,

সিন্ধু অববাহিকায় বাঁধ নির্মাণ শুরু, চাপে পাকিস্তান

news-image

 

আন্তর্জাতিক ডেস্ক :সিন্ধু পানি কমিশনের বার্ষিক বৈঠকের আগে পাকিস্তানকে প্রবল চাপে রাখতে নিজেদের ভাগের পানি ব্যবহারে উঠেপড়ে লেগেছে নয়াদিল্লি। এজন্য প্রায় ২২৮৫.৮১ কোটি টাকা খরচ করে সিন্ধু অববাহিকার উপর বাঁধ তৈরি করবে ভারত।

দেশটির জাতীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর, এবার ইরাবতী, বিপাশা ও শতদ্রু মতো উত্তরের নদীগুলোর উপর বাঁধ নির্মাণের কাজ জোরকদমে শুরু হবে। শুক্রবার ভারতের পক্ষে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ শাহপুর কান্দি বাঁধ প্রকল্পে সবুজ সঙ্কেত মিলেছে। দুই রাজ্যই এই বিষয়ে চূড়ান্ত সম্মতি জানিয়েছে। পাঞ্জাবের গুরুদাসপুর জেলায় ৫৫.৫ মিটার উঁচু এই বাঁধ তৈরি হয়ে গেলে পাঞ্জাবের ৫০০০ হেক্টর এবং জম্মু ও কাশ্মীরের প্রায় ৩২,১৭৩ হেক্টর জমিতে সেচ ব্যবস্থায় জোয়ার আসবে বলে মনে করা হচ্ছে। ১৯৯৯ সালে এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হলেও পাঞ্জাব এবং জম্মু ও কাশ্মীরের মতবিরোধে সেই কাজ এতদিন থমকে ছিল। কিন্তু লাহোর আসন্ন সিন্ধু পানি কমিশনের বার্ষিক বৈঠকের আগে নয়াদিল্লির এই চাল ইসলামাবাদের রাতের ঘুম কেড়ে নিতে পারে বলে মনে করছে বিশেষজ্ঞমহল।

উরি হামলার পরও ভারত পাকিস্তানকে সিন্ধুর পানি থেকে বঞ্চিত করেনি। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ইসলামাবাদকে সতর্ক করেন, ভারতের বিরুদ্ধে জঙ্গি কার্যকলাপে লাগাম না টানলে এবার পাকিস্তানকে হাতে নয়, ভাতে মারতে কসুর করবে না ভারত। বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, সিন্ধুর পানি বন্ধ করে দেওয়া হলে শুকিয়ে মরুভূমি হয়ে যাবে পাকিস্তান। সিন্ধু পানিবণ্টন চুক্তির মোতাবেক এ বছরও পানির ভাগ নিয়ে দুই দেশের মধ্যে বৈঠক হবে। তবে সেই বৈঠকের ঠিক আগেই এরকম গুরুত্বপূর্ণ একটি প্রকল্পের কাজ শুরু হয়ে যাওয়ার পিছনে নয়াদিল্লির কূটনৈতিক চালই দেখছেন বিশেষজ্ঞরা।

এ জাতীয় আরও খবর

নবীনগরে গাড়ির ধাক্কায় বেকারি লাইনম্যান তামিম নিহত

পদোন্নতি পেয়ে অতিরিক্ত আইজিপি হলেন ৫ ডিআইজি

যেভাবে সময় কাটছে বুবলীর

তপ্তদহনে পুড়ছে মানুষ, কমছে কর্মঘণ্টা, ক্ষয়ে যাচ্ছে জিডিপি

২২ দিনে রেমিট্যান্স এলো ২৬ হাজার ৪২০ কোটি টাকা

অ্যাভোকাডো খাওয়া যে কারণে উপকারী

পাড্ডিক্যালের সেঞ্চুরিতে বড় সংগ্রহের পথে ভারত

নতুন রূপে আসছে শাকিবের ‘অপারেশন অগ্নিপথ’

বাংলাদেশের ভুতুড়ে ব্যাটিংয়ে ম্যাকাইয়ে রেকর্ডের ছড়াছড়ি

ডেঙ্গুতে ৫ মৃত্যু, হাসপাতালে ৮৩৯

নবীনগরে ‘হোপ’-এর উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি ও আলোচনা সভা

রোহিঙ্গাদের মানবাধিকার রক্ষায় মিয়ানমারকে অবশ্যই কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে