,

সরাইলে পৃথক ঘটনায় নিহত-২

news-image

সরাইল (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি : সরাইলে পৃথক দুটি দূর্ঘটনায় কেড়ে নিয়েছে ২ যুবকের প্রাণ। দিনমজুর সাচ্চুর (১৯) মা হারিয়েছেন তার সন্তান। আর অল্প বয়সে বিধবা হয়ে গেলেন লোকমানের (২৭) স্ত্রী। গত শুক্রবার সন্ধ্যায় ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের পশ্চিম কুট্রাপাড়া নামক স্থানে ও সরাইল সদর ইউনিয়নের উচালিয়া পাড়া গ্রামে ঘটনা দুটি ঘটেছে। বর্ষবরণের আনন্দ করতে এসেই লাশ হয়ে বাড়ি ফিরল সাচ্চু। পুলিশ, পরিবার ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, বিজয়নগর উপজেলার ইছাপুরা ইউনিয়নের বৃদ্ধ মনসুর মিয়ার (৬০) ছেলে সাচ্চু মিয়া। ৩ ভাই ২ বোনের মধ্যে সাচ্চু দ্বিতীয়। বয়সের ভারে ন্যুজ মনসুর মিয়ার সংসারের একমাত্র উপার্জনকারী সাচ্চু। অভাবের কারনে পড়া লেখা করতে না পারায় পেশা হিসাবে দিনমজুরীকেই বেঁচে নিয়েছিল সাচ্চু। রাজমিস্ত্রীর সহায়তাকারীর কাজ করে দৈনিক যা পেত তা দিয়েই চলত ৭ সদস্যে সংসার। গত শক্রবার বর্ষবরণ উপলক্ষ্যে বন্ধুদের নিয়ে আনন্দ ভ্রমনের সিদ্ধান্ত নেয় সাচ্চু। কে জানত এ ভ্রমনই কাল হবে সাচ্চু ও তার পরিবারের জন্য। সকাল ১১টায় ১২-১৪ জন মিলে ভাড়া করা একটি পিকআপ ভ্যানে সাউন্ড বক্স লাগিয়ে বিজয়নগর থেকে ভৈরবের উদ্যেশ্যে রওয়ানা দেয়। মাথায় গামছা। কারো পড়নে গেঞ্জি কেউ খালি গাঁ। বিকট শব্দে গান ছেড়ে নেচে নেচে মহাসড়ক দিয়ে চলতে থাকে। তাদের আনন্দ ও মজার শেষ নেই। দুপুর থেকে বিকাল পর্যন্ত তারা ভৈরবের মেঘনা নদীর উপরের ব্রীজের আশেপাশে আনন্দ বিনোদনের মধ্যেই কাটায়। ৪টার পর আবারও নেচে গেয়ে রওয়ানা দেয় বাড়ির উদ্যেশ্যে। মহাসড়কের পশ্চিম কুট্রাপাড়া এলাকায় আসার পর নাচতে নাচতে মনের অজান্তেই চলন্ত পিকআপ ভ্যানের পেছন থেকে সড়কে পড়ে যায় সাচ্চু। তৎক্ষনাৎ পেছন দিক থেকে সিলেটগামী দ্রুতগতির একটি যাত্রীবাহী কোচ সাচ্চুর উপর দিয়ে চলে যায়। মূহুর্তের মধ্যে দেহ থেকে ছিন্নভিন্ন হয়ে যায় সাচ্চুর মাথা। জীবন প্রদীপ নিভে গেল সাচ্চুর। হাইওয়ে পুলিশ নিহত সাচ্চুর লাশ উদ্ধার করে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করে। বাকরুদ্ধ হয়ে পড়েছে সাচ্চুর বৃদ্ধ বাবা ও মা। পরিবারের প্রত্যেকটি সদস্যের মাথায় আকাশ ভেঙ্গে পড়েছে। এখন কে আহারের ব্যবস্থা করবে ওই অসহায় পরিবারের ৬ সদস্যের? সাচ্চুর পরিবারে চলছে আহাজারি ও শোকের মাতম। এ বর্ষবরণের দুঃসহ স্মৃতি সারা জীবনই তাড়া করে বেড়াবে সাচ্চুর পরিবারের সকল সদস্যদের। একই দিন সন্ধ্যায় সরাইল উচালিয়া পাড়া গ্রামের আবদুল হকের ছেলে কাঠ মিস্ত্রী সুলমান মিয়া বসতঘরের চালার উপরে গাছের ডাল কাটতে যান। ডাল কাটার এক পর্যায়ে সুলমান বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মারা যায়। সদ্য বিবাহিত সুলমানের ৮ মাস একটি মেয়ে সন্তান রয়েছে।

এ জাতীয় আরও খবর

নবীনগরে গাড়ির ধাক্কায় বেকারি লাইনম্যান তামিম নিহত

পদোন্নতি পেয়ে অতিরিক্ত আইজিপি হলেন ৫ ডিআইজি

যেভাবে সময় কাটছে বুবলীর

তপ্তদহনে পুড়ছে মানুষ, কমছে কর্মঘণ্টা, ক্ষয়ে যাচ্ছে জিডিপি

২২ দিনে রেমিট্যান্স এলো ২৬ হাজার ৪২০ কোটি টাকা

অ্যাভোকাডো খাওয়া যে কারণে উপকারী

পাড্ডিক্যালের সেঞ্চুরিতে বড় সংগ্রহের পথে ভারত

নতুন রূপে আসছে শাকিবের ‘অপারেশন অগ্নিপথ’

বাংলাদেশের ভুতুড়ে ব্যাটিংয়ে ম্যাকাইয়ে রেকর্ডের ছড়াছড়ি

ডেঙ্গুতে ৫ মৃত্যু, হাসপাতালে ৮৩৯

নবীনগরে ‘হোপ’-এর উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি ও আলোচনা সভা

রোহিঙ্গাদের মানবাধিকার রক্ষায় মিয়ানমারকে অবশ্যই কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে