,

‘পরিবারে নারীর সম্মান সমাজ-রাষ্ট্রে প্রভাব ফেলবে’

news-image

 

নিজস্ব প্রতিবেদক : মহিলা ও শিশু বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মেহের আফরোজ চুমকি বলেছেন, একটি পরিবারে নারী বিভিন্ন রূপে থাকেন, তাকে পরিবার থেকে সম্মান জানানো হলে সমাজ এবং রাষ্ট্রকেও তা প্রভাবিত করবে। পরিবার থেকে ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গীর পরিচয় দিলে নারীর প্রতি সত্যিকারের সম্মান প্রদর্শন করা হবে।

‘নারী-পুরুষ সমতায় উন্নয়নের যাত্রা, বদলে যাবে বিশ্ব কর্মে নতুন মাত্রা’- এ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে রবিবার দেশব্যাপী মানববন্ধন পালিত হচ্ছে। তারই অংশ হিসেবে বেলা ১১টায় জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে মহিলা বিষয়ক অধিদফতর ও নারী নির্যাতন প্রতিরোধকল্পে মাল্টিসেক্টরাল প্রোগ্রামের যৌথ আয়োজনে এক মানববন্ধনে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

বাংলাদেশকে নারীর ক্ষমতায়নের মডেল বর্ণনা করে মানববন্ধনে চুমকি বলেন, নারীর প্রতি যেকোনো ধরনের নির্যাতন ও সহিংসতা প্রতিরোধে সরকার জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছে। সরকারের পাশাপাশি নারীর প্রতি সকল ধরনের বৈষম্য নিরসনে সমাজের সকল স্তরের মানুষকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান তিনি।

মহিলা ও শিশু বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী বলেন, নারীর উন্নয়ন বিষয়ে সরকার বদ্ধপরিকর। নারীর প্রতি কোনো ধরনের সহিংসতা কেউ মেনে নেবে না। যেখানেই নারী ও শিশু নির্যাতনের ঘটনা ঘটছে সেখানেই দ্রুততম সময়ের মধ্যে ব্যবস্থা নিচ্ছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

প্রায় দুই কোটি নারীকে বিভিন্ন ধরনের প্রশিক্ষণ ও কার্যক্রমে যুক্ত করার প্রক্রিয়া চলছে। সেলাই থেকে শুরু করে ড্রাইভিংসহ নানা বিষয়ে প্রশিক্ষণ দিতে ২৫০ কোটি টাকার প্রকল্প একনেকে পাশ হয়েছে- উল্লেখ করে তিনি বলেন, জয়িতাসহ বিভিন্ন ধরনের ব্যবসায় নারীদের উৎসাহিত করছি; যাতে শিক্ষা, দারিদ্র্যতা ও অর্থনৈতিক মুক্তি নারীকে এগিয়ে দিতে সহায়তা করে। এতে শিক্ষিত নারীর সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে। দারিদ্র্যতা হ্রাস পাওয়ায় পরিবারের অবস্থা পরিবর্তন হচ্ছে এবং অর্থনৈতিক মুক্তি নারীকে সাহসী করে গড়ে তুলছে।

মানববন্ধনে অন্যান্যের মধ্যে বক্তৃতা দেন মহিলা ও শিশু মন্ত্রণালয়ের সচিব নাছিমা বেগম এনডিসি, জাতীয় মহিলা সংস্থার চেয়ারম্যান মমতাজ বেগম অ্যাডভোকেট, মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের মহাপরিচালক শাহীন আহমেদ চৌধুরী প্রমুখ। সমাজের বিভিন্ন স্তরের নারী পুরুষসহ বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা মানববন্ধনে অংশ নেয়।

নাছিমা বেগম বলেন, নারীর প্রতি দৃষ্টিভঙ্গীর পরিবর্তন হলে তারা নানা প্রতিকূলতা পার করে দেশের উন্নয়নে আরো ভূমিকা রাখতে পারবে। নারীর প্রতি অন্যায়, নির্যাতন, সহিংসতা ও নেতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গীর পরিবর্তন করতে হবে। তবেই নারীদিবসের সার্থকতা পাওয়া যাবে।

মমতাজ বগেম বলেন, নারীর প্রতি বৈষম্য নিরসনে সকলকে একযোগে কাজ করতে হবে। সমাজের কেউ যেন নারীকে অসহায় মনে না করে। নারী ও পুরুষের সম্মিলিত ঐক্যই দেশকে এগিয়ে নিতে পারবে।

এ জাতীয় আরও খবর

স্বনির্ভর দেশ গড়তে গ্রামীণ অর্থনীতিতে গুরুত্ব: পানিসম্পদমন্ত্রী

রংপুর জামায়াত দখল করেছে, অভিযোগ রাশেদ খাঁনের

ইরানে দুই হামলায় যুদ্ধাপরাধের অভিযোগ যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে

শনিবার জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হচ্ছে সাড়ে ১২ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস

নভেম্বরে প্রধানমন্ত্রীর দিল্লি সফর চূড়ান্ত করতে ফের আলোচনা: দ্য হিন্দু

তৃণমূলের নাম-প্রতীক নিয়ে মমতা-ঋতব্রতকে নতুন সিদ্ধান্ত কমিশনের

জামায়াতের ৭১-এর ভূমিকা নিয়ে রাজ্জাকের বক্তব্যের গুরুত্ব তুলে ধরলেন আইনমন্ত্রী

শেখ হাসিনা কালকেই আসুন, হাতকড়া দিয়ে রিসিভ করব: বিমানমন্ত্রী

নির্যাতনের অভিযোগে দাম্পত্যে ইতি, থানায় সমঝোতায় সংগীতশিল্পী কনটেন্ট ক্রিয়েটর ইউসুফ রায়হান ও মুন্নির বিবাহ বিচ্ছেদ

আজ প্রথম প্রেম মনে করার দিন

বিশ্ব বাঁশ দিবস আজ

মূল্যস্ফীতি কমার প্রভাব নেই বাজারে