সোমবার, ২৭শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ ১২ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

‘রামপাল প্রকল্প সুন্দরবনের জন্য সব্বোর্চ বিপজ্জনক সঙ্কট’

news-image

 

নিজস্ব প্রতিবেদক : সুন্দরবন রক্ষা জাতীয় কমিটির আহ্বায়ক সুলতানা কামাল বলেছেন, রামপালের কয়লা ভিত্তিক তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্র ভারত-বাংলাদেশের যৌথ উদ্যোগে নির্মিততব্য প্রকল্প। আর এই প্রকল্পটি হচ্ছে সুন্দরবনের জীবনে সব্বোর্চ বিপজ্জনক সঙ্কট।

সুন্দরবন রক্ষা দিবস উপলক্ষ্যে সুন্দরবন রক্ষা জাতীয় কমিটি ও তার আওতাধীন ৫৩টি পরিবেশবাদী সংগঠনের উদ্যোগে আয়োজিত এক সমাবেশ ও র‌্যালি কর্মসূচীর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মঙ্গলবার তিনি এ কথা বলেন।

সুলতানা কামাল বলেন, বিপজ্জনক জানা সত্ত্বেও ভারত-বাংলাদেশের এবং জাতিসঙ্ঘের পরিবেশ সংশ্লিষ্ট সকল আইন, নীতি, ঘোষণাকে উপেক্ষা, বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রদান ও আর্থিক হিসাবের বিচারে অনেক ক্ষতির দায় মাথায় নিয়ে ও সারাদেশের কোটি কোটি মানুষের প্রতিবাদ উপেক্ষা করে সরকার এই বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনে দৃঢ় মনোভাব ব্যক্ত করেছে।

‘সর্বোচ্চ ধ্বংসাত্মক সঙ্কটের মুখে সুন্দরবন! সুন্দরবন রক্ষা করুন, প্রকৃতি বাঁচান, দেশ বাঁচান !’ শীর্ষক এ সমাবেশ শাহবাগ জাতীয় জাদুঘরের সামনে অনুষ্ঠিত হয়। সমাবেশ শেসে সকাল ১১টায় র‌্যালি শুরু হয়। শাহবাগস্থ জাতীয় জাদুঘরের সামনে থেকে শুরু হয়ে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে শেষ হয়।

র‌্যালি উদ্বোধন করে সুলতানা কামাল ঘোষণা পাঠ করতে গিয়ে আরো বলেন, আমরা বিদ্যুৎ চাই তবে সুন্দরবন নষ্ট করে নয়। আমরা সুন্দরবন চাই, কিন্তু সেটা হবে অক্ষত সুন্দরবন।

তিনি অবিলম্বে এ প্রকল্পের সহকারী পরিবেশগত সমীক্ষা প্রতিবেদন অবিলম্বে বাতিলের দাবি এবং নিরপেক্ষ যথাযথ বিজ্ঞানভিত্তিক, পরিবেশ ও সামাজিক সমীক্ষার সুপারিশ স্বাপেক্ষে তা নিরপদ দুরত্বে সরিয়ে নেয়ার আহ্বান জানান সরকারের কাছে।

এতে সুন্দরবন রক্ষা জাতীয় কমিটির সদস্য সচিব ডাঃ মো. আব্দুল মতিনসহ সিপিবি নেতা রুহিন হোসেন প্রিন্স, বাপার যুগ্ম সম্পাদক মিহির বিশ্বাস, সেভ দ্যা সুন্দরবন ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান ড. শেখ ফরিদুল ইসলামসহ বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গসহ বিভিন্ন পরিবেশবাদী ও সামাজিক সংগঠনের প্রতিনিধিগন উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, ২০০১ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি বাপা, রূপান্তর ও কতিপয় স্থানীয় সংগঠনের যৌথ উদ্যোগে খুলনায় একটি সুন্দরবন সম্মেলনের সফল আয়োজন করা হয়েছিল। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে যোগদান করেছিলেন তৎকালীন রাষ্ট্রপতি বিচারপতি শাহাবুদ্দিন আহমেদ। সে সম্মেলনে গৃহিত প্রস্তাবের ভিত্তিতেই বাপা তার সুন্দরবন বিষয়ক কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। আর এই দিনটি (১৪ ফেব্রুয়ারি) প্রতি বছরই ঢাকায় ও খুলনাসহ সারাদেশে আনুষ্ঠানিকভাবে বেসরকারী পর্যায়ে পালিত হয়ে আসছে। এরই ধারাবাহিকতায় এবারও ঢাকায় ও সারা দেশে দিবসটি পালিত হচ্ছে।

এ জাতীয় আরও খবর

শেখ হাসিনার দেশে ফেরার আলোচনা রাজনৈতিক: পার্থ

রাষ্ট্রপতি নির্বাচন নিয়ে ভারপ্রাপ্ত স্পিকারের সঙ্গে সিইসির বৈঠক মঙ্গলবার

যুবদল কর্মী হত্যা: ২৫ লাখ টাকায় ৪ শুটার ভাড়া, দাবি ডিবির

হামের উপসর্গে আরও ৫ শিশুর মৃত্যু

রাষ্ট্রপতি নির্বাচন নিয়ে স্পিকারের সঙ্গে বৈঠকে ইসি

যথাসময়ে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন হবে: মির্জা ফখরুল

আইনশৃঙ্খলা উন্নত না হলে বিনিয়োগ আসবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

বাংলাদেশি পাসপোর্টে ৩৫ দেশে সহজ ভ্রমণ সুবিধা

নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসে বিজয়ীদের পুরস্কার দিলেন প্রধানমন্ত্রী

টুথপেস্টে মাইক্রোপ্লাস্টিক: তদন্ত চেয়ে হাইকোর্টে রিট

লাইসেন্স ফিরে পেল আদ্-দ্বীন মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল

এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ ১০ আগস্ট