,

ধর্ষণকারীর কাটা জায়গায় মরিচের গুঁড়ো দেয়া উচিত

news-image

 

আন্তর্জাতিক ডেস্ক :ভারতের কেন্দ্রীয় পানি সম্পদমন্ত্রী উমা ভারতী বলেছেন ধর্ষণকারীদের নির্যাতিতার সামনেই উল্টো করে ঝুলিয়ে মারধর করা উচিত। এরপর কাটা জায়গায় লবণ ও মরিচের গুঁড়ো ছিটিয়ে দেয়া উচিত। বৃহস্পতিবার উত্তরপ্রদেশের আগ্রায় এক নির্বাচনী প্রচারে গিয়ে উমা ভারতী এ কথা বলেন।

উমা ভারতী বলেন, মধ্যপ্রদেশে মুখ্যমন্ত্রী থাকাকালে তাঁর সময়ে (২০০৩-০৪ সালে) কোনো ধর্ষণের ঘটনা ঘটলে কিভাবে শাস্তি দেয়া হত। তিনি বলেন, কোনো ব্যক্তি যদি ধর্ষণ বা এই ধরনের অপরাধের সঙ্গে যুক্ত থাকে তবে তাঁকে নির্যাতিতার সামনেই উল্টো করে ঝুলিয়ে রাখা উচিত এবং বেধঢ়ক মারা উচিত যতক্ষণ না পর্যন্ত তার গায়ের চামড়া খুলে পড়ছে। এরপর সেই জায়গায় লবণ ও মরিচের গুঁড়ো ছিটিয়ে দেয়া উচিত যাতে তারা কষ্টটা বুঝতে পারে এবং যতক্ষণ না পর্যন্ত তারা নিজেদের প্রাণ ভিক্ষা চাইছেন ততক্ষণ পর্যন্ত এটা করা উচিত’।

এই বিজেপি নেত্রী বলেন, মধ্যপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী থাকাকালে যখন এধরনের ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছিলো আমি এরকম শাস্তি দিয়েছিলাম। পুলিশের কর্মকর্তারা আমায় বলেছিলেন, এটা মানবাধিকার লঙ্ঘন করা হচ্ছে। কিন্তু আমি তাদের উত্তরে বলেছিলাম মানবাধিকার হল মানুষদের জন্য, এই শয়তানদের কোনো মানবাধিকার নেই। আমি এও বলেছিলাম, ধর্ষণকারীদেরকে যখন মারধর করা হচ্ছে তখন নির্যাতিতা নারীরা যেন জানালা দিয়ে সেই দৃশ্য দেখেন যাতে ধর্ষণকারীদের চিৎকার শুনে নির্যাতিতা নারীও যেন কিছুটা মানসিক শান্তি পায়’।

গত বছরের জুলাই মাসেই নয়ডার এক পরিবার শাহজাহানপুরের দিকে ভ্রমণের উদ্দেশ্যে যাচ্ছিলেন। সেসময় উত্তরপ্রদেশের বুলন্দশহরে একদল দুর্বৃত্ত ওই পরিবারের ওপর হামলা চালায়। এরপর পুরুষটিকে একটি গাছের সঙ্গে বেঁধে রেখে ১৩ বছরের এক নারীসহ দুই নারীকে গাড়ি থেকে বের করে টেনে নিয়ে পাশের একটি মাঠে নিয়ে ধর্ষণের অভিযোগ রয়েছে। দুর্বৃত্তরা তাদের থেকে রুপি, গহনা ও মোবাইল ফোন নিয়েও চম্পট দেয়। ওই ঘটনায় গোটা দেশজুড়ে সোরগোল পড়ে যায়। পুলিশি ব্যর্থতার অভিযোগ ওঠে। কিন্তু ওই ঘটনায় অপরাধীদের একই শাস্তি না দেয়ায় অখিলেশ সরকারের সমালোচনা করেন উমা ভারতী।

আগামীকাল শনিবার থেকেই রাজ্যটিতে বিধানসভার নির্বাচন শুরু হচ্ছে। মোট সাত দফায় হবে এই নির্বাচন। এই নির্বাচনকেই এখন পাখির চোখ করেছে বিজেপি। ইতিমধ্যেই দলের স্টার ক্যাম্পেনারদের ময়দানে নামিয়ে দেয়া হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী মোদীও রাজ্যের একাধিক সভায় প্রচার করছেন। রাজ্যে সমাজবাদী পার্টি (সপা) ও কংগ্রেসের জোট হওয়ার পর বিজেপি কিছুটা চাপেই রয়েছে। ফলে রাজ্য পুরো শক্তি প্রয়োগ করে সপা-কংগ্রেসকে কোণঠাসা করতে চাইছে বিজেপি।

এ জাতীয় আরও খবর

নবীনগরে গাড়ির ধাক্কায় বেকারি লাইনম্যান তামিম নিহত

পদোন্নতি পেয়ে অতিরিক্ত আইজিপি হলেন ৫ ডিআইজি

যেভাবে সময় কাটছে বুবলীর

তপ্তদহনে পুড়ছে মানুষ, কমছে কর্মঘণ্টা, ক্ষয়ে যাচ্ছে জিডিপি

২২ দিনে রেমিট্যান্স এলো ২৬ হাজার ৪২০ কোটি টাকা

অ্যাভোকাডো খাওয়া যে কারণে উপকারী

পাড্ডিক্যালের সেঞ্চুরিতে বড় সংগ্রহের পথে ভারত

নতুন রূপে আসছে শাকিবের ‘অপারেশন অগ্নিপথ’

বাংলাদেশের ভুতুড়ে ব্যাটিংয়ে ম্যাকাইয়ে রেকর্ডের ছড়াছড়ি

ডেঙ্গুতে ৫ মৃত্যু, হাসপাতালে ৮৩৯

নবীনগরে ‘হোপ’-এর উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি ও আলোচনা সভা

রোহিঙ্গাদের মানবাধিকার রক্ষায় মিয়ানমারকে অবশ্যই কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে