,

সউদি শ্রম আইনের ৭৭ ধারা বাতিলের দাবি

news-image

আন্তর্জাতিক ডেস্ক :সউদি আরবে শ্রম আইনের ৭৭ ধারা বাতিলের দাবি জোরালো হয়ে উঠেছে। এই ধারায় যে কোনো সময় যে কোনো কর্মীকে ক্ষতিপূরণ দিয়ে চাকরিচ্যূত করার ক্ষমতা পাবলিক সেক্টরকে দেয়া হয়েছে। অনেক সউদিই এখন চাচ্ছেন, শ্রম আইনের এই ধারাটি বাতিল করা হোক।

সউদি শূরা কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট শেখ আবদুল্লাহ আল-আশেখ এক সভায় জানান, এই ধারাটির ব্যাপারে উদ্বেগ জানিয়ে কাউন্সিলে ৮০০ দরখাস্ত পড়েছে।

শূরা কাউন্সিলের মানবাধিকার কমিটির উপ-প্রধান নিহাদ আল-জিশি বলেন, এই ধারাটির অপব্যবহার হয়ে অনেককে চাকরি হারাতে হচ্ছে, যার বিরূপ প্রভাব পড়ছে দেশের দরিদ্র পরিবারগুলোর ওপর। তাই এই ধারাটি রদ হলে মানুষ স্বস্তি পাবে।

কলামিস্ট খালিদ আল-সুলাইমান বলেন, আগের শ্রম আইনটি সউদি কর্মীদের সুরক্ষা দিত, কিন্তু নতুন ধারাটি মালিক-শ্রমিক সম্পর্ককে উৎপাদনভিত্তিক করে ফেলেছে। এখন উচিত, যাচাই-বাছাই ও সংশোধন না হওয়া পর্যন্ত ধারাটি স্থগিত রাখা।

শূরা কাউন্সিলের সদস্য সামিয়া বুকারি বলেন, ক্ষতিপূরণের অর্থের পরিমাণ বাড়ানো উচিত এবং আগের নিয়মে কাউকে চাকরিচ্যূত করার আগে লেবর ভায়োলেশন্স কমিটিকে জানানো প্রয়োজন।

অন্যদিকে বিতর্কিত ধারাটির পক্ষ নিয়ে মক্কার একটি পত্রিকায় কলামিস্ট আহমেদ আল-হারসানি লিখেছেন, ৭৭ ধারার ফলে মালিক-শ্রমিক সম্পর্কে ভারসাম্য এসেছে। কেননা কর্মীকে অতিরিক্ত সুরক্ষা দিলে তা তার উৎপাদনশীলতা কমিয়ে দেয়।

আল-হারসানি লিখেছেন, এই ধারায় একজন কর্মীকে চাকরিচ্যূত করা যেমন সহজ করা হয়েছে, তেমনি কর্মীর অধিকারও সুস্পষ্টভাবে বর্ণনা করা আছে। কাজেই লেবর কমিটিকে ডাকার কোনো প্রয়োজন নেই। তবে মালিক চাকরিচ্যূত কর্মীর পাওনা ঠিকভাবে বুঝিয়ে দিল কিনা তা অবশ্যই মনিটর করতে হবে।

এ জাতীয় আরও খবর

নবীনগরে গাড়ির ধাক্কায় বেকারি লাইনম্যান তামিম নিহত

পদোন্নতি পেয়ে অতিরিক্ত আইজিপি হলেন ৫ ডিআইজি

যেভাবে সময় কাটছে বুবলীর

তপ্তদহনে পুড়ছে মানুষ, কমছে কর্মঘণ্টা, ক্ষয়ে যাচ্ছে জিডিপি

২২ দিনে রেমিট্যান্স এলো ২৬ হাজার ৪২০ কোটি টাকা

অ্যাভোকাডো খাওয়া যে কারণে উপকারী

পাড্ডিক্যালের সেঞ্চুরিতে বড় সংগ্রহের পথে ভারত

নতুন রূপে আসছে শাকিবের ‘অপারেশন অগ্নিপথ’

বাংলাদেশের ভুতুড়ে ব্যাটিংয়ে ম্যাকাইয়ে রেকর্ডের ছড়াছড়ি

ডেঙ্গুতে ৫ মৃত্যু, হাসপাতালে ৮৩৯

নবীনগরে ‘হোপ’-এর উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি ও আলোচনা সভা

রোহিঙ্গাদের মানবাধিকার রক্ষায় মিয়ানমারকে অবশ্যই কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে