,

লবণ যখন সোনার চেয়ে দামি

news-image

 

মাস শেষে চাকরিজীবীদের হাতে তুলে দেয়া হয় নির্দিষ্ট পারিশ্রমিক। এজন্য প্রত্যেকেই পেয়ে থাকেন অর্থ। কিন্তু পারিশ্রমিক হিসেবে অর্থের পরিবর্তে যদিও লবণ দেয়া হয় ব্যাপারটি কেমন হয় ভাবুন তো! কিন্তু একটা সময় ছিল যখন কর্মীদের পারিশ্রমিক হিসেবে দেয়া হতো লবণ।

প্রাচীন রোমান শাসনামলে লবণ এতটাই দুষ্প্রাপ্য ছিল যে তা সোনার চেয়েও মূল্যবান বস্তু হিসেবে গণ্য করা হতো। ইতিহাস ঘেটে দেখা যায়, লবণ সমৃদ্ধ এলাকাগুলোকে কেন্দ্র করে বেশিরভাগ সময় সভ্যতা গড়ে তুলত মানুষ। যাতে করে তারা লবণের ব্যবসা করতে পারে।

মিসরীয় সাম্রাজ্যের সহায়তাপুষ্ট একটি গুরুত্বপূর্ণ এলাকা ছিল ন্যাট্রন ভ্যালি। ওই এলাকা থেকে মূল্যবান উপাদান লবণ আসত এবং সেই স্থানের নাম অনুসারে তা ন্যাট্রন লবণ হিসেবে পরিচিত ছিল।

ইউরোপের শহর বুলগেরিয়ার সলনিতসাতা, যা একসময়ে ছিল লবণ খনি। বর্তমানে বলকান নামে পরিচিত। খ্রিস্ট্রপূর্ব ৫৪০০ সাল থেকে সেই এলাকা থেকে লবণ সব জায়গায় যেত।

সেই সময়টাতে লবণ ছিল সর্বাধিক মূল্যবান বস্তু। হিব্রু, গ্রীক, চীনা, হিট্টিস এবং অন্যান্য প্রাচীন সম্প্রদায় লবণকে দুর্মূল্য জিনিস হিসেবে গ্রহণ করত। পাশাপাশি, সভ্যতার উন্নয়নের সঙ্গে সঙ্গে লবণকে ব্যবহার করা শুরু হতে লাগলো সৈন্যদের বেতন পরিশোধে।

রোমান প্রজাতন্ত্রের শুরুর দিকে রোম নগরীর ক্রমবর্ধমান উন্নতির সময়ে বিশেষ একটি রাস্তা নির্মাণ করা হয়েছিল শুধুমাত্র লবণ আনায়নের সুবিধার জন্যে, যাতে রোমান রাজ্যে লবণ সহজে পৌঁছাতে পারে। উদাহরণস্বরূপ ‘সাবিন ট্রেইলের’ কথা বলা যায় যা নির্মাণ করা হয়েছিল রোম থেকে আড্রিয়াটিক সাগর পর্যন্ত।

সল্ট শব্দটি এসেছে ল্যাটিন ‘স্যালারি’ থেকে কারণ রোমান সাম্রাজ্যে প্রায়ই লবণ দিয়ে পারিশ্রমিক দেয়া হতো। বলা হতো- যে সকল সৈন্য তাদের দায়িত্ব ঠিকভাবে পালন করত তাদেরকে ‘লবণের যোগ্য’ হিসেবে গণ্য করা হতো।

রোমান সাম্রাজ্যের পতনের পরেও মধ্যযুগে লবণ মূল্যবান প্রয়োজনীয় জিনিস হিসেবে গণ্য হতো। সাহারা মরুভূমির চারশত মাইল পাড়ি দিয়ে চল্লিশ হাজার উটের ক্যারাভানে লবণ পরিবহণ করে সাহেল নামে মূল ভূখণ্ডের বাজারে নিয়ে যাওয়া হতো এবং দাসদের বিনিময়ে লবণ গ্রহণ হতো। টিম্বুকতু নামের এলাকাটি লবণ ও দাস ব্যবসার বিশাল বাজার ছিল।

এ জাতীয় আরও খবর

নবীনগরে গাড়ির ধাক্কায় বেকারি লাইনম্যান তামিম নিহত

পদোন্নতি পেয়ে অতিরিক্ত আইজিপি হলেন ৫ ডিআইজি

যেভাবে সময় কাটছে বুবলীর

তপ্তদহনে পুড়ছে মানুষ, কমছে কর্মঘণ্টা, ক্ষয়ে যাচ্ছে জিডিপি

২২ দিনে রেমিট্যান্স এলো ২৬ হাজার ৪২০ কোটি টাকা

অ্যাভোকাডো খাওয়া যে কারণে উপকারী

পাড্ডিক্যালের সেঞ্চুরিতে বড় সংগ্রহের পথে ভারত

নতুন রূপে আসছে শাকিবের ‘অপারেশন অগ্নিপথ’

বাংলাদেশের ভুতুড়ে ব্যাটিংয়ে ম্যাকাইয়ে রেকর্ডের ছড়াছড়ি

ডেঙ্গুতে ৫ মৃত্যু, হাসপাতালে ৮৩৯

নবীনগরে ‘হোপ’-এর উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি ও আলোচনা সভা

রোহিঙ্গাদের মানবাধিকার রক্ষায় মিয়ানমারকে অবশ্যই কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে