,

বেড়েই চলেছে রোহিঙ্গাদের অবৈধ অণুপ্রবেশ

news-image

নিউজ ডেস্ক : বাংলাদেশ সীমান্ত সংলগ্ন রাখাইন প্রদেশের একটি সীমান্ত গেট খুলে যাওয়ার পর অনেক রোহিঙ্গাই দেশে ফিরে যাচ্ছেন। আবার মিয়ানমার থেকে নতুন করে অনেকেই আসছেন বাংলাদেশে। দুদেশের সীমান্তরক্ষীদের ফাঁকি দিয়ে রোহিঙ্গাদের আসা-যাওয়া চলছেই।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সম্প্রতি কক্সবাজারের টেকনাফ ও উখিয়া সীমান্ত দিয়ে অনেক রোহিঙ্গা স্বদেশে ফেরত গেলেও বাংলাদেশে তাদের অনুপ্রবেশ অব্যাহত রয়েছে। গত এক সপ্তাহে সীমান্তের বিভিন্ন পয়েন্ট দিয়ে প্রবেশ করে পাঁচ শতাধিক রোহিঙ্গা উখিয়া ও টেকনাফের বিভিন্ন ক্যাম্পে আশ্রয় নিয়েছেন। অন্যদিকে, এসব ক্যাম্প থেকে দুই শতাধিক রোহিঙ্গা মিয়ানমার ফিরে গেছেন। এ বিষয়ে উখিয়ার কুতুপালং অনিবন্ধিত রোহিঙ্গা ক্যাম্পের ব্যবস্থাপনা কমিটির চেয়ারম্যান আবু ছিদ্দিক বলেন, দুই দিন আগে কুতুপালং ক্যাম্প থেকে শতাধিক রোহিঙ্গা মিয়ানমারে ফেরত গেছেন। ফেরত যাওয়া এসব রোহিঙ্গা পরিবার পরিজন ফেলে একাই পালিয়ে এসেছিলেন। দেশে ফিরে পরিবারের সদস্যদের নিয়ে তারা আবার বাংলাদেশে ফেরত আসতে পারে। কারণ, মিয়ানমার সরকার রাখাইনে সেনা অভিযানের সমাপ্তি ঘোষণা করলেও এখনও নির্যাতন কমেনি। প্রতিটি গ্রামে মিয়ানমার সেনাবাহিনীর অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

এক যুগেরও বেশি সময় ধরে কুতুপালং ক্যাম্পের নিবন্ধিত রোহিঙ্গা মোহাম্মদ ইউনুছ বলেছেন, রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারে ফেরত যাওয়ার কথা বিশ্বাসযোগ্য না। কারণ, রাখাইন থেকে সেনা সদস্যদের ফিরিয়ে নেওয়ার পরও মংডুর ঝিমংখালি গ্রামের ৩টি ঘর জ্বালিয়ে দেওয়া হয়েছে। এই ঘটনার পর গত দুই দিনে দুই শতাধিক রোহিঙ্গা সীমান্ত দিয়ে অনুপ্রবেশ করে কুতুপালং ক্যাম্পে আশ্রয় নিয়েছে। টেকনাফ লেদা অনিবন্ধিত ক্যাম্পের চেয়ারম্যান দুদু মিয়া জানান, এক সপ্তাহে আগে ওই ক্যাম্প থেকে ৩০-৪০ জন রোহিঙ্গা ফেলে আসা স্বজনদের বাংলাদেশে নিয়ে আসার জন্য মিয়ানমারে ফেরত গিয়েছে বলে তার কাছে তথ্য রয়েছে।

অন্যদিকে, টেকনাফের হোয়াইক্যং এলাকার লালু মেম্বার ও স্থানীয় মুদি দোকানদার মোহাম্মদ হোসেন জানান, দুদিন আগে ৩০-৩৫ জনকে মিয়ানমার সীমান্তের দিকে তারা যেতে দেখেছেন। শিশুদের নিয়ে বেশ কয়েকজন রোহিঙ্গাকে এপারে আসতেও দেখেছেন তারা। এ বিষয়ে টেকনাফ ২নং বিজিবির অধিনায়ক আবুজার আল জাহিদ বলেন, শুনেছি গত এক সপ্তাহে তিন শতাধিক রোহিঙ্গা স্বদেশে ফিরে গেছে। তবে কিভাবে গেছে এবং কেন গেছে তা পরিষ্কার নয়। তার ধারণা, মিয়ানমারে সেনা অভিযান সমাপ্তির ঘোষণা শুনে তারা ফিরে যেতে পারেন। প্রসঙ্গত, গত ১৬ ফেব্রুয়ারি এশিয়া ভিত্তিক সংবাদমাধ্যম চ্যানেল নিউজ এশিয়া এবং ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্সের খবরে বলা হয়, রোহিঙ্গা অধ্যুষিত রাখাইন রাজ্যে সামরিক অভিযানের সমাপ্তি ঘোষণা করেছে মিয়ানমার। তবে অনেক রোহিঙ্গার মতে, এটা মিয়ানমার সরকারের এক ধরনের রণকৌশল।

এ জাতীয় আরও খবর

স্বনির্ভর দেশ গড়তে গ্রামীণ অর্থনীতিতে গুরুত্ব: পানিসম্পদমন্ত্রী

রংপুর জামায়াত দখল করেছে, অভিযোগ রাশেদ খাঁনের

ইরানে দুই হামলায় যুদ্ধাপরাধের অভিযোগ যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে

শনিবার জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হচ্ছে সাড়ে ১২ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস

নভেম্বরে প্রধানমন্ত্রীর দিল্লি সফর চূড়ান্ত করতে ফের আলোচনা: দ্য হিন্দু

তৃণমূলের নাম-প্রতীক নিয়ে মমতা-ঋতব্রতকে নতুন সিদ্ধান্ত কমিশনের

জামায়াতের ৭১-এর ভূমিকা নিয়ে রাজ্জাকের বক্তব্যের গুরুত্ব তুলে ধরলেন আইনমন্ত্রী

শেখ হাসিনা কালকেই আসুন, হাতকড়া দিয়ে রিসিভ করব: বিমানমন্ত্রী

নির্যাতনের অভিযোগে দাম্পত্যে ইতি, থানায় সমঝোতায় সংগীতশিল্পী কনটেন্ট ক্রিয়েটর ইউসুফ রায়হান ও মুন্নির বিবাহ বিচ্ছেদ

আজ প্রথম প্রেম মনে করার দিন

বিশ্ব বাঁশ দিবস আজ

মূল্যস্ফীতি কমার প্রভাব নেই বাজারে