,

জঙ্গিদের জীবিত বের করার চেষ্টা চলছে

news-image

সিলেটে টোয়াইলাইট অভিযানের নেতৃত্ব দেওয়া সেনাকর্মকর্তারা এখনও জানেন না জঙ্গিরা আতিয়া মহলের কত জায়গায় এক্সপ্লোসিভ লাগিয়ে রেখেছে। আর ভেতরে তাদের কি প্রস্তুতি রয়েছে। জঙ্গিরা অত্যন্ত প্রশিক্ষিত। তারা চারদিনেও নমনীয় হচ্ছে না। এখনও তারা লড়াই করে যাচ্ছে। সেনাবাহিনী প্যারাকমান্ডো ব্যাটেলিয়নের সদস্যরা চাচ্ছেন জঙ্গিদেরকে জীবিত উদ্ধার করার জন্য। সেই জন্য বিভিন্ন ভাবে চেষ্টা চলছে। এছাড়াও তারা বোঝার চেষ্টা করছেন জঙ্গিরা কোন কোন স্থানে বিস্ফোরক দ্রব্য লাগিয়ে রেখেছে ও ভেতরে সব রুমে অভিযান চালানো হলে তারা কি কি ঘটনা ঘটাতে পারে। বিভিন্ন দিক বিবেচনা করেই সময় নেওয়া হচ্ছে। তাড়াহুড়া করা হচ্ছে না।
সূত্র জানায়, সেনাবাহিনী এখনও ধারণা করছে বেশ কয়েকজন জঙ্গি ভেতরে অবস্থান করছেন। তবে ঠিক কতজন সে সম্পর্কে এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। কারণ জঙ্গিরা ঠিক ঘটনার আগে কতজন ছিল তা জানতে পারেনি কেউ। ওই সব জঙ্গি ফেব্রুয়ারি মাসে আতিয়া মহলের একটি ফ্ল্যাট ভাড়া নেয়। ওই বাড়ি ভাড়া নেওয়ার সময়ে দুইজন এসেছিল। আর তারা বাড়ি ভাড়া নিয়েছে ফ্যামিলি থাকবে বলে। বাড়িওয়ালা তাদেরকে ভাড়া দিয়েছে। পাঁচতলা ভবনের ৩০টি ফ্ল্যাট রয়েছে। আর রুম রুয়েছে ১৮০টি। এত বিশাল বড় বাড়িতে তারা কোন কোন স্থানে কবে, কখন, কি করেছে এটা বের করা কঠিন হয়ে পড়েছে।
সূত্র জানায়, জঙ্গিদের যারা ভেতরে অবস্থান করছে তাদের পরিচয় জানা যায়নি। আবার যারা মারা গেছে তাদের পরিচয়ও স্পষ্ট নয়। তারা দেশী না বিদেশী সেটা নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে। বাংলাদেশে এই ধরণের জঙ্গিদের অবস্থান এবারই প্রথম। গোয়েন্দারা অবাক হচ্ছেন, এত অভিযানের মধ্যেও এত সেনাবাহিনীর সদস্যদের দেখেও তারা এখনও পর্যন্ত নমনীয় হচ্ছে না। তারা এতটাই প্রশিক্ষিত যে মানসিকভাবে তারা এখনো দুর্বল হচ্ছে না। বাইরে সেনাবাহিনীর প্যারাকমান্ডো থাকার পরও তারা লড়াই করার মনোভাব নিয়ে অবস্থান করছে। ভেতরে চলাচল করছে।
সূত্র জানায়, এই ধরণের জঙ্গিদের জীবিত উদ্ধার জরুরি। কারণ জিজ্ঞাসাবাদ করে জানতে হবে তারা কোথা থেকে এসেছে, কোথায় প্রশিক্ষণ নিয়েছে। কারা প্রশিক্ষণ দিয়েছে। তাদের পেছনে কারা রয়েছে। অর্থ দিচ্ছে কারা। সেই অর্থ কেমন করে আসছে। তার নাম পরিচয় জানাও জরুরি। সেই সঙ্গে এটাও জানা হবে তাদের লক্ষ্য কি? পরিকল্পনায় কি রয়েছে। কি করতে চাইছে।
ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ফখরুল আহসান বলেন, অভিযান চলছে। অভিযান কখন শেষ হবে তা এখনও বলা যাচ্ছে না। সময় নেওয়া হচ্ছে। তাদেরকে জীবিত বের করার চেষ্টা চলছে। জীবিত উদ্ধার করার জন্য আরও সময়ের প্রয়োজন।
সূত্র জানায়, প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফরের আগে এই ধরণের জঙ্গিদের অবস্থান নানা প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। সেই সব প্রশ্নের উত্তরও বের করার চেষ্টা করা হবে। এর পেছনে কোন মহলের ষড়যন্ত্র রয়েছে কি না সেটাও দেখতে হবে।
এদিকে আতিয়া মহলের বাড়ির মালিকের ব্যাপারেও নানা কৌতুহল তৈরি হয়েছে। তিনি কি বাড়ি ভাড়া দেওয়ার সময়ে তাদের পরিচয় নিশ্চিত হননি কিংবা তাদের ব্যাপারে পুলিশকে তথ্য দেননি। না দিয়ে থাকলে কেন দেননি তাও জানা হবে। সূত্র জানায়, বাড়িওয়ালার কাছ থেকে তথ্য সংগ্রহ করার চেষ্টা চলছে। তিনি নিরাপদে ও হেফাজতে রয়েছেন। ইতোমধ্যে তাকে কয়েকদফা জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে।

এ জাতীয় আরও খবর

নবীনগরে গাড়ির ধাক্কায় বেকারি লাইনম্যান তামিম নিহত

পদোন্নতি পেয়ে অতিরিক্ত আইজিপি হলেন ৫ ডিআইজি

যেভাবে সময় কাটছে বুবলীর

তপ্তদহনে পুড়ছে মানুষ, কমছে কর্মঘণ্টা, ক্ষয়ে যাচ্ছে জিডিপি

২২ দিনে রেমিট্যান্স এলো ২৬ হাজার ৪২০ কোটি টাকা

অ্যাভোকাডো খাওয়া যে কারণে উপকারী

পাড্ডিক্যালের সেঞ্চুরিতে বড় সংগ্রহের পথে ভারত

নতুন রূপে আসছে শাকিবের ‘অপারেশন অগ্নিপথ’

বাংলাদেশের ভুতুড়ে ব্যাটিংয়ে ম্যাকাইয়ে রেকর্ডের ছড়াছড়ি

ডেঙ্গুতে ৫ মৃত্যু, হাসপাতালে ৮৩৯

নবীনগরে ‘হোপ’-এর উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি ও আলোচনা সভা

রোহিঙ্গাদের মানবাধিকার রক্ষায় মিয়ানমারকে অবশ্যই কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে