকের সাথে কথা হয় এই প্রতিবেদকের। বলেন, “অভাগার মত বসে আছি কি করবো ভেবে পাচ্ছি না। পরিবার নিয়ে ঢাকাতে থাকা এখন সম্ভব নয়। এক মুঠো ভাত যোগার করা এখন অসম্ভব হয়ে দারিয়েছে। কারণ কারখানা বন্ধ। এখন বেতন পাবো কিনা, আর পেলেও কারখানাতে চাকুরি থাকবে কিনা অনিশ্চিত। কারখানা সরাতে কত দিন লাগবে বলা মুশকিল আর কারখানা বন্ধ থাকলে এমনি এমনি তো কেউ বেতন দিবে না। আর বেতন না পেলে আমাদের না খেয়ে থাকতে হবে।

তিনি আরও বলেন, আমি এখানে ১১ বছর থেকে চাকরী করি। ট্যানারি কাজ আমার ভালো জানা আছে অন্য কাজ ভালো জানা নাই এখন ।যদি আমার চাকরি যায় তাহলে আমার অন্য জায়গায় কি চাকরি হবে? এখনও তো সব কোম্পানি অভিজ্ঞ লোক চায়। সে ক্ষেত্রে আমার পরিবার নিয়ে আমার চলা খুবি কষ্ট হবে কারণ এ চাকরী দিয়ে আমার সংসার চলে।

শ্রমিক শফিউর রহমান বলেন, এখন আমরা কি করবো জানিনা পানি , বিদ্যুৎ ও গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন করার কারণে কারখানায় কোন কাজ করা যাচ্ছে না। সময় মত কারখানা সরায়নি তা মালিকের দোষ। মালিকের কারনে আমরা কেন বিপদে পরবো আর ট্যানারির সব কিছু সরাতে বিদ্যুৎ ও গ্যাস তো লাগবে কারন এগুলো তো আর এক দিনে সরানো যাবে না। কারখানার ভিতরে অনেক কাজ আছে যে সরাতে বিদ্যুৎ দরকার । এখন বিদ্যুৎ নাই আমরা কি ভাবে কাজ করবো।

ট্যানারি ওয়ার্কার্স ইউনিয়নের সহ সভাপতি মোঃ করিম বলেন, কারখানাগুলোতে কাজ বন্ধ কাজ করার মত না পানি বিদুৎ কিছুই নাই। তবে পরিস্থিতি থমথমে। শ্রমিকদের মধ্যে অনিশ্চয়তা বিরাজ করছে। সরকার ও মালিক পক্ষের সমস্যার কারণে শ্রমিকরা এত বড় ক্ষতির সম্মুক্ষিন হতে হচ্ছে। কারখানা দ্রুত সাভারে সরিয়ে নিলে ও শ্রমিকদের প্রত্যয়ন দিলে অথবা সরকার তড়িৎ ব্যবস্থা নিলে এ সমস্যার সমাধান হবে।

তিনি বলেন, গাফিলতি থাকলে মালিকদের আছে। ভুল করলে সরকার করছে। তার দায়ভার হাজার হাজার শ্রমিকের উপর কেন পড়বে? আমরা সাফার করব কেন। তারা সরকারের সিদ্ধান্ত মেনে দ্রুত চলে যাক অথবা আলোচনায় বসুক।

এ জাতীয় আরও খবর

নবীনগরে গাড়ির ধাক্কায় বেকারি লাইনম্যান তামিম নিহত

পদোন্নতি পেয়ে অতিরিক্ত আইজিপি হলেন ৫ ডিআইজি

যেভাবে সময় কাটছে বুবলীর

তপ্তদহনে পুড়ছে মানুষ, কমছে কর্মঘণ্টা, ক্ষয়ে যাচ্ছে জিডিপি

২২ দিনে রেমিট্যান্স এলো ২৬ হাজার ৪২০ কোটি টাকা

অ্যাভোকাডো খাওয়া যে কারণে উপকারী

পাড্ডিক্যালের সেঞ্চুরিতে বড় সংগ্রহের পথে ভারত

নতুন রূপে আসছে শাকিবের ‘অপারেশন অগ্নিপথ’

বাংলাদেশের ভুতুড়ে ব্যাটিংয়ে ম্যাকাইয়ে রেকর্ডের ছড়াছড়ি

ডেঙ্গুতে ৫ মৃত্যু, হাসপাতালে ৮৩৯

নবীনগরে ‘হোপ’-এর উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি ও আলোচনা সভা

রোহিঙ্গাদের মানবাধিকার রক্ষায় মিয়ানমারকে অবশ্যই কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে